বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

অদ্ভুত ভালোবাসার কাহিনী (পর্ব:৩)

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান আর.এম. রকি মাহমুদ (০ পয়েন্ট)

X ** ** মৌ কসমেটিক এর দোকানে ঢুকে ওর যেই যেই জিনিস না লাগবে সেই গুলো ও নিতে লাগলো,ফায়সাল ওর এই রকম পাগলামি গুলো দেখে মুচকি হাসতে লাগলো। আজ যেইভাবে মৌ মেয়েটা পাগলামি করছে এই রকম পাগলামি ফায়সাল এই চার বছরের মধ্যে কনো দিন দেখে নি,হয়তোবা আজ যেই চোখে ফায়সাল মৌ কে দেখছে হয়তো আগে এই রকম ভাবে দেখে নি বিদায় ওর চোখে আজ মৌ এর এই সব পাগললামি খুব ভালোলাগছে। আজ কিছুই বলার নেই ফায়সাল এর। মৌ তার কাজ শেষ করে বল্লো, মৌ: বাবু আমার এইগুলো লাগবে। (আহ্লাদী ভাবে) ফায়সাল: আর কিছু লাগলে নিয়ে নাও। (স্বাভাবিক ভাবে) মৌ: না আর কিছু লাগবে না। ( অবাক হয়ে উত্তরটা দিলো) মৌ খুব অবাক হয়ে গেলো,কারন ফায়সাল খুব হাসি মুখেই ওর নেয়া জিনিসগুলোর দাম দিয়ে দিলো,মৌ ভাবছিলো একটু রাগ দেখাবে কিন্তু তা মোটেই হলো না। পরে দুইজন দোকানটা থেকে বের হয়ে গেলো। . তারপর মৌ ফায়সালকে আবার বাশ দেওয়ার জন্য একটা শারীর দোকানে ঢুকলো,সেইখানে যেয়ে শারী পচ্ছন্দ করতে লাগলো,মৌ ভাবছে এইবার ফায়সাল ঠিকই কিছু বলবে কিন্তু না,এইবারো কিছু না বলে ফায়সাল নিজেই ওকে শারী পচ্ছন্দ করতে সাহায্য করলো। আর ওই দোকানের সব থেকে ইস্পেশাল শারীটাই মৌ কে হাসিমুখে কিনে দিলো। মৌ যেই রকম ভাবছে ঠিক উল্টো টাই ফায়সাল করতে লাগলো। আর মৌ কে পর পর দুইবারি অবাক করে দিলো। ** ** এইভাবেই সারাদিন ঘুরতে ঘুরতে দুপুর হয়ে গেলো। তারপর দুইজন মিলে রিকশায় উঠে লাঞ্চ করার জন্য এক রেস্টুরেন্ট এর দিকে রওনা দিলো। ফায়সাল অপলক দৃষ্টিতে মৌ এর দিকে তাকিয়ে আছে। মৃদু বাতাসে ফায়সালের চেহারা বার বার লেপটে যাচ্ছে মৌ এর চুল দারা। ছেলেটা চোখ দুটো বন্ধ করে মৌ এর চুলের ঘ্রাণ নিতে লাগলো। মৌ বিষয়টা লক্ষ করেও কিছু বল্লো না। আজ মৌ তার নিজের কাছে হেরে গেলো। পর পর ফায়সালকে দুইবার বাশ দিয়েও কনো প্রতিকার পেলোনা। কিছুখন পর দুইজন এক রেস্টুরেন্ট এর কাছে যেয়ে নামলো। রেস্টুরেন্ট এর ভিতরে ঢুকে ফায়সাল মৌ এর সব প্রিয় খাবার গুলোর অর্ডার দিলো। মৌ ফায়সালের দিকে অবাক চোখে তাকিয়ে বল্লো এই কি করলা? ফায়সাল: ফায়সাল কি করলাম আবার? মৌ: এতো কিছু অর্ডার করার কি দরকার ছিলো? ফায়সাল; আমার সুইট বার্ডিটা বাড়িতে কি খায় তা তো আর আমি দেখিনা তাই আজ আমার বার্ডিটা খাবে আমি তার খাওয়ার স্বাদ গ্রহন করতে চাই। মৌ এইবার ফায়সাল এর কথার মাঝে কিছু একটা খুজে পেলো,খুব অবাক হয়ে গেলো এই আবেগি ছেলেটার কথা শুনে। ওদের পাশে থাকা কাপলগুলো ওদের দিকে তাকিয়ে রইলো। হয়তো কাপলগুলো ভাবতেছিল ওদের দুইজনের মাঝে ভালবাসা জিনিসটা রসে ভর পুর। খাবারগুলো ওদের টেবিলে আসার পর ফায়সাল নিজের হাতেই মৌ কে খাওয়িয়ে দেওয়ার জন্য হাতটা বাড়ালো। মৌ কাজল কালো চোখে ফায়সালের দিকে কিছুটা লজ্জা নিয়ে তাকালো। আর ওর হাত থেকে খাবারটা খেয়ে নিলো। বলতে গেলে ফায়সালের প্রতি মৌ যেনো কি একটা অনুভব করতে লাগলো। খাওয়া দাওয়া শেষ করে দুইজন রেস্টুরেন্ট থেকে বের হয়ে গেলো। ** ** এইভাবে দুইজন সারাদিন ঘুরাঘুরি করার পর কখন যে সন্ধ্যা হয়ে গেলো তা বুঝাই গেলো না। দুইজন এক সাথে এই সন্ধ্যার মৃদু হাওয়ার মাঝে হাটতে লাগলো। তাদের কথা বলার ধরনগুলো আগের থেকে খুব পরিবর্তন হয়ে গিয়েছিলো। দুইজনের মাঝে বন্ধুত্ব সম্পর্কটা হয়তো পরিবর্তন হবে এই রকম একটা সুভাস ছড়াচ্ছিল। ফায়সাল মৌ এর দিকে কিছুটা লক্ষ করে দেখলো মেয়েটা শীতে কিছুটা হিমশিম খাচ্ছে। তাই নিজের পরনে থাকা কোট টা খুলে মৌ এর হাতে দিয়ে বল্লো,এইটা পরে নাও। মৌ কিছুক্ষন ফায়সাল এর দিকে তাকিয়ে বল্লো, না সমস্যা নাই তেমন শীত লাগতেছেনা। ফায়সাল: আমার কিন্তু চোখ আছে দেখতে পারতেছি শীত লাগছে কি লাগছেনা। মৌ কিছু বল্লো না ফায়সালের হাত থেকে কোট টা নিয়ে নিজের শরীরে জড়িয়ে নিলো। আর অনুভব করতে লাগলো কোটের মাঝে মিশে থাকা ফায়সালের স্পর্শগুলো। মেয়েটার খুব ইচ্ছে হচ্ছিলো ফায়সালের হাতটা ধরে হাটার। মেয়েটা যখনি ওর হাতটা ধরতে গেলো তখনি ও হাত দুইটা নীজের পকেটে নিয়ে নিলো। মেয়েটা আর হাতটা ধরতে পারলো না। মৌ ফায়সালের দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলো আর মনে মনে বলতে লাগলো,ফায়সাল তুই দেখি আমাকে ইমোশনাল ব্লাকমেইল করে ফেল্লি। এখন দেখি একটু হাতটা ধরারো সুযোগ দিলিনা। এরি মাঝে ফায়সাল একটা রিকশা ডাক দিলো আর বল্লো,মামা পান্থপথ যাইবা? রিকশাওয়ালা: হুম মামা যামু। ফায়সাল মৌকে বল্লো,রিকশায় উঠো। মৌ কিছু না বলেই রিকশায় উঠে পড়লো। "ফায়সাল বাহিরের দিকে তাকিয়ে আছে আর মৌ এক দৃষ্টিতে ফায়সালের দিকে তাকিয়ে আছে। দুইজনের মাঝে কনো কথায় হচ্ছে না। মৌ আবার ফায়সালের হাতটা ধরতে চাইলো কিন্তু এইবার ফায়সাল বিষয়টা একটু লক্ষ করে পকেটে হাত দিয়ে মোবাইলটা বের করলো মৌ এইবারো হাতটা ধরতে পারলোনা। মেয়েটা কিছুটা রাগ নিয়ে বল্লো,আমার বাসায় যেতে হবে। ফায়সাল: হুম। মৌ: কি হুম? আমি বাসায় যাবো রিকশা ঘুরাতে বলো। ফায়সাল: চুপ করে বসো,কিছুক্ষন পরেই তোমাকে বাড়িতে পৌছিয়ে দিয়ে আসবো। মৌ আর কিছু বল্লোনা। ফায়সাল একটা মুচকি হাসি দিলো। কারন মৌ রাগ করে বল্লেও ওইটা রাগ বুঝা যাচ্ছিলো না। কারন মেয়েটা অভিমান করে কথাটা বলেছিলো। মেয়েটার মাঝে অনেক পরিবর্তন হয়ে গিয়েছে,তা ফায়সাল খুব সহযে বুঝতে পেরেছে। ফায়সাল মৌ এর দিকে তাকালো মেয়েটার চেহারাটা খুব একটা মলিনভাব ফুটে উঠেছিলো তা সোডিয়ামের আলোতে খুব সহযেই বুঝা যাচ্ছিলো । খুব একটা মায়ায় পরে অনিচ্ছা থাকা সত্বেও ফায়সাল মৌ এর কাধে নিজের হাতটা রাখলো।ফায়সালের স্পর্শতে মৌ কিছুটা শিউরে উঠলো। মৌ ফায়সালের দিকে তাকিয়েও কিছু বল্লোনা। "মনে হয় ওদের আজকের তুমিটা তুমিই থেকে যাবে আজীবন! এই তুমিটা আর কখনোই হয়তো তুই এ রূপ ধারন করবেনা।" ** ** পান্থপথ এসেই দুইজন রিকশা থেকে নামলো। মৌ ফায়সালকে বল্লো আমরা কোথায় যাচ্ছি? ফায়সাল: আগে আসো দেখলেই বুঝতে পারবে। মৌ আর কনো কথা বাড়ালোনা। তারপর ফায়সাল ওকে নিয়ে একটা জুয়েলারির দোকানে ঢুকলো। ডায়মন্ড এর কাজ করা একটা রিং দেখিয়ে জুয়েলারি দোকানি কে ফায়সাল বল্লো, ওই রিংটা বের করেন তো। মৌ ফায়সালের দিকে তাকিয়ে রইলো,কি করছে এই ছেলেটা! দোকানি রিংটা দেওয়ার পর ফায়সাল মৌকে বল্লো, রিংটা কেমন দেখতে? মৌ: ভালোই (খুব একটা দ্বিধায় পরে কথাটা বল্লো) ফায়সাল মৌ এর হাতটা ওর হাতে নিয়ে রিংটা মৌকে পড়িয়ে দিলো। মৌ: এইটা কি করলা? ফায়সাল: তোমাকে রিং পড়ালাম। দেখছো রিংটা তোমার হাতে কতটা মানায়ছে? মৌ: ফায়সাল এইটার দাম কিন্তু অনেক। ( আস্তে করেই বল্লো) ফায়সাল: দাম তো আর তুমি দিতেছোনা। তাছাড় এই স্পেশাল দিনে আমার সবথেকে স্পেশাল মানুষটাকে কিছু না দিলে কি হয়! এর থেকে অনেক দামি তুমি আমার কাছে। ( স্বাভাবিক ভাবেই বল্লো) মৌ ফায়সালের মুখে এমন কথা শুনে কথা বলার ভাষা হারিয়ে ফেল্লো। অবাক চোখে ফায়সালের দিকে তাকিয়ে রইলো। কি বলবে কিছুই বুঝতেছিলোনা। আজ দিনটা এমন হয়ে যাবে মৌ কখনোই ভাবে নি। ফায়সাল দোকানিকে টাকাটা দিয়ে মৌ কে নিয়ে বের হয়ে গেলো। তারপর রিকশা ডাক দিয়ে নিজেদের বাড়ি যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দিলো। ** ** একসাথে দুইজন রিকশাতে বসে আছে কারো মুখেই কনো কথা নেই। মৌ বার বার ফায়সালের দিকে তাকাচ্ছে। কিন্তু ছেলেটা একবারো ওর দিকে তাকাচ্ছেনা। মৌ নিজেই নীরবতা ভেঙ্গে ফায়সালকে জিজ্ঞাস করলো, এতগুলা টাকা পেলে কোথায়? ফায়সাল: জমিয়েছিলাম । মৌ: তো রিংটা কিনে এতোগুলা টাকা কেনো নষ্ট করলে? ফায়সাল: বাদ দাওতো এইসব। মৌ: কেন বাদ দিবো হুম? (কিছুটা চেচিয়ে) ফায়সাল: দেখলাম নিজেকে নিজেই বাশ দিতে কি মজা অনুভব করা যায়। মৌ: ও তাহলে এই কথা। তো আমার উপর রাগ দেখিয়ে এই কাজটা করছো তাই তো? (খুব একটা করুনার শুরে) ফায়সাল: তা হবে কেনো? মৌ : তাহলে এইভাবে বল্লা কেন? খুব বাশ দিয়ে ফেলছি আমি তাইনা। (অভিমান করে) ফায়সাক: সরি ফাইজলামি করে বলছি। মৌ আর কিছু বল্লোনা। মেয়েটা খুব কষ্ট পেয়েছে ফায়সালের কথা শুনে। ফায়াসাল আবার বল্লো,আচ্ছা সত্যিকারের ভালবাসাটা অনুভব করতে কেমন লাগে? মৌ কিছু বল্লোনা। ফায়সাল: ও তুমিতো কাউকে সত্যিকার ভাবে ভালবাসই নাই তুমি জানবে কিভাবে? ওকে তোমার বিয়ে হলে তো তখন তোমার হাসবেন্ডকে সত্যিকারেরি ভালবাসবা তখন কিন্তু এইটার উত্তর টা আমাকে দতে হবে। মৌ এইবার চোখে ছলছল জ্বল নিয়ে ফায়সালের দিকে তাকিয়ে রইলো। এইবার নিজেকে কন্টল করতে খুব কষ্ট হচ্ছিলো।বলতে গেলে মেয়েটা ফায়সালের আজকের ঘটে যাওয়া কার্য কর্ম গুলো দেখে ওর প্রতি খুব দুর্বল হয়ে গিয়েছে। কারন ফায়সালের ছোট একটা কথায় মেয়েটার চোখে পানি ছলছল করতেছিলো। তা থেকেই বুঝা যায় মেয়েটার মনের ভিতর কি চলতেছে। মৌদের বাড়ির সামনে রিকশা এসে পড়লো। মেয়েটা বিষয়টা লক্ষ করেনি। ফায়সাল বল্লো কি হলো নামবে না? মৌ ফায়সালের কথা শুনে ওর দিকে একটু তাকিয়ে রিকশা থেকে নেমে গেলো। কেন যেনো মেয়েটার রিকশা থেকে নামতে ইচ্ছা করতেছিলোনা। বার বার মনে হচ্ছিলো,দমটা মনে হয় এখনি বন্ধ হয়ে যাবে। কারন রিকশায় বসে থাকা তার অক্সিজেনটা এখন তাকে রেখেই চলে যাবে। "রিকশাটা চলা শুরু করলো মৌ রিকশাটার দিকে এখনো তাকিয়ে আছে " ওইদিক দিয়ে ফায়সালের ও খুব শূন্য শূন্য লাগতেছিলো। ফায়সাল বাসার সামনে যেতেনা যেতেই মৌ এর ফোন ফায়সাল মুচকি একটা হাসি দিয়ে ফোনটা রিসিভ করেই বলতে লাগলো, ফায়সাল: কিরে ফোন দিলি কেন? ( নীজ ইচ্ছায় তুই করে বল্লো) মৌ ফায়সালের মুখে তুই ডাকটা শুনে বল্লো, এখনো কিন্তু আজকের দিনটা শেষ হয় নাই। (অভিমানের শুরে) ফায়সাল কিছুটা সংকোচিত হয়ে বল্লো,হুম। মৌ: আমি আমার বাড়ির সামনে দাড়িয়ে আছি,তোমার কোট টা নিয়ে যাও। ফায়সাল: কাল নিয়ে যাবো নে। মৌ: এখন বলছি এখন আসবা। (রাগ নিয়ে বল্লো) ফায়সাল: ওকে আসতেছি। ফায়সাল আবার একটা মুচকি হাসি দিয়ে ওদের বাড়ির উদ্দেশ্যে যাওয়ার জন্য রওনা দিলো। কিছু একটা হতে চলছে ফায়সাল এইটা বুঝতে পারলো। . কিছুখন পর ওদের বাড়ির সামনে যেয়ে ছেলেটা দেখলো মৌ এখনো সেই জায়গায় দাড়িয়ে আছে যেই জায়গায় ও রিকশা থেকে নেমেছিলো। ফায়সাল মৌ এর কাছে যেয়ে দাড়ালো চাদের আলোতে বুজায় যাচ্ছিলো মৌ এর চোখে পানি! ছলছল করতেছে।। দুইজন দুইজনের দিকে তাকিয়ে রইলো। ফায়সাল মৌ এর কাছ থেকে কোট টা নিয়ে বল্লো,আমি আসি। এই বলেই হাটা শুরু করলো.... কিছু দূরে যেতেই বুঝতে পারলো কে যেনো পিছন থেকে কোট টা টান দিয়ে ধরেছে। পিছনেই ঘুরতে না ঘুরতেই মেয়েটা ফায়সালকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে বলতে লাগলো,ওই শয়তান,ফাজিল,কুত্তা আমাকে রাইখা কৈ যাস। (কান্না জড়িত কন্ঠে) ফায়সাল কিছুই বলতেছেনা শুধু মেয়েটার না বলা কথাটা শুনার জন্য অপেক্ষা করতে লাগলো। মৌ আবার বলতে লাগলো, ভালইতো সারা দিন আমার ইমোশনাল নিয়ে খেলে খুব মজা পাইছো তাই না। আমি আর তোমাকে ছাড়তেছি না। আর কোথাও তোমাকে যাইতে দিতেছিনা i love u, love u so much. ফায়সাল একটা মুচকি হাসি দিয়ে বল্লো,হুম মৌ: ফায়সালের দিকে তাকিয়ে একটু রাগ নিয়ে বল্লো হুম মানে কি? ফায়সাল: i love u টা কি শুধু আজকের জন্য। মৌ ঠোট রাঙ্গানো একটু হাসি দিয়ে বল্লো জানিনা। এই বলেই কাছ থেকে দৌড় দিয়ে ওদের বাড়ির ভীতর চলে গেলো। আমিও মাথাটা চুলকাতে চুলকাতে বাড়ির দিকে রওনা দিলাম। কিছুখন পর মোবাইলটা টং করে উঠলো। তাকিয়ে দেখি মৌ এর মেসেজ লিখা ছিলো, i love u টা সারাজীবনের জন্যেই হবে তবে, বাশ ও কিন্তু সারাজীবন খেতে হবে। মেসেজটা পরে ফায়সালের মধ্যে যে ভালো লাগার অনুভূতি সৃষ্টি হলো,আজ না হয় কাল আপনাদেরও সেই অনুভূতিটা সৃষ্টি হবে। . ভাই-বোনেরা যদি ভালো লাগে তবে 1+ Star দিয়ো...&...কেমন লাগলো কমেন্ট কইরো... (আর.এম.রকি মাহমুদ)


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৩১ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now