বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

"মহুয়া"Part3

"গ্রাম্য লোককথা" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Reza Mahmud (০ পয়েন্ট)

X (পূর্ব কথা:অন্ধকার রাতে বেদের দল পালিয়ে যায় এবং নদ্যার চাদ বের হয় মহুয়ার সন্ধানে।) এদিকে পুত্রের অদর্শনে কাদতে কাদতে মা প্রায় অন্ধ হয়ে গেল। অগ্রহায়ণ মাসের অল্প শীতে কংসাই নদীর পাড়ে নদের চাঁদ মহুয়াকে পেল। আহার নিদ্রাহীন মহুয়া তখন পাগল প্রায়। সংসারে মন নেই,শরীরের দিকে তাকানো যায় না। সেই মহুয়া নদের চাঁদের আগমনে- আজি কেনে অকস্মাতে হইল এমন ধারা। ছয় মাইস্যা মরা যেন উঠ্যা হইল খারা।। দেল ভরিয়া কন্যা করিল রন্ধন। জাতি দিয়া নদীয়ার ঠাকুর করিল ভোন্ঞ্জন।। হুমরা বাইদ্যাও নতুন অতিথিকে তার দলে বরণ করে নিল-কিন্তু আসল উদ্দ্যেশ্য ভিন্ন। গভীর রাতে বিষমাখানো ছুরি মহুয়ার হাতে দিয়ে বলল- 'আমার মাথা খাওরে কন্যা আমার মাথা খাও দুষমনে মারিয়া ছুরি সাওরে ভাসাও। ' মহুয়ার সমস্ত পৃথিবী অন্ধকার হয়ে আসে। ঘুমন্ত প্রিয়তমের কাছে এসে সকল বৃত্তান্ত জানিয়ে নিজ বুকে ছুরি বসাতে চায়। এমন সময় ওঠে নদের চাঁদ। সকল ঘটনা শুনে বলে- তোমার লাগিয়া কন্যা ফিরি দেশ বিদেশে। তোমারে ছারিয়া কন্যা আর না যাইবাম দেশে।। কী কইবাম বাপ মায়ে কেমনে যাইবাম ঘরে। জাতি নাশ করলাম কন্যা তোমারে পাইবার তরে।। তোমায় যদি না পাই কন্যা আর না যাইবাম বাড়ি। এই হাতে মারলো কন্যা আমার গলায় ছুরি।। পইড়া থাকুক বাপ মাও পইড়া থাকুক ঘর। তোমারে লইয়া বন্ধু যাইবাম দেশান্তর।। দুই আখি যে দিগে যায় যাইবাম সেইখানে। আমার সঙ্গে চল বন্ধু যাইবাম গহিন বনে।। চন্দ্র সূর্য সাক্ষী রেখে,বাপের বাড়ির তাজি ঘোড়ায় চড়ে অজানার উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পরে দুজন। পথে পার্বত্য খরস্রোতা নদী। তাজি ঘোড়া বিদায় দিয়ে দুজন তখন পারাপারের চিন্তায় অস্থির। এমন সময় ভিনদেশি এক সাধুর নৌকা পেয়ে তারা তাতে উঠে পড়ে। মহুয়ার রূপ-যৌবনে মুগ্ধ সাধু কৌশলে নদের চাঁদকে 'উজান পাকে' ফেলে দেয়। মহুয়াকে পাওয়ার ইচ্ছায় তাকে সে রানি করে রাখার প্রতিশ্রুতি দেয়। নানা প্রতিশ্রুতির পর- এতেক শুনিয়া মহুয়া কী কাম করিল। সাধুর লাগিয়া কন্যা পান বানাইলো।। পাহাড়িয়া তক্ষকের বিষ শিরে বান্ধা ছিল। চুন-খয়েরে কন্যা বিষ মিশাইল।। হাসিয়া খেলিয়া কন্যা সাধুরে পান দিল মুখে। রসের নাগইরা পান খায় সুখে।। 'কি পান দিছলো কন্যা গুনের অন্ত নাই। বাহুতে শুইয়া তোমার আমি সুখের নিদ্রা যাই।।' 'পান খাইয়া মাঝিমাল্লা বিষে পরে ঢলি। নৌকার উপরে কন্যা হাসে খলখলি।।' (শেষ Part :Coming Soon)


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯৮ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now