বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
সকল বেলা ছোট খালা ফোন দিয়ে বলেন
- মিশুক তুই কোথায়?
- জি খালা বাসায় আছি।
- তারাতারি আমার বাসায় আয়, একটা খুশির খবর আছে।
খুশির খবর! কথাটা শুনে ভাবতে লাগলাম কি হতে পারে। খালাতো বোনের বিয়ে ঠিক হয়েছে? তা যদি হয় তাহলে তো আমার জন্য বড়ই দুঃসংবাদ। বুকের ভিতরে মোচড় দিয়ে উঠলো।
ভাবতে লাগলাম আর কি হতে পারে। এই বয়সে খালার নতুন করে মা হবার সম্ভাবনাও নেই।
তাহলে খুশির খবরটা কি? এরকম সাত-পাঁচ ভাবতে ভাবতে খালার বাসার দিকে রওনা দিলাম। যেতে যেতে মাথার মধ্য অনেক রকম ভাবনা এসে ভিড় করলো। সাত-পাঁচ ভাবনা বাড়তে বাড়তে দশ-বারো ভাবনায় পরিনত হলো।
খালার বাসায় ঢুকতেই খালা খুশিতে আমাকে জড়িয়ে ধরলেন। তাপর এক থালা মিষ্টি এনে আমাকে বলল নে মিষ্টি মুখ কর।
মিষ্টি দেখে তো আমার করুন অবস্থা, তাহলেকি সত্যি সত্যি খালাতো বোনের বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে।
মিষ্টি খাচ্ছি, কিন্তু গলা দিয়ে নামছে না। এই মিষ্টি আমার কাছে নিমপাতার মতো তেতো লাগছে।
খালা বললেন
- খুশির খবরটা কি জিজ্ঞেস করলি নতো!
আমি মনে মনে বললাম " কি আর জিজ্ঞেস করবো, ইচ্ছে করছে কানে তালা লাগিয়ে রাখি। "
আর সৌজন্যসূচক মুখে বললাম
- কি খবর খালা?
খালা খুশিতে চিৎকার করে বললেন
- রাক্ষস রানী কটকটি মরেগেছেরে। মিশুক আমি আজ খুব খুশি।
এতোক্ষনে আমি স্বস্তি পেলাম, বুকের ভিতরে ঝড় থেমে গেলো
নিমপাতার মতো তেতো মিষ্টি গুলো হঠাৎ করে সুস্বাদু হয়ে গেলো, পাঁচ মিনিটেই সব মিষ্টি শেষ করলাম।
যাক আমি যা আসংঙ্কা করেছিলাম তা নয়!
মন চাইলো রাক্ষস রানী কটকটিকে একটা ধন্যবাদ দেই।
....
....
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now