বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
________ লজ্জাশীলতা !_________
একদিন এক সেমিনারে স্থানীয় কয়েকজন ইসলামপ্রিয় নারী দ্বীনি আলোচনা শোনার জন্য (শরয়ী পর্দা বজায় রেখে) জমায়েত হয়েছিলেন।
সেখানে আলোচনার এক পর্যায়ে একজন নারী আলোচক বলেছিলেন-
“আজকাল মহিলাদের চেয়ে পুরুষের লজ্জা বেশী।”
কথাটা শেষ না করতেই একজন ভদ্রমহিলা উঠে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদের সুরে বললেন:-
"আমি আপনার এ বাক্যটা মানতে পারলাম না"
পুরুষ মানুষের আবার লজ্জা দেখলেন কোথায়?
ওরা তো বেশরম, বেলাজ ইত্যাদি ইত্যাদি……।
আলোচক মহিলা তখন আলোচনা বন্ধ করে বললেন,
আপা! আপনি কি করেন?
মহিলা তখন বললেন:-
একটি বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করি।
আলোচক মহিলা তখন জানতে চাইলেন,
‘আপনার প্রতিষ্ঠানে কয়জন পুরুষ ও কয়জন
মহিলা টিচার আছেন?
মহিলা বলল,আমরা সমান সমান।
তখন তিনি বললেন,আপনি কি কোন দিন আপনার পুরুষ কর্মীদের পেট-পিঠ দেখেছেন?
প্রতিবাদকারী নিশ্চুপ।
আলোচক মহিলা বললেন, দেহ প্রদর্শন করা নির্লজ্জতা এটা সবাই মানি। কিন্তু এ কাজটা সাধারণত পুরুষরা করে না।
আপনার যদি কখনো ইচ্ছে হয়, আপনার কোন পুরুষ সহকর্মীর পেট-পিঠ দেখবেন, তাহলে তাকে আহ্বান করে বলতে হবে,ভাই আপনার শার্ট বা
পাঞ্জাবীটা একটু উপরে উঠান, আমি আপনার পিঠ-পেট একটু দেখব।
সে ভাই তখন আপনাকে পাগল মনে করবে, যদি স্বাভাবিক মস্তিষ্কেরর মানুষ হয়ে থাকে।
আর আমাদের নারীদের পেট-পিঠ কতোভাবে কতো এ্যাংগেলে কত শত নারী-পুরুষ দেখছে, তার কি কোন হিসাব আছে?
পুরুষেরা পেট-পিঠ বের করে বাইরে অফিস-আদালতে যাবে না, এটা তাদের স্বাভাবিক লজ্জা। যা থাকা উচিত ছিল আমাদের মেয়েদের। অথচ মেয়েরা
কিভাবে জামা বা ব্লাউজের গলাটা আরেকটু বড় করে কাঁধ ও বুকের উপরি অংশে বের করা যাবে-সে চেষ্টাই করে।
এ পর্যায়ে বেচারী ভদ্রমহিলা একেবারে চুপ হয়ে গেলেন।
আসলে তিনি কখনো এভাবে ভাবেননি।
তাই আমাদের মুসলিম নারীদের এভাবেই শালীনতার পক্ষে ভুমিকা রাখা উচিৎ
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now