বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

পুরুষদের জন্য

"শিক্ষণীয় গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান muntasir al mehedi (০ পয়েন্ট)

X গ্রামের এক যুবতী রমনী একটু দূরের এক কূয়া থেকে পানি তুলছিল । পাশ দিয়ে এক দরবেশ হেঁটে যাচ্ছিল। যুবতীকে দেখে তার মনে হলো, এই নারী জাতির মাঝে এমন কি শক্তি, কৌশল ও ছলনা রয়েছে যা দ্বারা তারা-»✔ বাদশাহকে -» ফকির বীরকে -» ভীরু আলেমকে -» জাহেল পাথরকে -» মোম বৃদ্ধকে -» যুবক বানিয়ে ইচ্ছে মত খেলাতে পারে। তখন দরবেশ এসে তার মনের কথা গুলো ঐ যুবতীকে বললো, দরবেশের কথা শুনে যুবতী তার শাড়ীর অর্ধেক খুলে ফেললো। চুল গুলো এলোমেলো করে আমাকে বাঁচাও বাঁচাও বলে চিৎকার জুড়ে দিল। দরবেশ তখন মেয়েটিকে বললো মা, আমি তোমার কাছে একটা জিনিস জানতে চাইলাম, আর তুমি কিনা আমার সাথে ছলনা করে, আমাকে এখন মানুষের হাতে মার খাওয়াবে ৷৷ দরবেশ আসন্ন লজ্জার ভয়ে কেঁদে ফেললেন, এবং বললেন নারী এটাই কি তোমার আসল রূপ ? ঐ দিকে গ্রামের লোকেরা লাঠি নিয়ে ছুটে আসছে। যখন মেয়েটি লোকদের ছুটে আসতে দেখলো তখন সে কূয়া থেকে এক বালতি পানি তুলে সাথে সাথে নিজের শরীরটাকে ভিজিয়ে নিলো এবং দরবেশের উপর পানি ফেলে কাপরটা ভিজিয়ে দিল এবং জোরে জোরে হাপাতে লাগলো। লোকেরা এসে জিজ্ঞাসা করলো মা তোমার কি হয়েছে ? মেয়েটি বললো আমি কূয়াতে পরে গিয়ে চিৎকার করছিলাম তখন এই দরবেশ হুজুর আমাকে কষ্ট করে কূয়া থেকে উঠিয়েছেন । তা না হলে আমি তো আজ মারাই যেতাম। তখন মেয়েটির বাড়ীর লোকেরা দরবেশকে বাড়ি নিয়ে গিয়ে অনেক আদর, আপ্যায়ন ও সম্মান করলো। @#যখন তিনি চলে আসবেন তখন মেয়েটি এসে বললো হুজুর আপনার প্রশ্নের উত্তর কী পেয়েছেন ?


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮০ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now