বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

শামসুদ্দীন তাব্রীজী নামের এক লোক ছিলেন।

"শিক্ষণীয় গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Md Raz Khan (০ পয়েন্ট)

X শামসুদ্দীন তাব্রীজী নামের এক লোক ছিলেন। লোকেরাতাকে পীর সাহেব কেবলা বলত।একদা হযরত পীর সাহেব কিবলা রোম শহরের দিকেরওয়ানা হইলেন। পথিমধ্যে ঝুপড়ির ভে...তর এক অন্ধবৃদ্ধকে লাশ সামনে নিয়া কাদঁতে দেখিলেন। হুজুর বৃদ্ধকেপ্রশ্ন করিলে বৃদ্ধ উত্তর করিলেন, “হুজুর এই পৃথিবীতেআমার খোঁজ খবর করিবার আর কেউ নাই, একটি পুত্র ছিলসে আমার যথেষ্ট খেদমত করিত, তাহার ইন্তেকালের পরসে একটি নাতি রাখিয়া যায়। সেই ১২ বছরের নাতিএকটা গাভী পালিয়া আমাকে দুগ্ধ খাওয়াইত এবং আমারখেদমত করিত, তার লাশ আমার সম্মুখে দেখিতেছেন। এখনউপায় না দেখিয়া কাঁদিতেছি” । হুজুর বলিলেন এ ঘটনাকি সত্য? বৃদ্ধ উত্তর করিলেন এতে কোন সন্দেহ নেই। তখনহুজুর বলিলেন"হে ছেলে আমার হুকুমে দাঁড়াও"। তো ছেলেউঠে দাঁড়াল এবং দাদুকে জড়াইয়া ধরিল, বৃদ্ধ তাকেজিজ্ঞেস করিল “তুমি কিরূপে জিন্দা হইলে”। ছেলেজবাব দিল, “আল্লাহর অলি আমাকে জিন্দা করেছেন”।(নাউজুবিল্ লাহ) তারপর ঐ অঞ্চলের বাদশাহ হুজুরের এইখবর পেয়ে উনাকে তলব করিলেন। উনাকে পরে জিজ্ঞেসকরিলেন"আপনি কি বলিয়া ছেলেটিকে জিন্দাকরিয়াছেন"। হুজুর বলিলেন আমি বলেছি “হে ছেলেআমার আদেশে জিন্দা হইয়া যাও”। অতঃপর বাদশাহবলিলেন, “যদি আপনি বলিতেন আল্লাহর আদেশে”। হুজুরবলিলেন"মাবুদ! মাবুদের কাছে আবার কি জিজ্ঞেসকরিব। তাহার আন্দাজ নাই (নাউজুবিল্ লাহ)। এই বৃদ্ধেরএকটি মাত্র পুত্র ছিল তাহাও নিয়াছে, বাকী ছিল এইনাতিটি যে গাভী পালন করিয়া কোনরুপ জিন্দেগীগোজরান করিত, তাহাকেও নিয়া গেল। তাই আমিআল্লাহ পাকের দরবার থেকে জোরপূর্বক রুহ নিয়েআসিয়াছি”। (নাউজুবিল্ লাহ)।এরপর বাদশাহ বলিলেন আপনি শরীয়াত মানেন কিনা?হুজুর বলিলেন “নিশ্চয়ই! শরীয়াত না মানিলে রাসূল (সাঃ)এর শাফায়াত পাইব না”। বাদশাহ বলিলেন, “আপনি শির্ককরিয়াছেন, সেই অপরাধে আপনার শরীরের সমস্ত চামড়াতুলে নেয়া হবে”। এই কথা শুনিয়া আল্লাহর কুতুব নিজেরহাতের অঙ্গুলি দ্বারা নিজের পায়ের তলা থেকে আরম্ভকরে পুরো শরীরের চামড়া ছাড়িয়ে নিলেন, তা বাদশাহরকাছে ফেলিয়া জঙ্গলে চলিয়া গেলেন। পরদিনভোরবেলা যখন সূর্য উঠিল তার চর্মহীন গায়ে তাপলাগিল তাই তিনি সূর্যকে লক্ষ করিয়া বলিলেন “হে সূর্য,আমি শরীয়াত মানিয়াছি, আমাকে কষ্ট দিওনা”। তখন ওইদেশের জন্য সূর্য অন্ধকার হইয়া গেল। দেশের মধ্যেশোরগোল পড়িয়া গেল। এই অবস্থা দেখিয়া বাদশাহহুজুরকে খুঁজিতে লাগিলেন। জঙ্গলে গিয়া হুজুরের কাছেবলিলেনঃ শরীয়াত জারি করিতে গিয়া আমরা কিঅন্যায় করিলাম, যাহার জন্য আমাদের উপর এমন মুসিবতআনিয়া দিলেন। তখন হুজুর সূর্য কে লক্ষ করিয়াবলিলেনঃ আমি তোমাকে বলিয়াছি আমাকে কষ্টদিওনা, কিন্তু দেশবাসীকে কষ্ট দাও কেন? সূর্যকে বশকরা কি কোন মানুষের পক্ষে সম্ভব? ইহা বলা মাত্র সূর্য্যআলোকিত হইয়া গেল। আল্লাহ্ পাক তাহার ওলীর শরীরভাল করিয়া দিলেন।আল্লাহ্ আমাদের এই সকল ভণ্ড পীরদের থেকে হেফাজতকরুন। আমীন।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮৪ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now