বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
এক সিএনজি চালকের বড় ছেলে "শরীয়তপুর সরকারি" কলেজে পড়ত। তাকে ঘিরেই ওই নিম্ন আয়ের পরিবারটির যত স্বপ্ন।
ওরা আমার প্রতিবেশী। ওর বাবাকে দাদু বলে ডাকতাম। কিন্তু কলেজে ভর্তি হবার পর থেকেই সে মাদক নিতে শুরু করে। তার বাবা- মা সে খবর রাখতেন না।
এক সময় ছেলেটির বাড়ির জিনিসপত্র হারাতে শুরু করে। তবুও ওর বাবা মা ছেলেকে সন্দেহ করেননি। কিন্তু টাকা চুরি করতে গিয়ে বাবা-মার হাতে ধরা পড়ে। এরপরই উনারা বুঝতে পারে তাদের ছেলে মাদকাসক্ত। ছেলেকে মাদক থেকে ফিরিয়ে আনার কোন ব্যবস্থা নেননি তারা। প্রথম প্রথম তারা ভাবেন ছেলে নিশ্চয় ভুল বুঝতে পারবে। ধীরে ধীরে তার লেখাপড়া গোল্লায় গেল। লেখাপড়া একরকম ছেড়েই দিল। পাড়ার খারাপ ছেলেদের সাথে তার যত আড্ডা। মাদক সেবন দিন দিন বাড়তেই থাকে তার। পরিস্থিতি এমন দাঁড়ালো যে প্রতিবেশীদের জিনিসপত্রও চুরি করতে লাগল।
তার বিরুদ্ধে প্রায়ই নালিশ করত আশপাশেরলোকজন। নালিশে নালিশে অতিষ্ঠহয়ে তাকে মামার সাথে গার্মেন্টসকর্মী হিসেবে ঢাকায় পাঠিয়ে দেন দাদু। তার আশা ছেলে কাজে ঢুকলে ভালো হয়ে যাবে।কিন্তু ঢাকাতে এসে কাজ ছেড়ে পালিয়ে যান তিনি। মাদকসেবী বন্ধু জুটতে সময় লাগেনি।
একদিন রাজশাহীর বাড়িতে খবর আসে ছেলেটি আত্মহত্যা করেছে। খোঁজ নিলে বেরিয়ে আসে আসল কাহিনি। নেশার কারণে অনেকের কাছ থেকে টাকা ধার করে শোধ দিতে পারছিলেন না। ধার শোধ না করায় কয়েক দফা মারও খান তিনি। নানান হুমকির মুখে উপায় না পেয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নেন তিনি।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now