বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

নাইট অভ দ্য ভ্যাম্পায়ার পর্ব--১৪

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X নাইট অভ দ্য ভ্যাম্পায়ার অনুবাদ:অনীশ দাস অপু পর্ব--১৪ 'হ্যাঁ,' নিরাদক্ত গলায় জবাব দিল শাটোর। 'তোমাদেরও একই দশা হবে।' 'আমাদের ধ্বংস করাও সহজ না,' দৃঢ় গলায় বলল অ্যাডাম। শাটোর ফিরল তার দিকে। 'ওকে তোমার ধরে না রাখলেও চলবে,অ্যাডাম।ও প্রতি সেকেন্ডে শক্তি সঞ্চয় করে চলেছে।' অ্যাডাম ছেড়ে দিল সিন্ডিকে, পিছিয়ে এল কদম।মনে হচ্ছে শাটোর সম্মোহিত করে রেখেছে সিন্ডিকে। দুশ্চিন্তা হচ্ছে অ্যাডামের, তবে এ মূহুর্তে বান্ধবীর জন্য কিছু করতে পারবে না ও।সে মনোযোগ ফেরাল শাটোরের প্রতি। ' তোমরা আমাদের শহরে এসেছো কেন?' জিজ্ঞেস করল অ্যাডাম। কাঁধ ঝাঁকাল শাটোর। ' আমার উদ্দেশ্য এতক্ষনে নিশ্চয় পরিস্কার হয়ে গেছে।' 'তো এতদিন পরে সবাইকে ভ্যাম্পায়ার বানানোর শখ হলো কেন?' ওয়াচের প্রশ্ন। একটু ভেবে জবাব দিল ভ্যাম্পায়ার রানী। 'আমি এ সময় এসেছি কারন মানবতা অসুস্থ হয়ে পড়েছে।বিরাট অসুখের মত।তারা এলিমেন্টের ম্যাজিক এবং প্রকৃতির গোপন ক্ষমতা ভুলে গেছে।এদেরকে এই রোগ থেকে মুক্তি দেয়ার জন্যই আমি এসেছি।' 'এবং সেটা করতে চাইছো সবাইকে ভ্যাম্পায়ারে পরিণত করে?' বলল অ্যাডাম। 'খুবই হাস্যকর ব্যাপার।' হেসে উঠল শাটোর। 'আমার পরিকল্পনা বুঝতে হলে তোমাদেরকে কমপক্ষে দশ বছর বেঁচে থাকতে হবে।' বলে মৃদু মাথা দোলাল সে। হঠাৎ অন্ধকার হয়ে গেল ঘর। সিন্ডি বন্ধ করে দিয়েছে দরজা। ওয়াচের ফ্লাশলাইটের আলোয় শুধু ঘর সামান্য আলোকিত।স্যালি দ্রুত জ্বেলে দিল ফ্লেয়ার। অ্যাডাম পাঁই করে ঘুরল সিন্ডির দিকে। 'সিন্ডি ওর কথা শুনো না।' ' কিন্তু ওকে আমার কথা শুনতেই হবে,' বলল শাটোর। 'ও এখন আমার।শীঘ্রি তোমরাও আমার অনুগত হয়ে যাবে।তোমাদেরকে লেলিয়ে দেবো মানব জাতিকে নিশ্চিহ্ন করে দেয়ার জন্য।' হাতে ফ্লেয়ার নিয়ে এক কদম বাড়াল স্যালি। 'কিন্তু তা কখনই ঘটবে না রক্তচোষা রানী,' হুমকি দিল সে। হাসল শাটোর। ' আমার বাচ্চারা শুধু আগুনে ভয় পায়।ওই অস্ত্র দিয়ে আমাকে ধ্বংস করতে পারবে না।' 'কিন্তু এটা দিয়ে করা যাবে,' হাতের গোঁজ দেখিয়ে ভীতিকর গলায় বলল ব্রাইস। শাটোর তাকাল ওর দিকে।তারপর বাড়িয়ে দিল দু'বাহু। 'এসো খোকা।পারলে ধ্বংস করো শয়তান দানবকে।' ব্রাইসের শরীরে বিদ্যুৎ খেলে গেল।সে গোঁজ নিয়ে লাফ দিল শাটোরকে লক্ষ্য করে। শাটোর চট করে ধরে ফেলল ওর হাত,কেড়ে নিল গোঁজ।পরমুহূর্তে ভেঙ্গে দু'টুকরো হয়ে গেল ওটা।ভাঙ্গা টুকরো দু'টো ফিরিয়ে দিল ব্রাইসকে। 'আরো শক্তিশালী কিছু নেই তোমাদের কাছে,' জিজ্ঞেস করল শাটোর। রাগের চোটে ভ্যাম্পায়ার রানীর গায়ে ফ্লেয়ার ছুঁড়ে মারল স্যালি। শাটোর শূন্যেই ধরে ফেলল ফ্লেয়ার।তারপর হাতের তালু দিয়ে থাবড়া মেরে নিভিয়ে দিল আগুন।আগুনের স্পর্শে তার কোনো প্রতিক্রিয়াই হলো না।শাটোর ধীরে ধীরে ফিরল ওয়াচের দিকে। 'তোমার জন্য আমি অপেক্ষা করছিলাম,ওয়াচ।তুমি আমাকে ধ্বংস করার জন্য কিছু নিয়ে আসনি?' দীর্ঘশ্বাস ফেলে শাটোরের দিকে কটমট করে তাকাল ওয়াচ। 'কোনো অস্ত্র আনিনি কারন অ্যান টেম্পলটন যখন তোমার কথা বলছিল তখনই বুঝতে পেরেছি শক্তি দিয়ে তোমাকে হারানো সম্ভব নয়,' বলল ও। ওয়াচের কথা শুনে খুশি হলো শাটোর। 'তাহলে তোমরা সারেন্ডার করছো?' ধীরে মাথা দোলাল ওয়াচ।'তুমি যদি আমাকে অমর করে দিতে পারো।' 'ওয়াচ,' রেগে গেল স্যালি।'তুমি নিশ্চয় আগামী দশ হাজার বছরের জন্য রক্তচোষা হয়ে বেঁচে থাকতে চাও না।কিছু একটা করো।আমরা এভাবে হাল ছেড়ে দিতে পারি না।' 'ওর সঙ্গে মারামারি করেও লাভ হবে না,' বলল ওয়াচ,তাকিয়ে আছে শাটোরের শক্তিশালী চোখের দিকে।যেন জাদু করা হয়েছে ওকে।ভ্যাম্পায়ার রানী হাত বাড়িয়ে দিল ওর দিকে। 'এসো আমার সঙ্গে,' বলল সে।'তুমিই হবে প্রথম।' ওয়াচ কদম বাড়াল।যেন ওকে সম্মোহিত করা হয়েছে সেভাবে হাঁটছে।পা টেনে টেনে।সবাই বুঝে ফেলল। ওয়াচকে সম্মোহিত করে ফেলেছে শাটোর। 'ওয়াচ,' চেঁচিয়ে উঠল অ্যাডাম। কিন্তু দেরি হয়ে গেছে।ওয়াচ শয়তান রানীর পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। 'চিবুক তোলো,' আদেশ করল শাটোর। মুখ হাঁ হয়ে গেছে তার,বেড়িয়ে পরেছে ঝকঝকে সাদা শ্বদন্ত। 'মাথা কাত করো।একটু ব্যথা পাবে।তারপর মিষ্টি মধুর একটা জগতে প্রবেশ ঘটবে তোমার।' মাথা কাত করল ওয়াচ। কাছিয়ে এল রানী শাটোর। ওয়াচের গলা থেকে শাটোরের ধারাল দাঁত কয়েক সেন্টিমিটার দূরে। 'ওয়াচ,' আর্তনাদ করল স্যালি। আর তখন আঘাত করল ওয়াচ। পকেট থেকে ওষুধ বোঝাই ইনজেকশনের সিরিঞ্জ বের করল সে।কিন্তু শাটোরের গায়ে সুই ফুটিয়ে দেয়ার আগেই সে খপ করে ধরে ফেলল ওয়াচের হাত।ভেঙে ফেলল সিরিঞ্জ।তরল ওষুধ গড়িয়ে পড়ল মেঝেতে। 'তুমি এরকম কিছু একটা করতে পারো আগেই অনুমান করেছিলাম আমি,' হিসিয়ে উঠল শাটোর। সে শক্ত মুঠিতে ওয়াচের হাত চেপে ধরে আছে।'তুমি ঠিকই বলেছিলে,ওয়াচ,আমাকে শক্তি দিয়ে হারানো তোমাদের কম্ম নয়।আমি অনেক জ্ঞানী, অনেক শক্তিশালী। এবং এ মূহুর্তে আমি প্রচন্ড তৃষ্ণার্ত।' শাটোর শূন্যে তুলে ফেলল ওয়াচকে,কামড় বসাল ঘাড়ে। ওরা দেখতে পেল ওয়াচের রক্তে মাখামাখি হয়ে গেছে ভ্যাম্পায়ার রানীর ঠোঁট। ওরা নড়াচড়া করতে পারছে না। ওদের সবাইকে সম্মোহন করে ফেলেছে শাটোর। ওরা বিস্ফোরিত চোখে শুধু দেখল চোঁ চোঁ করে ওয়াচের ঘাড়ের রক্ত চুষে চলেছে দানবী। 'ওয়াচ,' কেঁদে ফেলল স্যালি। সব শেষ। ওরা জানে সব শেষ। এমন সময় ভারী অদ্ভুত একটা ঘটনা ঘটল। । ১৫। শাটোর ছেড়ে দিল ওয়াচকে,পিছিয়ে এল টলতে টলতে। ভ্যাম্পায়ার রানীর গভীর কালো চোখে এক মূহুর্তের জন্য জ্বলে উঠল লাল আলো,পরক্ষনে নিভে গেল। ওয়াচও টলতে টলতে পিছিয়ে গেল। যেন দাঁড়িয়ে থাকতে দু'জনেরই কষ্ট হচ্ছে। 'তুমি আমার কী করেছো?' ওয়াচের দিকে তাকিয়ে চিৎকার দিল শাটোর। তার ঠোঁট দিয়ে রক্ত ঝরছে। তাকে হঠাৎ খুব দুর্বল লাগছে,যেন শরীর থেকে নিঃশেষিত হয়ে গেছে সকল শক্তি।ওয়াচের প্রায় জ্ঞান হারানোর দশা,তবু আবছা হাসি ফোটাল সে মুখে। 'আমি এখানে আসার আগে শরীরে ঘুমের ওষুধ পুষ করেছি,' বলল ওয়াচ।'এখন আমরা দু'জনেই ঘুমিয়ে পড়ব।' স্লো মোশনের গতিতে বন্ধুদের দিকে ফিরল ওয়াচ। 'হাতে সময় একদম নেই,' ফিসফিস করল ও। তারপর জ্ঞান হারিয়ে ফেলল ওয়াচ। শাটোরও শুয়ে পড়েছে মেঝেতে। তার চোখ খোলা।ভীতিকর লাগছে দেখতে। 'আমাকে এখন মারো,' দুর্বল গলায় ভেংচালো সে।'তোমরাও মরবে।' ভ্যাম্পায়ার রানীর কথা বিশ্বাস করল ওরা। ওয়াচ এবং সিন্ডিকে নিয়ে ফ্রিজার থেকে ছুটে বেরিয়ে এল ওরা। হাসপাতালের বাইরে আসার পরে দৌঁড় থামল। ওয়াচ ঘুমিয়ে পড়েছে।নাক ডাকছে।তার ঘাড় বেয়ে রক্ত পড়ছে।তবে ক্ষত তেমন মারাত্মক নয়।ওয়াচও ভ্যাম্পায়ার হয়ে যায় কি না ভেবে শংকিত ওরা।ওয়াচকে ফুটপাতে শুইয়ে দিল অ্যাডামরা।তারপর প্ল্যান করতে বসল কী করা যায়। 'আমাদের পালিয়ে আসা উচিৎ হয়নি,' নিজেকেই যেন ভর্ৎসনা করল স্যালি।'শাটোর এখন ঘুমাচ্ছে।দুর্বল। ওকে আমাদের মেরে রেখে আসা উচিৎ ছিল।' 'কী করা উচিত ছিল সে প্রসঙ্গ থাক,' বলল অ্যাডাম, 'এখন কী করা যায় সেটা বলো।' ব্রাইস সিন্ডির দিকে ইঙ্গিত করল।সিন্ডি একটা ল্যাম্পপোস্ট এ হেলান দিয়ে আছে।দূরাগত দৃষ্টি। ওকে ভীষন অসহায় দেখাচ্ছে।যেন প্রতি মিনিটে ওর শক্তি ফুরিয়ে আসছে। 'সিন্ডির কবল থেকে মুক্তি পেতে হবে আমাদের,' বলল ব্রাইস। 'ওর মাধ্যমে শাটোর জেনে যাবে আমরা কোথায় আছি।' 'ঠিক বলেছো,' সায় দিল স্যালি। 'সিন্ডি থাকলে আমরা মন খুলে কথাও বলতে পারব না।' বিরতি দিল সে। 'তাছাড়া ও যে কোনো মূহুর্তে আমাদের ওপর হামলে পড়তে পারে।এবং হয়তো প্রথম ঝাপটা টা আসবে আমার ওপরেই। কারন তোমরা জানো সিন্ডির সঙ্গে কখনই সদ্ভাব ছিল না আমার।' মাথা নাড়াল অ্যাডাম।'আমরা ওকে এভাবে অন্ধকারে একা ফেলে রেখে যেতে পারি না।' ' ওর তো এখন অন্ধকারই প্রিয়,' মন্তব্য করল স্যালি। অ্যাডাম বলল, 'না।ওকে আমরা ফেলে রেখে কোথাও যাবো না।' 'কিন্তু ও তো ভ্যাম্পায়ার হয়ে গেছে,' বলল ব্রাইস, 'ওকে মানুষে রূপান্তর ঘটাবে কী করে?'। অ্যাডাম বলল,' বিষয়টি নিয়ে আমরা হাসপাতালেও একবার আলোচনা করেছি।ওর শরীরে মানুষের রক্ত ঢোকাব।' 'কিন্তু রক্ত পেতে হলে তো ওই হাসপাতালে আবার যেতে হবে,' বলল স্যালি। 'ঢুকতে হবে ম্যাডাম শাটোরের ফ্রিজারে।আমাদেরকে সে নিশ্চয় স্বেচ্ছায় রক্ত আনতে দেবে না।' 'রক্ত শুধু ওই হাসপাতালেই পাওয়া যায় এমন তো নয়,' বলল অ্যাডাম।পকেট থেকে সে কয়েকটি সিরিঞ্জ এবং প্লাস্টিকের টিউব বের করল। 'ওয়াচ মেডিসিন কেবিনেট ঘাঁটাঘাঁটি করার সময় আমি এগুলো লুকিয়ে এনেছি।' 'কিসের জন্য?' জিজ্ঞেস করল স্যালি। সিন্ডির দিকে তাকাল অ্যাডাম।'আমি ওকে আমার রক্ত দেবো।' 'অ্যাডাম,' বলল ব্রাইস, 'তুমি সিন্ডির জন্য কিছু করতে চাইছো ভালো কথা।কিন্তু ওকে রক্ত দিতে গেলে নিজেই দুর্বল হয়ে পড়বে।আর শাটোরকে পরাজিত করতে চাইলে আমাদের একটা শক্তিশালী দল দরকার।' 'আমি একটা কাজ করব,' বলল অ্যাডাম। 'টেডকে তো অনেক রক্ত দেয়া হয়েছে,' বলল স্যালি। 'কিন্তু তাতে কোনো কাজ হয়নি।ও ভ্যাম্পায়ারই রয়ে গেছে।' অ্যাডাম বলল,' সে যাই হোক।আমি সিন্ডিকে এভাবে ফেলে রেখে যেতে পারি না।তোমাদের ইচ্ছে হলে চলে যেতে পারো।আমি এখানেই থাকছি।' 'আমরা তোমাকে রেখে কোথাও যাচ্ছি না,' বলল স্যালি। 'কিন্তু ব্লাড ট্রান্সফিউশন করবে কোথায়? রাস্তার মাঝখানে দাঁড়িয়ে নিশ্চয় নয়।' 'ডাইনির প্রাসাদে যেতে পারি,' প্রস্তাব দিল ব্রাইস। 'না,' বলল অ্যাডাম। 'সে আগেই বলে দিয়েছে এর মধ্যে জড়াবে না।আমরা জেটির ধারে যাবো।' 'কেন?' জানতে চাইল স্যালি। ঘুমন্ত ওয়াচের দিকে এক ঝলক তাকাল অ্যাডাম। 'ওয়াচ বলেছিল ভ্যাম্পায়ারদের লবনে প্রচণ্ড অনাসক্তি।তাদের রক্তে লবন নেই বলেই তারা ভ্যাম্পায়ার হয়ে যায়।ভ্যাম্পায়াররা নিশ্চয় জেটির ধারেকাছেও আসবে না সাগরের লোনা পানির ভয়ে।' 'জেটিতে গেলে কিন্তু আর কোথাও পালাবার জায়গা থাকবে না,' সতর্ক করে দিল স্যালি। রাতের অন্ধকারে তাকাল অ্যাডাম।ভবনগুলোর চারপাশে কালো কালো কি সব ঘুরে বেড়াচ্ছে।গাছ বেয়ে হামাগুড়ি দিয়ে নামছে,শূন্যেও বাদুড়ের মত কয়েকটা প্রানী দেখতে পেল ও।দূর থেকে ভেসে এল জান্তব চিৎকার। 'একটু পরে আমাদের পালাবার সত্যি আর কোনো জায়গা থাকবে না,' বলল অ্যাডাম। সমুদ্র সৈকত জনশূন্য। ওয়াচ নাক ডেকে ঘুমাচ্ছেই।সিন্ডি টলতে টলতে হাঁটছে, তাকাচ্ছে চারপাশে। মাঝে মাঝেই জিভ দিয়ে ঠোঁট চাটছে।দৃশ্যটা শংকিত করে তুলছে ওদের। ওরা পৌঁছে গেল জেটির শেষ মাথায়।ওয়াচকে চিৎ করে শোয়াল জেটিতে।সিন্ডিকে হাঁটু মুড়ে বসিয়ে দিতে তেমন বেগ পেতে হলো না। (চলবে). @নেকরে মানব


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮৫ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now