বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

অতপঃর থাপ্পড় (পর্ব : ২)

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান আর.এম. রকি মাহমুদ (০ পয়েন্ট)

X তারপর.......... কাছে আসতেই ফারহান তাকে জিজ্ঞাসা করলো... ফারহান -হ্যালো এই যে বড় আপু শুনছেন? - জ্বী আমাকে বলছেন? - হ্যাঁ আপনাকে বলছি। - বলুন কি বলবেন - আপনি কি আমাকে চেনেন? - হ্যাঁ চিনি, - কি ভাবে? - আপনার মায়ের থেকে শুনে নিয়েন, - তাজ্জব ব্যাপার তো। মায়ের থেকে আপনার কথা শুনবো কেন? - এই ছেলে বেশি কথা বলো না রাস্তা ছাড়ো, আমার ক্লাসে সময় চলে যাচ্ছে। কথার উত্তর না দিয়েই চলে গেলো। আমি রুমে গিয়েই মাকে ফোন করলাম, - মা কেমন আছো? - ভালো আছি, তুই কেমন আছিস? - হ্যাঁ মা ভালো আছি, মা একটা কথা জিজ্ঞাস করি উত্তর দেবে? - হ্যাঁ বাবা বল কি বলবি? - অই মেয়েটা কে মা? - কোন মেয়ে বাবা? - অই যে চোখে চশমা পড়ে, - ও তুই সুমাইয়ার কথা বলছিস? - নাম তো জানি না মা, তবে কে সেই সুমাইয়া? আর আমার সাথে এমন করে কেন? - বাবা আর কয়েক মাস যেতে দে এমনি বুঝে যাবি, - আচ্ছা ঠিক আছে মা ভালো থেকো, এখন রাখি? - ঠিক আছে বাবা ভালো থাকিস, রাখ। মা কয়েক মাস পর কি বোঝাবে? মাথায় ঠুকলো না, এই ভাবে চললো কয়েকটা মাস, ফাইনাল পরিক্ষা শেষ। কিন্তু আমি যে মেয়েটার কাছে মিথ্যা বলছি, আমি বলছি যে আমি নতুন কিন্তু আমি তো নতুন না, আরে ধুর ব্যাপার না, তাকে তো চিনিই না। আমার রেজাল্ট ও দিয়েছে। এখন একটা জব হলেই হয়। হটাৎ করেই মায়ের কল। মা- ফারহান কেমন আছিস বাবা? ফারহান- হ্যাঁ মা ভালো আছি, তুমি কেমন আছো? - ভালো, তোকে একটু বাড়িতে আসতে হবে, আসতে পারবি? - হ্যাঁ মা আজই আসবো, - আচ্ছা বাবা তাহলে বাসায় এসে কথা বলব, রাখি বাবা, সাবধানে আসবি তারা হুরা করবি না, - ঠিক আছে মা, অতঃপর বাসায় পৌঁছে দেখি সেই মেয়ে। আমি পুরোই অবাক, কি বলব বুঝতে পারছি না, আমি মাথাটা নিচু করে রুমে গেলাম, মা আমার রুমেই ছিলো, ফারহান- বাহিরের অই মেয়েটাই তো আমার ভার্সিটি তে ছিলো, কিন্তু উনি আমাদের বাসায় কি করে এলো? মা- আর একটু সময় অপেক্ষা কর তাই বুঝবি( মৃদু হাসিতে) - মা তুমি হাসছো কেন? - তুই বুঝবি না যা ফ্রেস হয়ে আয়, - ঠিক আছে। ফ্রেস হয়ে রুমে এসে দেখি অনেক মেহমান। কথা বলার কোন সুযোগ নেই। অতঃপর তাকে (সেই মেয়েকে) আর আমাকে সামনে রেখে বিচার করা হলো, বিচারের রায় হলো বিয়ে। কিন্তু আমি সবাইকে সাহস করে বললাম আমার কিছু কথা আছে। সবাই বলল হ্যাঁ ফারহান বলো কি বলবে, ফারহান - না মানে বিশেষ কিছু না আমি একটু আলাদা কথা বলব তার সাথে(সুমাইয়ার সাথে) হ্যাঁ যাও কথা বলো, ফারহান- আমি আপনাকে বিয়ে করতে পারবো না, সুমাইয়া- আমিও আপনার মত ক্ষ্যত মার্কা ছেলের সাথে বিয়ে করতে পারছি না, - ওকে চলুন তাহলে সবাইকে বলে দেই( মৃদু হেসে) অতঃপর ঠাস করে একটা থাপ্পড় দিয়ে বলা শুরু করলো, ছোট বেলায় তো খুব বলতে আমি সুমাইয়াকে বিয়ে করব, সুমাইয়াকে বিয়ে করব, তাহলে এখন এমন করো কেন? আমি দেখতে খারাপ নাকি? ফারহান- আপনাকে বউ করতে পারছি না আপু, আমি একজন কে বউ করতে চাই, সুমাইয়া- সে কে? হু সে কে শুনি? (রেগে আগুন) - সে আমার সুমাইয়া কিন্তু বেচারা ফারহানের আরো একটা থাপ্পড় খেতে হলো। ফারহান- আবার থাপ্পড় দিলে কেন? সুমাইয়া- আগে বলোনি কেন? - আগে বললে কি হতো? - আরো কয়েকটা থাপ্পড় বেশি দিতে পারতাম, চলো সবাই অপেক্ষা করছে। - হুম চলো। . ভাই-বোনেরা যদি ভালো লাগে তবে 1+ Star দিয়ো...&...কেমন লাগলো কমেন্ট কইরো... (আর.এম.রকি মাহমুদ)


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১১০ জন


এ জাতীয় গল্প

→ অতপঃর থাপ্পড় (পর্ব ১)

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now