বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

বিদ্যানন্দ ফউন্ডেশন

"সত্য ঘটনা" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন অথবা এক টাকার মিলের নাম বোধহয় সবাই জানেন। আর সাথে যিনি এই কাজটা শুরু করেছেন তার নামটাও নিশ্চয়ই জানা আছে। ওনার নাম কিশোর কুমার দাশ। পেরুতে থাকেন, এক্সারটিকা ল্যাব’এর হেড অফ সেলস অপারেশন বলেই জানি। বিদ্যানন্দ বেশি পরিচিত এক টাকার মিল কার্যক্রমের জন্য কিন্তু আসলে আনফরচুনেট বাচ্চাদের এডুকেটেড করাটাও এর একটা মেজর ভিশন। জানেন নিশ্চয়ই কেন উনি এটা শুরু করেছিলেন। ছোটবেলায় উনি যখন মন্দিরে খাবার নেবার লম্বা লাইনে দাড়িয়ে থাকতেন তখনই ভেবেছিলেন যে বড় হলে অন্তত এই কাইন্ডনেসটা সামহাউ ফিরিয়ে দিতে হবে বাচ্চাদের। জ্বী, কোন স্পেসিফিক ধর্মের বাচ্চার কথা উনি ভাবেননি। সেই চিন্তা থেকেই এরাউন্ড ২০১৬ সালের মে মাসে প্রথম প্রফেশনালি শুরু করেন খাবার ডিস্ট্রিবিউট করা ঢাকা সহ আরও ৫ টা জেলায়। শুরুর ৬ মাসের ভিতরেই প্রায় ১২১,০০০ বাচ্চা এবং বুড়ো মানুষকে খাওয়ানো হয়েছে। খেয়াল করেছেন বোধহয় দেশের বাইরে থেকেও একজন মানুষ কিভাবে দেশের কথা ভেবেছে যেটা দেশপ্রেম গুলিয়ে ক্যাপসুল বানিয়ে খেয়ে ফেলা, প্রাডোতে চড়া অনেক টাল বা মাল নেতারাও করতে পারছেন না। ফিন্যান্সিয়াল কন্ট্রিবিউশন শুরুতে পুরোটা ওনার থাকলেও আস্তে আস্তে আরও অনেকে জয়েন করতে থাকেন। কেন এক টাকা দিতে হয় জানেন? যাতে একটা বাচ্চা বা কেউ এই ইম্প্রেসন না পায় যে তাকে করুনা করা হয়েছে। সে যেন ফিল করে যে সে এটা আর্ন করেছে। একজন আনফরচুনেট মানুষকে রেস্পেক্টেড ফিল করাবার কি অসম্ভব সুন্দর একটা চিন্তা। বিদ্যানন্দের স্কুল গুলোতেও একই অবস্থা। যতটুকু সুযোগ সুবিধা দেয়া সম্ভব সব দিয়েই বাচ্চাদের শিক্ষা দেয়া হয়। ওদের লাইব্রেরির দিকে তাকালেও দেখবেন কত রিচ অবস্থা। আর ভলান্টিয়ার। হাজার হাজার হিন্দু, মুসলিম এক লাইনে দাড়িয়ে দিন রাত খাটছেন কিছু পাবার আশা ছাড়াই। কাজটা করতে গিয়ে অনেকেই গালিগালাজ হতে শুরু করে মারধর ও খেয়েছেন। আমরা আর কিছু পারি আর না পারি। মারধর দিতে ওস্তাদ। আমার কথা বিশ্বাস করতে হবেনা। ওনাদের পেইজের পোস্টগুলো পড়লেই বুঝবেন কত বিচিত্র অব্সট্যাকল ওনারা ফেইস করেন। এবার আসেন কিছু দেশপ্রেমিক এবং ধার্মিক সেকশনে যেটা কিছু নিউজ পোর্টাল এবং বিজ্ঞ মানুষের একটা অবিজ্ঞ কম্বিনেসন। এদের কথা অবশ্য ইন্টারেস্টিং। যেমন, এই ফাউন্ডেশন হিন্দু অর্থায়নে চলে আর এদের মুল উদ্যোক্তা একজন হিন্দু। মুসলিম সংখ্যা গরিষ্ঠ দেশে একজন হিন্দু এটা কেন চালাচ্ছে? আসলে এক টাকায় এরা ইফতার দিয়ে ইন্ডিরেক্টলি ইহুদি পন্যের প্রচার এবং প্রসার চালায়। আর এরা লাইকখোর তাই ছবি তুলে ফেইসবুকে দেয়? এদের মুল উদ্যোক্তা তো দেশের বাইরে এসির বাতাস খায়। পুরাই ভণ্ড। এখানে দেশপ্রেম বলে কিছু নেই। যখন এই লেখা কিনবা রিপোর্ট দেখি তখন বলতে ইচ্ছা করে আপনারাও করেন না কেন এই ভণ্ডামি? কে নিষেধ করেছে? যারাই এই অসম্ভব ভালো কাজগুলো করছেন সো-অফের জন্য তাদের চেয়ে বড় হবার জন্য হলেও দেখি কত বড় বুকের পাটা আছে একটা বাচ্চাকে খাওয়া বা একটা বই ধরিয়ে দিন। আর একদিন দিয়ে যদি কেউ ভাবেন দায়িত্ব শেষ তাহলেও সেটা বিদ্যানন্দের সমান হোল না কারন এটা ওনারা একদিনের জন্য করছেন না। এটা ওনাদের প্রতিদিনের কাজ। আপনিও আপনার পাড়ায় একটা গ্রুপ খুলে এটা করুন। ওনার মতো নিজ হাতে রান্না করে খাওয়ান আর যদি সেটা করতে না পারেন তাহলে চুপ থাকুন দয়া করে। কিশোর’দার কাছে চিঠি লিখুন পা ধোওয়া পানি পাঠিয়ে দেবার জন্য। উনি আপনার মতো বিজ্ঞ এবং দয়াশীল না তবে হয়তো পাঠাবেন। সকাল বিকেল দু বেলা হিসেব করে খান। দেখবেন একদিন ওনাকে আপনিও ছাড়িয়ে যাবেন। ক্লোজআপ ওয়ান তখন আপনাকেই খুজবে এবং জাতি সেইদিনের অপেক্ষায় আছে। ছোট্ট একটা ঘটনা দিয়ে শেষ করি। রেল স্টেশনের এক বাচ্চাকে একবার একজন বললেন এই সস্তা খাবার না খেয়ে তাকে বিরিয়ানি দেয়া হবে যদি সে তার সাথে যায়। সে কি ইচ্ছুক কিনা? ১০ বছরের বাচ্চাটা এই রকম বলেছিল “এই বোনেরা আমাদের জন্য খাবার নিয়ে আসে তাই তাদেরকে আমরা ফিরিয়ে দিতে পারিনা এবং তুমি প্রতিদিন খাবার নিয়ে আমাদের জন্য আসবে না”। বাচ্চাটাও বোঝে শুধু কিছু দেশপ্রেমিক এবং ধার্মিক পাবলিক ছাড়া। একটা পাবলিকলি প্রচার বা ক্রেডিট না পাওয়া ছাড়া কাজ একদিন করা যেতে পারে, উত্তেজনায় দুদিন করা যেতে পারে কিন্তু প্রতিদিন করতে গাট্স থাকা লাগে। যেটা ওই রিপোর্ট এবং কমেন্ট করা অমানুষগুলোর কখনই ছিল না এবং হবেও না। বাসায় গিয়ে ইচ্ছামতো দেশপ্রেম বা ধর্মের পতাকা ওড়ান সমস্যা নেই তবে নিশ্চিত থাকেন ক্ষুধার পতাকা সবার উপরে থাকবে। দুটো দিন না খেয়ে থেকে দেখুন, তখন আর কোন কিছুই ভালো লাগবে না খাওয়া মতবাদ ছাড়া। একটা খারাপ কাজের সমালোচনা করুন লিমিটের ভিতর থেকে কিন্তু একটা ভালো কাজের প্রশংসা করুন লিমিটলেস ভাবে দেশপ্রেম এবং ধর্মকে সাইডে রেখে। বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন অথবা এক টাকার মিলের নাম বোধহয় সবাই জানেন। আর সাথে যিনি এই কাজটা শুরু করেছেন তার নামটাও নিশ্চয়ই জানা আছে। ওনার নাম কিশোর কুমার দাশ। পেরুতে থাকেন, এক্সারটিকা ল্যাব’এর হেড অফ সেলস অপারেশন বলেই জানি। বিদ্যানন্দ বেশি পরিচিত এক টাকার মিল কার্যক্রমের জন্য কিন্তু আসলে আনফরচুনেট বাচ্চাদের এডুকেটেড করাটাও এর একটা মেজর ভিশন। জানেন নিশ্চয়ই কেন উনি এটা শুরু করেছিলেন। ছোটবেলায় উনি যখন মন্দিরে খাবার নেবার লম্বা লাইনে দাড়িয়ে থাকতেন তখনই ভেবেছিলেন যে বড় হলে অন্তত এই কাইন্ডনেসটা সামহাউ ফিরিয়ে দিতে হবে বাচ্চাদের। জ্বী, কোন স্পেসিফিক ধর্মের বাচ্চার কথা উনি ভাবেননি। সেই চিন্তা থেকেই এরাউন্ড ২০১৬ সালের মে মাসে প্রথম প্রফেশনালি শুরু করেন খাবার ডিস্ট্রিবিউট করা ঢাকা সহ আরও ৫ টা জেলায়। শুরুর ৬ মাসের ভিতরেই প্রায় ১২১,০০০ বাচ্চা এবং বুড়ো মানুষকে খাওয়ানো হয়েছে। খেয়াল করেছেন বোধহয় দেশের বাইরে থেকেও একজন মানুষ কিভাবে দেশের কথা ভেবেছে যেটা দেশপ্রেম গুলিয়ে ক্যাপসুল বানিয়ে খেয়ে ফেলা, প্রাডোতে চড়া অনেক টাল বা মাল নেতারাও করতে পারছেন না। ফিন্যান্সিয়াল কন্ট্রিবিউশন শুরুতে পুরোটা ওনার থাকলেও আস্তে আস্তে আরও অনেকে জয়েন করতে থাকেন। কেন এক টাকা দিতে হয় জানেন? যাতে একটা বাচ্চা বা কেউ এই ইম্প্রেসন না পায় যে তাকে করুনা করা হয়েছে। সে যেন ফিল করে যে সে এটা আর্ন করেছে। একজন আনফরচুনেট মানুষকে রেস্পেক্টেড ফিল করাবার কি অসম্ভব সুন্দর একটা চিন্তা। বিদ্যানন্দের স্কুল গুলোতেও একই অবস্থা। যতটুকু সুযোগ সুবিধা দেয়া সম্ভব সব দিয়েই বাচ্চাদের শিক্ষা দেয়া হয়। ওদের লাইব্রেরির দিকে তাকালেও দেখবেন কত রিচ অবস্থা। আর ভলান্টিয়ার। হাজার হাজার হিন্দু, মুসলিম এক লাইনে দাড়িয়ে দিন রাত খাটছেন কিছু পাবার আশা ছাড়াই। কাজটা করতে গিয়ে অনেকেই গালিগালাজ হতে শুরু করে মারধর ও খেয়েছেন। আমরা আর কিছু পারি আর না পারি। মারধর দিতে ওস্তাদ। আমার কথা বিশ্বাস করতে হবেনা। ওনাদের পেইজের পোস্টগুলো পড়লেই বুঝবেন কত বিচিত্র অব্সট্যাকল ওনারা ফেইস করেন। এবার আসেন কিছু দেশপ্রেমিক এবং ধার্মিক সেকশনে যেটা কিছু নিউজ পোর্টাল এবং বিজ্ঞ মানুষের একটা অবিজ্ঞ কম্বিনেসন। এদের কথা অবশ্য ইন্টারেস্টিং। যেমন, এই ফাউন্ডেশন হিন্দু অর্থায়নে চলে আর এদের মুল উদ্যোক্তা একজন হিন্দু। মুসলিম সংখ্যা গরিষ্ঠ দেশে একজন হিন্দু এটা কেন চালাচ্ছে? আসলে এক টাকায় এরা ইফতার দিয়ে ইন্ডিরেক্টলি ইহুদি পন্যের প্রচার এবং প্রসার চালায়। আর এরা লাইকখোর তাই ছবি তুলে ফেইসবুকে দেয়? এদের মুল উদ্যোক্তা তো দেশের বাইরে এসির বাতাস খায়। পুরাই ভণ্ড। এখানে দেশপ্রেম বলে কিছু নেই। যখন এই লেখা কিনবা রিপোর্ট দেখি তখন বলতে ইচ্ছা করে আপনারাও করেন না কেন এই ভণ্ডামি? কে নিষেধ করেছে? যারাই এই অসম্ভব ভালো কাজগুলো করছেন সো-অফের জন্য তাদের চেয়ে বড় হবার জন্য হলেও দেখি কত বড় বুকের পাটা আছে একটা বাচ্চাকে খাওয়া বা একটা বই ধরিয়ে দিন। আর একদিন দিয়ে যদি কেউ ভাবেন দায়িত্ব শেষ তাহলেও সেটা বিদ্যানন্দের সমান হোল না কারন এটা ওনারা একদিনের জন্য করছেন না। এটা ওনাদের প্রতিদিনের কাজ। আপনিও আপনার পাড়ায় একটা গ্রুপ খুলে এটা করুন। ওনার মতো নিজ হাতে রান্না করে খাওয়ান আর যদি সেটা করতে না পারেন তাহলে চুপ থাকুন দয়া করে। কিশোর’দার কাছে চিঠি লিখুন পা ধোওয়া পানি পাঠিয়ে দেবার জন্য। উনি আপনার মতো বিজ্ঞ এবং দয়াশীল না তবে হয়তো পাঠাবেন। সকাল বিকেল দু বেলা হিসেব করে খান। দেখবেন একদিন ওনাকে আপনিও ছাড়িয়ে যাবেন। ক্লোজআপ ওয়ান তখন আপনাকেই খুজবে এবং জাতি সেইদিনের অপেক্ষায় আছে। ছোট্ট একটা ঘটনা দিয়ে শেষ করি। রেল স্টেশনের এক বাচ্চাকে একবার একজন বললেন এই সস্তা খাবার না খেয়ে তাকে বিরিয়ানি দেয়া হবে যদি সে তার সাথে যায়। সে কি ইচ্ছুক কিনা? ১০ বছরের বাচ্চাটা এই রকম বলেছিল “এই বোনেরা আমাদের জন্য খাবার নিয়ে আসে তাই তাদেরকে আমরা ফিরিয়ে দিতে পারিনা এবং তুমি প্রতিদিন খাবার নিয়ে আমাদের জন্য আসবে না”। বাচ্চাটাও বোঝে শুধু কিছু দেশপ্রেমিক এবং ধার্মিক পাবলিক ছাড়া। একটা পাবলিকলি প্রচার বা ক্রেডিট না পাওয়া ছাড়া কাজ একদিন করা যেতে পারে, উত্তেজনায় দুদিন করা যেতে পারে কিন্তু প্রতিদিন করতে গাট্স থাকা লাগে। যেটা ওই রিপোর্ট এবং কমেন্ট করা অমানুষগুলোর কখনই ছিল না এবং হবেও না। বাসায় গিয়ে ইচ্ছামতো দেশপ্রেম বা ধর্মের পতাকা ওড়ান সমস্যা নেই তবে নিশ্চিত থাকেন ক্ষুধার পতাকা সবার উপরে থাকবে। দুটো দিন না খেয়ে থেকে দেখুন, তখন আর কোন কিছুই ভালো লাগবে না খাওয়া মতবাদ ছাড়া। একটা খারাপ কাজের সমালোচনা করুন লিমিটের ভিতর থেকে কিন্তু একটা ভালো কাজের প্রশংসা করুন লিমিটলেস ভাবে দেশপ্রেম এবং ধর্মকে সাইডে রেখে।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯৩ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now