বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

সিকান্দার বক্স এখন আদালতে(৪-৫)

"ছোট গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান muntasir al mehedi (০ পয়েন্ট)

X -----দৃশ্য ৪----- কেয়া: জজ সাহেব, আমি যা বলছি সত্যি। কিন্তু আমার স্বামীর মত একজন সরল মানুষ খুন করতেই পারেন না। উনি নির্দোষ। জাসোয়াল: আপনি যেতে পারেন। ইউর অনার আমার পরের সাক্ষী সিকান্দারের অফিস কলিগ হারুন সাহেব। হারুন: আসলে সিকান্দার সাহেব সিদ্দিকের প্রতি একটু বেশিই sensitive ছিলেন। আর সিদ্দিক ও বিভিন্ন ভাবে উনাকে প্রায়ই উক্তত্য করতো। জানি না, কেন যে সিকান্দার সাহেবের সিদ্দিকের প্রতি এতো রাগ!!! সিকান্দার: হারুইন্যাআআআ, কুইট্যালবাম তরে!!! জজ: অর্ডার অর্ডার। সাইলেন্স ইন দ্যা কোর্ট প্লিজ। ( একে একে সবাই এসে সিকান্দার সিদ্দিক দ্বন্দের বিবরণ দিলো কোর্টে।) কেডি: ইউর অনার আমি হাবীব কে কাঠগড়ায় কিছু জিজ্ঞাসাবাদ করতে চাই। জজ: You may procced. কেডি: thank you ইউর অনার। তো মিস্টার হাবীব, ২২ শে জানুয়ারী সিকান্দার আপনার কাছে থেকে ৫০০০ টাকা ধার নিয়েছিলেন যেটা আপনি ঠিক বিকেল সাড়ে চারটা নাগাদ উনার পার্সোনাল বিকাশ একাউন্টে সেন্ড মানি করেছিলেন এটা কি ঠিক??? হাবীব: জ্বী। কেডি: কারন টা জানেন আপনি? ৫০০০টাকার কি আবশ্যকতা ছিলো উনার ? হাবীব: আমাকে বলেছিলো যে সিদ্দিকের কাছ থেকে সিকান্দার কিছু টাকা ধার নিয়েছিল সেটা আজকের মধ্যেই ফেরত দিতে হবে। তাই আমাকে ইমিডিয়েট বিকাশ করতে হয়েছিলো। কেডি: exactly এরকমটাই হয়েছিল ইউর অনার। হাবীবের কাছ থেকে টাকাটা নিয়ে সিদ্দিকের ধার শোধ করতে চেয়েছিলেন সিকান্দার। এখন চিন্তার বিষয় এইখানে যে, যদি সিকান্দার সিদ্দিককে খুন করতে চাইতেন তাহলে কেন উনার ঋণ শোধ করতে উদ্ধত হতেন? ----দৃশ্য ৫---- কেউ যদি কয়েকে ঘন্টা পরে কাউকে খুন করার পরিকল্পনায় ব্যাস্ত থাকে তাহলে কেন ঋণ শোধ করতে চাইবেন? এটা থেকে পরিষ্কার হয় যে আমার মক্কেল নির্দোষ, উনাকে ফাঁসানো হয়েছে। (ঢং ঢং ঢং, ৫ টা বেজে গেছে) জজ: এই আদালত পরের সুনানীর জন্য মুলতূবী রাখা হল। The court is adjourned for today. কোর্টমুলতূবী ঘোষনা করার পর কেডি পাঠক ইন্সপেক্টার আবেদ কে নিয়ে সিদ্দিকের ফ্ল্যাটে গেলেন তল্লাশী নিতে। আবেদ: পুলিশ এই restrict এরিয়া তিনবার সার্চ করেছে। আর কিছুই পাবেন না আপনি। কেডি: অনেক সময় এরকম হয়, যেটা ঘটে সেটা দেখা যায় না, আর সেটাই দেখা যায় যেটা আদও ঘটেই নি। এই কেসেও এরকমটাই হচ্ছে। ইন্সপেকটার সাহেব, ঐযে করিডোরে একটা CCTV ক্যামেরা লাগানো আছে সেটার রেকর্ড চেক করেছেন আপনি? আবেদ: ওটার লেন্স টা নষ্ট হয়ে গেছিলো। তাই কিছু রেকর্ড হয় নি। সিদ্দিকের ফ্ল্যাটের প্রতিটা কোন সূক্ষাতিসূক্ষ ভাবে খোঁজার পর কার্পেটের তলায় একটা খেঁজুরের বীচি খুঁজে পেলেন কেডি। কেডি: এই CCTV টিভি ক্যামেরা কিছু না বললেও এই খেঁজুরের বীচিটা অনেক কথা বলবে। পরের সুনানীর তারিখে যথাযথ ভাবে আবারো সবাই উপস্থিত হল আদালতে। জাসোয়াল: ইউর অনার, আমি গত সুনানীতেই প্রমাণ করে দিয়েছিলাম যে সিদ্দিকের খুন সিকান্দার বক্সই করেছেন। আমি মহামান্য আদালতের কাছে আবেদন করছি যে সিকান্দার সাহেব কে কঠিন থেকে কঠিনতর শাস্তি দেয়া হোক।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১১১ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now