বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
দৃশ্য ২:
আদালতে আসামীর
কাঠগড়ায়
দাঁড়িয়ে আছেন
সিকান্দার বক্স।
সিকান্দারের স্বপক্ষে
ডিফেন্স
ল'ইয়ার
কেডি পাঠক। আর
বিপক্ষে
প্রসিকিউটার আই এম
জাসোয়ালল। witnees list
এ আছেন
কেয়া,হারুনভাই,মামা,হা
বীব,আরফান
,সাত্তার
চৌধুরী,ইন্সপেক্টার
আবেদ।
জজ
সাহেব আসার পর
যথারীতি
প্রসিকিউশানের
পোক্ত
প্রমাণ পেশের মাধ্যমে
কেস শুরু হল।
জজ:আদালতের
কার্যক্রম শুরু করা
হোক।
জাসোয়াল: ইউর অনার
এটা একটা
ক্লোস
এন্ড শাট কেইস। ২২শে
জানুয়ারী ঠিক
দুপুর তিনটায়
কাঠগড়ায়
দাঁড়িয়ে থাকা মিস্টার
সিকান্দার
বক্সের সাথে
সিদ্দিকের
কথা কাটাকাটি হয়
উনারি ফ্ল্যাটের
করিডোরে। যা
একপর্যায়ে ঝগড়ায়
পরিণত হয়।
পরিস্থিতি যখন
চরমে পৌছে তখন
ইনি সিদ্দিককে প্রাণে
মেরে
ফেলার
হুমকি দেন! তার ঠিক
তিন ঘন্টা পর
সিকান্দার বক্স
সিদ্দিকের
ফ্ল্যাটে যান আর চায়ে
বিষ
মিশিয়ে নৃ:শংস ভাবে
হত্যা করেন। এই
হচ্ছে পোস্ট মর্টাম
রিপোর্ট।
যেটা থেকে এইটা
স্পষ্ট হয় যে,
সিদ্দিকের মৃত্যু
পটাসিয়াম
পারম্যাঙ্গানেট
জাতীয় কোন
পেস্টি সাইডের
ফলে হয়েছে যেটা
মিশ্রিত ছিল
চায়ে। খুনের ঠিক ২০
মিনিট আগে এই
বিষ সিকান্দার সাহেব
সাইফুল
জেনারেল স্টোর
থেকে কিনেছিলেন।
এই হচ্ছে ঐ
দোকানের বিল রিসিট ,
আর এই হল
দোকানের কর্মচারীর
লিখিত বয়ান।
পুলিশ ঐ বিষের শিশি
সিকান্দারের
ঘর
থেকে উদ্ধার
করেছেন। বিষের
শিশিতে শুধুমাত্র
সিকান্দারের
আঙ্গুলের ছাপ পাওয়া
গিয়েছে।
যেটা থেকে এইটা
স্পষ্ট হয়
যে চায়ে বিষ
সিকান্দারই
মিশিয়েছিলেন।
সিদ্দিককে উনিই
মেরেছেন?
সিকান্দার: কেডি বাই,
এই
বেডা আন্তাজি
মান্তাজি এইতা
কিতা কইতাছে?
আমি মারতাম ক্যারে?
আমি তো উন্দুর
মারনের লাইগ্যা বিষ
কিনছিলাম।
উনি আমাকে আলগা
করে পেলেচেন
ক্যারে? আফনে
কিনুস্তা কইন
না ক্যারে? আমি
আলগার গরের
দূয়ারে গিয়া দুয়ার খুলা
পাইছিলাম।
আলগা আলগা বলে
কয়েকটা চিইক্যাইর
মেরেচিলাম। বেবচি
আলগা হয়ত
আমাকে উনেক বয়
পেয়ে লুকিয়ে ফরেচে।
থারপর
আমি সলে এসেচি
উকান তেকে।
কেডি: জাসোয়াল বাবু,
কেস জেতার
বড্ড তাড়া আপনার।
ছাড়ুন।
আপনি আমাকে এইটা
বলুন যে,
সিকান্দার সাহেব
সিদ্দিককে হুমকি দেয়
দুপুর তিনটায়,
পোস্ট মর্টাম অনুযায়ী
সিদ্দিকের মৃত্যু
হয়
বিকাল ছয়টায়। যদি
সিকান্দার
সাহেব
সিদ্দিককে মারতে
চাইতেন তাহলে
এই
তিন ঘন্টা কেন
অপেক্ষা করলেন?
------দৃশ্য ৩------
কেন
কেউ আসার আগেই
সাথে সাথে মেরে
ফেললেন না?
কেন উনি সবার
উপস্থিতিতে
সিদ্দিককে মেরে
নিজেই
নিজেকে ফাঁসাতে
চাইবেন?
জাসোয়াল: good question
মিস্টার পাঠক।
কিন্তু আমার পরের
সাক্ষী প্রমাণ
করে দেবেন যে খুনটা
সিকান্দারই
করেছেন। আমি
সিকান্দারের
স্ত্রী কেয়া বক্স কে
কাঠগড়ায়
ডেকে নিতে চাই।
জজ: অনুমতি দিলাম।
জাসোয়াল: তো কেয়া
বক্স, খুনের দিন
ঐ ঝগড়ার পর আপনি
কোথায় ছিলেন?
কেয়া:আমি ঘরেই
ছিলাম আমার
স্বামীর সাথে।
জাসোয়াল: তো তখন
উনি কি করছিলেন?
কেয়া: জ্বী আসলে, খুব
রেগে ছিলেন
উনি সিদ্দিকের উপর।
রাগে ফুঁপাতে ফুঁপাতে
বলছিলেন" এই
আলগার গরের
আলগারে নি মনডায়
কয়
উন্দুরের বিষ দিয়া
মাইরালতাম"
সিকান্দার:
খেয়া তুমি এইডি খিতা
খউ? আমি
তুমার
স্বামী।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now