বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ছেলে বেলা—লেখক রিয়েন সরকার (আমি নিজেই)

"ছোট গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X ছেলে বেলায় প্রতিটা ছেলে মেয়ে একই জিনিস ভাবে ইস্ আমি যে কখন বড় হব ৷ এর পেছনে অনেক কারণ থাকে ৷ এর মধ্যে সবচেয়ে বড় কারণ বড়রা তাদের কাথার পাত্তা দেয় না ভাবে বাচ্ছা মানুষ তাকে দাম দেয়ার কি আছে ৷ বাচ্ছাটি কখন বড় হবে এটা ভাবতে ভাবতেইবে কখনযে সে বড় হয়ে ওঠে তা বুঝতে পারেনা ৷ যখন বুঝে যে সে বড় হয়ে গেছে, তখন তার মনটা আবার খারপ হয়ে যায় তার বাচ্ছা বেলার কথা ভেবে ৷ তখন সে আপসোস করে ইস্ যদি আবার ছোট হতে পারতাম ৷ তখন ছোট বেলায় সব কিছুই মধুর মনে হয় ৷ সে ছোট বেলা যতটা স্বাধীনতার মধ্যে থাকে বড় হয়ে ততটা স্বাধীনতা পায় না ৷ আমিও সেই নিয়মের একজন ছিলাম ৷ আমি তখন মাটি থেকে খাটে ওঠতে পারতম না বা চেয়ার রে উঠতে পারতাম না মা বাবা তুলে দিত তখন ভাবতাম কবে যে বড় হয়ে নিজেই এই গুলায় ওঠব ৷এখন বড় হয়ে গেছি এখন আর খাটে তুলে দিতে কারো সাহয্য লাগেনা কিন্তু ছোট বেলায় মা বাবা খাটে তুলে দিলে যে আনন্দ পেতাম তা কি এখন পাওয়া যায়? না পাওয়া যায় না ৷ আমি রিয়েন ৷ স্কুল বন্ধ পেলে আমি নানুবাড়ি বেরতে যেতাম ৷ নানু বাড়িতে থাকত বড় আন্টি ছোট আন্টি মামারা ও তাদের ছেলে মেয়েরা ৷ তাদের সাথে কত দৌড়া দৌড়ি কত ছুটা ছুটি করছি তা বলে বুঝানো যাবে না ৷ আর চাদনী রাত হলেই মামা-মামানি,আন্টি,মা আর তাদের ছেলে মেয়েরা হাডুডু খেলতাম ৷ সে যে কত মজার জিনিস যারা খেলেন নি তাদের বুঝানো যাবে না কিছুতেই ৷ তারপর থাকত অনেক রকমের পিঠা যা খেতে খেতে রাতে আর ভাত খাওয়া লাগত না ৷ নানু কত যে বকা বকি করতো ভাত খাওয়ার জন্য তাও খাওয়া হত না ৷ আকাশে তারা চার দিকে অন্দকার. ওঠানে পাটি ভিছিয়ে গল্প করার মাঝাই আলাদা ৷ আমি আগে নানু বাড়ি গিয়ে এই ভাবে গল্প করতাম খুবই ভাল লাগত ৷ বেশির ভাগ গল্প হত ভূত নিয়ে ৷ আমি সবসময়ই আকাশে থাকিয়ে থাকতাম এবং আকাশে কত গুলা তারা আছে গুনার চেষ্টা করতাম ৷ একটা তারা দিকে বেশি ক্ষন তাকিয়ে থাকতে পারতাম না ৷ কারণ একটা তারা দিকে তাকালেই অন্য জায়গায় আরেক তারা চোখে পরত ওটার দিকে তাকালে আরেক জায়গায় তারা দেখা যেত ৷ আমি ও আমার ভাই বোনেরা দৌড়ানো তারা খুজে বেরাতাম এবং কে আগে সেটা দেখেছে সেটা নিয়ে জগরা করতাম ৷ নানুবাড়ি এখনো আছে ৷ এখন আর এই আনন্দ গুলা হয় না ৷ মানুষ কি সবসময় ছোট থাকে? থাকেনা ৷ তারা বড় হতে না চাইলেও বড় হয়ে যায় ৷ বড় হয়ে গেলাম ৷ নানু বাড়ি গিয়ে যাদের সাথে গল্প করতাম তারাও বড় হয়ে গেছে ৷ লেখাপড়া চাপ সবার ৷ মাঝে মাঝে ভাবি আমাদের বিজ্ঞান তো কতই উন্নত একটা মিশিন কি তৈরী করা যায় না যেটার সাহায্যে মানুষ কে আবার সেই বাচ্চা কালে ফিরিয়ে নিয়ে যাবে ৷ পারবে কী এমন মিশিন তৈরী করতে ? #Rean_Sharker


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২২ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now