বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

** রাত জাগা পাখি আমি **

"জীবনের গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান টি.বি তৌহিদ (০ পয়েন্ট)

X নিস্তব্ধ রাত চারদিকে গুট গুট অন্ধকার তবুও এই গুট গুট অন্ধকারের মধ্যে বিষন্ন মনে তাকিয়ে আছি ঐ মায়াবী চাঁদটার দিকে। আমার খুব ভাল লাগে রাত জেগে একা একা বসে জ্যোৎস্নার আলোর খেলা দেখতে আরো ভাল লাগে এমন রাতে নিরবে বসে বসে গল্প লিখতে। ঠিক রাত ২:০০ টা গল্পটা লিখতে বসলাম। তাইলে গল্পটা শুরু করি...... . অনিক ও মেঘলা দুজন দুজনকে ভালবাসে। তাদের সম্পর্ক আজ প্রায় ৫-৬ মাস অনিকের বাড়ি কুমিল্লায় আর মেঘলার বাড়ি ঢাকা সাভারে। তাদের পরিচয় ফেইসবুকে। অনিক আবার একটু গল্প লিখা লিখি করে তো একদিন অনিক ফেসবুকে হঠাৎ অচেনা আইডি থেকে একটা মেসেজ..... →এই আপনি এতো কষ্টের গল্প লিখেন কেন? (মেঘলা) →আমার জীবনে অনেক কষ্ট তাই আমি কষ্টের গল্প লিখি।(অনিক) →আপনার জীবনে কিসের কষ্ট?(মেঘলা) →তা আপনাকে বলবো কেন আপনাকে তো আমি চিনি না এবং আপনিতো আমার কেউ নন। (অনিক) →তাইলে আপন করে নিন। যাই হোক আপনি যেমন বলতে চাইছেন না তাইলে জোর করবো না। ওকে ভাল থাকুন বায় (মেঘলা) →বায়। (অনিক) অনিক অনেক ভাবলো কে সে তার কথা গুলো কেমন জানি লাগছিল। যাই হোক অনিক আপাতত চিন্তাটা বাদ দিল। সে রাতে আবার ফেসবুকে ঢুকল ঢুকার পাঁচ মিনিটের মধ্যে ওই অচেনা আইডি থেকে মানে মেঘলার আইডি থেকে একটা মেসেজ আসলো, কেমন আছেন? (মেঘলা) →হ্যা ভাল আছি। যদি কিছু মনে না নেন আমি আপনাকে কিছু কথা জিজ্ঞেস করতে পারি?(অনিক) →হ্যা অবশ্যই বলেন। (মেঘলা) →আপনি কি আমাকে চিনেন বা আমার আইডি কোথায় পেলেন? (অনিক) →আসলে আপনি তো গল্প লিখেন আমার গল্প পড়তে খুব ভাল লাগে তাই আপনাকে আমি অ্যাড করেছিলাম প্রায় ৪ মাস আগে। (মেঘলা) →ও ভাল। (অনিক) →আচ্ছা আপনি কি কাওকে ভালবাসেন? →আজবতো আমি কাওকে ভালবাসি কিনা তা তো জানার আপনি কেউ না। (অনিক) →জানলে তো প্রব্লেম নাই। (মেঘলা) →না আমি কাওকে ভালবাসি না (অনিক) →তাইলে আপনি এতো কষ্টের গল্প লিখেন কেন?(মেঘলা) →ভাল লাগে তাই লিখি।(অনিক) . এইভাবে প্রায় প্রতিদিন কথা হতো তাদের মাঝে। একসময় তারা খুব ভাল বন্ধুত্ব হয়ে গেলো এখন তারা ফোনেও কথা বলে। আসলে তারা মনে মনে দুজন দুজনকেই ভালবাসে কিন্তু কেউ কাউকে সাহস করে তাদের ভালবাসার কথা জানাতে পারেনি এইভাবে চলতে থাকে আরো কয়েক মাস। হঠাত একদিন মেঘলা অনিককে বলে ফেলল সে অনিককে ভালবাসে অনিকও রাজি না হয়ে পারবে না কারন অনিকও মেঘলাকে ভালবাসে। একদিন মেঘলা অনিককে বলল...... →অনিক আমরা দেখা করতে চাই বলো কিভাবে আমরা দেখা করতে পারি? (মেঘলা) →হ্যা আমিও তো চাই তুমার সাথে দেখা করি। আমার খুব মন চাইছে তোমার সাথে দেখা করতে। এখন দেখা করা সম্ভব না এখন আমার এক্সাম আর দুই মাস যাক তারপর আমরা দেখা করি। (অনিক) →ঠিক আছে তুমি যাই বলো তাই। অনিক একটা কথা বলি কিছু মনে করো না। (মেঘলা) →আরে না বলো (অনিক) →আসলে অনিক আমার কিছু টাকার প্রয়োজন। (মেঘলা) →অহ কত টাকা হলে চলবে (অনিক) →এখন ৩০০০ টাকা হলে চলবে (মেঘলা) →আচ্ছা তোমাকে আমি বিকাশে টাকা দিয়ে দিব।(অনিক) →আচ্ছা ঠিক আছে।ওকে ভাল থাক। →ওকে বায়(অনিক) অনিক ছিল সহজ মনের একটা ছেলে সে মেঘলাকে অনেক বিশ্বাস করতো তাই মেঘলা যখনি টাকা চাইতো তখনি অনিক তাকে বিকাশ করে টাকা দিয়ে দিত। অনিক একবারো মেঘলাকে জিজ্ঞেস করতো না যে তুমি টাকা দিয়ে কি কর। এইভাবে আরো অনেকবার মেঘলা অনিক আর কাছে টাকা চাইছে, এমনও হয়েছে একসময় মেঘলা প্রতি সপ্তাহ টাকা চাইতো অনিকের কাছ থাকে। অনিকও মানা করেনি কখনো। যাই হোক একসময় যখন অনিকের এক্সাম শেষ সকালে অনিক মেঘলাকে জানালো...... →এই যে আসছে ৭ আগস্ট আমরা দেখা করবো। (অনিক) আমি কুমিল্লা থেকে সাভার আসবো. তুমি কোথায় থাকবা?(অনিক) →আমি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ওখানে থাকবো। (মেঘলা) →আজ তো ৪ তারিখ আচ্ছা ঠিক আছে আর মাত্র কয়েকটা দিন। অইদিনও মেঘলা অনিকের কাছ থেকে টাকা চেয়েছিল ২০০০ হাজার। অনিক টাকা দিয়েছিল। একি অনিক বিকেলের দিকে মেঘলাকে কল দিল কিন্তু মেঘলার মোবাইল তো বন্ধ দেখাচ্ছে। অনিক অনেকবার চেষ্টা করেছিল কিন্তু মোবাইল বন্ধ বন্ধ বন্ধ। এমনিকি ৭ তারিখ মেঘলার সাথে অনিকের দেখা করার কথা ছিলো কিন্তু অই দিনও মেঘলার মোবাইল বন্ধ। মেঘলাকে আর অ্যাক্টিভ দেখায় না ফেসবুকেতে। খুব আতংকের মধ্যে পরে যায় অনিক।অনিক তার পিছনে খরচ করেছে প্রায় ২০০০০/৩০০০০ হাজার মাত্র কয়েকমাসে। অনিক তার ভুল বুঝতে পারলো আজো সে কষ্টের গল্প লিখে। সে রাত জেগে আজো অপেক্ষা করে সেই প্রতারক মেয়ে মেঘলার


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৪৯ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now