বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
স্থানঃ টিএসসি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
সময়ঃ সকাল পৌনে দশটা।
শুভ্র বসে আছে। ডানহাতে চায়ের কাপ। বাম হাতে জ্বলন্ত সিগারেটের শলাকা।
সে সিগারেট সবসময় বাম হাতেই ধরে। তার একটা কারনও আছে। ছোটবেলা থেকেই সে বাঁহাতি। সে বাম হাতেই বেশিরভাগ কাজ করে থাকে।
মামা, চা খাইবেন? শুভ্র চোখ
তুলে তাকালো। একজন আধাবয়সী লোক চায়ের ফ্ল্যাস্ক নিয়ে তার
সম্মুখে দাঁড়িয়ে আছে।
শুভ্রঃ দেখছেনই তো হাতে চায়ের কাপ
আছে। দেখেও কেনো জিজ্ঞাসা করলেন
চা খাবো কিনা..??
চাওয়ালাঃ হেঃ হেঃ হেঃ খেয়াল
করি নাই মামা। সিগারেট খাইবেন?
সিগারেট আছে। দিমু?
শুভ্র এবার মুখে কিছু না বলে বাঁহাত উঁচু
করে সিগারেট দেখালো। চাওয়ালা আর
কিছু না বলে সোজা সামনে হাঁটা ধরলো।
সুপ্রভাত জনাব। স্যরি, আসতে একটু লেট হয়ে গেলো। অফিস টাইম তো, রাস্তায় প্রচুর ট্রাফিকজ্যাম ছিলরে। কিরে.. কথা বলছিস না কেনো?
শুভ্রঃ আচ্ছা, কিছু কি বলার আছে? এই আর নতুন কি? প্রায়ই তো তুই দেরি করেই আসিস।
এটা আর নতুন কি? আর প্রতিদিন একই কথার জবাব দিতে কার ভাল লাগে বল?
বন্যাঃ হয়েছে হয়েছে!! ভাব নিতে হবে না। সকাল সকাল একটা ঝাড়ি না নিলে হতো না বুঝি?
শুভ্রঃ হিঃ হিঃ হিঃ নিলাম আর কি..
তোকে রাগাতে আমার বেশ ভাল লাগে।
হাঃ হাঃ হাঃ
বন্যাঃ তুই আসলেই একটা….. না থাক,
বলবো না।
শুভ্রঃ জানিস, এই মুহূর্তে আমার
সামনে একটি মানুষ বসে আছে।
যার
সৌন্দের্যর কাছে পৃথিবীর সকল সৌন্দর্যই ফিকে। আর রাগলে এই
মানুষটাকে যে আরো কতটা অদ্ভুত সুন্দর লাগে তা তোর মত প্রেত্নি বুঝবে কি করে।
হাঃ হাঃ হাঃ
বন্যাঃ পাম মারা হচ্ছে!! শয়তান কোথাকার..
শুভ্রঃ চা খাবি?
বন্যাঃ হুঁ
শুভ্রঃ চল উদ্দানের ভেতরে যাই। ওখানের চা ভাল। এখানের চাওয়ালার
চা খেলে মনে হয় পুকুরের পানি খাচ্ছি।
বন্যাঃ চল।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now