বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

তুই সালা জীবনেও ডিভোর্স পাবি না

"জীবনের গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X তুই সালা জীবনেও ডিভোর্স পাবি না … .(হুট হাট একটি গল্প) কিরে দোস্ত কি করিস। কথাটা বলছিলো শ্রাবন তার জানের দোস্ত শুভকে। শুভ:আরে বলিস না একটা প্রেম করার জন্য আকুল হয়ে বসে আছি। শ্রাবন:ওহ্ তাই নাকিরে। শুভ:হ রে,দোস্ত একটা প্রেম করাইয়া দে না। শ্রাবন:আরে বেটা শোন প্রেম কইরা লাভ কি বল। শুভ:মাঝে মাঝে একা লাগে তাই,নিজেরে চাঙা করতে একটা প্রেম করুন দরকার। শ্রাবন:তা অবশ্য ঠিক। শুভ:দে না একটা প্রেম করাইয়া। শ্রাবন:টেনসন লইস না আমি আছি না তোর না হলে আমার হবে। শুভ:তোর দিয়া আমি করবো। শ্রাবন:আরে তোর বউ আমার বউ আমার বউ ওহ্ তোর বউ। অনেকটা লজিকাল জীবন ওদের সবসময় বাউন্ডেলে বিনদাস লাইফ। ভার্সিটী লাইফটা ওদের কাটছে মেয়েদের পিছু পিছু ঘুরতে। বাউন্ডেলে লাইফে আরো সাত সাতজন বন্ধুরা সব গুলাই হুট হাট। কাম টু দ্যা পয়েন্ট কাজে আসি। . হঠ্যাৎ একদিন ওরা সবাই ভার্সিটিতে গেলো, হঠ্যাৎ চোখে পড়লো শুভর একটা মেয়েকে। শুভ:দ্যাখ মেয়েটা কত্তো সুন্দর। শ্রাবন:চলবো নাকি সেইটা ক। শুভ:চলবে না মানে দৌড়াবে। শ্রাবন:যা তোরে দিয়া দিলাম। শুভ:হ্লার পো হ্লা,কইলি আর অইলো পারলে উপায় বের কর ক্যামনে অইবো। শ্রাবন:তুই যে মেয়েরে দেখিস তারেই পছন্দ করিস। শুভ:ধুর নারে এটাই বেস্ট,দোস্ত যা না কথা বল। শ্রাবন:আচ্ছা যাচ্ছি তবে মনে রাখিস তোর না হলে আমি করবো। শুভ শ্রাবনের পিছনে এক লাথি দিলো। শুভ:হ্লার পো হ্লা যা। শ্রাবন:ওকে বেবি। . শুভ:যা। শ্রাবন:হ্যালো আপু। মেয়েটা:জ্বী বলুন। শ্রাবন:আপনারে আমার ফ্রেন্ড পছন্দ করে। মেয়েটা:ওহ্ আচ্ছা তো কতদিন ধরে পছন্দ করে। শ্রাবন:এইতো ১৫ মিনিট ৩০ সেকেন্ড পর্যন্ত দেখতাছি। মেয়েটা:ওহ্ আচ্ছা। শ্রাবন:আপু একটা বলি। মেয়েটা:হ্যা বলুন। শ্রাবন:আপনার নাম কি। মেয়েটা:জানতেই হবে। শ্রাবন:জ্বী ভাল হয় জানলে। মেয়েটা:জান্নাত। শ্রাবন:সুন্দর নাম,তো আমার ফ্রেন্ডের সাথে প্রেম করবেন না। জান্নাত:না করবো না। শ্রাবন:কোন দুঃখে করবেন না। জান্নাত:এমন পছন্দের কাউকে আমি লাভ করতে পারুম না। . শ্রাবন:ওহ্ আচ্ছা সরি। জান্নাত:তো কিসে পড়েন আপনি। শ্রাবন:থার্ড ইয়ার। জান্নাত:হেই ইডিয়ট জুনিয়র হইয়া সিনিয়র এর সাথে প্রেম করতে আসা। শ্রাবন:মানে। জান্নাত:আমি ফাইনাল ইয়ারে। শ্রাবন:পালারে শুভ। জান্নাত:তোমার মতো গর্ধবরা কি যে ধুর। শ্রাবন:আসসালামু আলাইকুম আপু আসি। জান্নাত:ওকে। শ্রাবন:আরে এ ম্যাইয়া তো আমাদের সিনিয়র প্রেম ক্যামনে করবি। শুভ:দেইখা তো মনে হয় না। শ্রাবন:বাদ দে চল বাসায় যায়। শুভ:সালার পোড়া কপালে প্রেম ই নাই। একদিন রাতে শ্রাবন শুয়ে আছে হঠ্যাৎ মনে পড়ে গেলো জান্নাতের কথা কি মায়াবীই না দেখতে,সত্যি না তাকিয়ে থাকা যায় না। . দেখতে দেখতে অনেকটা দিন চলে গেলো। হঠ্যাৎ একদিন দুপুরে শ্রাবনদের বাড়িতে মেহমানের আগমন শ্রাবন তেমন কিছু মনে করলো না। সাথে একটা মেয়েও এসেছে শ্রাবন কথা শুনে বুঝতে পারলো। হঠ্যাৎ করে সেই মেয়েটা শ্রাবনের রুমে চলে এসেছে। শ্রাবন ঘুরিয়ে দেখে জান্নাত। শ্রাবন:আরে আপু আপনি। জান্নাত:এটা তোমাদের বাসা। শ্রাবন:হুম। জান্নাত:তো প্রেম টেম এর কি অবস্থা। শ্রাবন:ছি কি যে বলেন,আপনারা কি আর আমরা তা কি হয়। জান্নাত:ওহ্ আচ্ছা। শ্রাবন:আচ্ছা আপনি প্রেম করেন কি। জান্নাত:বলবো কেনো। শ্রাবন:নিজের জন্য একটু সুবিধা হয় আর কি। জান্নাত:মানে। শ্রাবন এগিয়ে জান্নাতের হাত দুটো ধরলো। শ্রাবন:সিনিয়র হন সমস্যা নাই,প্রেম/ বিয়ে করতেই হবে তো আমি আপনারে ছাড়া কিছুই ভাবতে পারি না। জান্নাত:ওহ্ আচ্ছা তাই তো কতো জায়গায় ছিপ ফেলো শুনি। শ্রাবন:সত্যি বিশ্বাস করুন। জান্নাত:বিশ্বাস করবো কি করে। শ্রাবন:কি করলে আপনি বিশ্বাস করবেন। জান্নাত:তোমার হাত কেটে আমার নাম লিখতে পারবা। শ্রাবন:এটা কোনও ব্যাপার হলো। হ্যা শ্রাবন ব্লেট নিয়ে জান্নাতের নামের প্রথম অক্ষরটা যখনি লিখছে তখনই জান্নাত শ্রাবনের হাত টেনে ধরছে। জান্নাত:তুমি কি সত্যি পাগল হইছো। . শ্রাবন:হ্যা পাগল হইছি। জান্নাত:তোমার আর আমার এ সম্পর্ক পসিবল না বোঝার চেষ্টা করো। শ্রাবন:আচ্ছা তুমি আমাদের বাসায় কেনো। জান্নাত:আম্মুর সাথে আসছি তোমার আম্মু নাকি আমার আম্মুর ফ্রেন্ড। শ্রাবন জান্নাতের হাতটা ধরে জান্নাতআর শ্রাবনের আম্মু যেখানে বসে আছে সেখানে গেলো। আম্মু:কিরে তুই জান্নাতের হাত ধরে আছিস ক্যান। শ্রাবন:আম্মু এই আন্টি তোমার কেমন বান্ধবি। আম্মু:একদম ক্লোজ ক্যান বলতো। শ্রাবন:আন্টি আমি আপনার মেয়ের থেকে এক বছররে ছোটও আমি আপনার মেয়েকে ভালবাসি,আপনি রাজি কিনা। আম্মু আন্টি দুজনেই মুচকি মুচকি হাসছে। আন্টি:ওহ্ তাই, জান্নাত কি রাজি। শ্রাবন:হ্যা রাজি,আপনি কি বলেন। আন্টি:এই দিনটার জন্য আমরা অপেক্ষা করছিলাম জানো বাবা যে আমার জানের বান্ধবিটার সাথে একটা নতুন বন্ধন হবে। . শ্রাবন:দেখছো আন্টিও রাজি,চলো আমার রুমে যাইবা। জান্নাত কিছু না বলে গেলো ওর সাথে। জান্নাত:তুমি তো আচ্ছা পাগল দেখছি। শ্রাবন:ভালবাসবা না তাইলে ওকে যেতে পারো আটকাবো না। জান্নাত:তাই চলে যাবো। শ্রাবন:হ্যা যেতে পারো। জান্নাত:একটা চড় মেরে সব দাঁত ফেলে দেবো। শ্রাবন:এই যে মারেন। জান্নাত:সত্যি সত্যি মারলো,আমি যে তোমাকে ভালবেসে ফেলেছি। শ্রাবন:প্রমান নাই। জান্নাত:প্রমান চাই। শ্রাবন:হুম। জান্নাত:চলো। শ্রাবন:কই। জান্নাত:যেখানে খুশি। জান্নাত গেলো শ্রাবনের আম্মুর কাছে। আম্মু:কিরে আবার কেনো। জান্নাত:আন্টি আপনার ছেলে আমাকে প্রপোজ করলো রাজি হলাম এখন বলে প্রমান চাই,বলেন তো কি প্রমান দেবো ইডিয়ট টারে। এবার বান্ধবি দুজনে ঠিক থাকলো না হাসতে হাসতে জীবন শেষ। জান্নাতের আম্মু:আরে ইডিয়ট তো তোরা দুজনেই। জান্নাত:ধুর চলো তো শ্রাবন,দুই পাগলের সাথে কথা বলে লাভ নাই কিছুই বুঝে না। ওরা দুজনে রুমে এলো,শ্রাবন জান্নাত বসে আছে। শ্রাবন:তুমি আমাকে সত্যি ভালবাসো। জান্নাত:হুম। শ্রাবন:কয় মিনিট হলো। জান্নাত:জানা নেই। শ্রাবন:আমার আম্মু আর তোমার আম্মু রাজি নো টেনসন কি বলো। জান্নাত:হুম তাই তো। হঠ্যাৎ দরজায় নক,আমরা কি ভিতরে আসতে পারি। শ্রাবন:হ্যা আসেন। শ্রাবনের আম্মু হঠ্যাৎ একটা আংটি জান্নাতের আঙুলে পড়িয়ে দিলো। শ্রাবনের আম্মু:আজ থেকে তুমি আমার লক্ষী বউ মা। জান্নাত:এংগেজট হয়ে গেলো। শ্রাবন:হুম তাই তো,চোখে কি কম দেখো। জান্নাত:কি বললি আমায় কানা। শ্রাবন:কই তা বললাম। জান্নাত:আম্মু এই বেয়াদব টারে শায়েস্তা করতেই হবে। হুটহাট শ্রাবনের চুল ধরে টানাটানি। . . দুই বান্ধবি চলে গেলো। বান্ধবিরা বলছে:কি মিল না। দুজনের মারামারি চলছে আর জান্নাত পারছে না। জান্নাত:তোমার শরীর এতো গন্ডারের মতো শক্ত ক্যান। শ্রাবন:তোমারটা জলহস্তির মতো ক্যান। জান্নাত:থাপ্পর খাইবা। এভাবে কেটে গেলো অনেকটা দিন। একদিন ক্যাম্পাসে শ্রাবন আর জান্নাত এক সাথে বসে আছে। হঠ্যাৎ শুভর আগমন। শুভ:কিরে তুই হঠ্যাৎ এর সাথে। শ্রাবন:দোস্ত সরি রাগ করিস না। শুভ:কেনোরে,সালা জীবনেও ডিভোর্স পাবি না। শ্রাবন:বলিস কি একটাই নিয়ে থাকবো। শুভ:আরে খালি জ্বলবি,আর শোন টেনসন নিস না আমার অভাব নেই গো এ্যাহেড_বেস্ট অফ লাক। শ্রাবন:তুই সালাও জীবনেও ডিভোর্স পাবি না। শুভ:হাহাহাহা। শ্রাবন:দোস্ত টেনসন করিস না তোর জন্য আরো স্কুল কলেজ ঘুরমু মহিলা মেম্বর আছে নো টেনসন। প্রেম ছাড়া জীবন চলে না মনকে চাঙা করার জন্য মনে প্রেম থাকা দরকার। বেচে থাকুক সবার ভালবাসা। Written By __________Fardin Ahmed Raju


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১১৮ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now