বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
♦ একটা কোবরা চাক নরিসকে কামড় দেয়। সাত দিন অমানুষিক কষ্ট পাওয়ার পর কোবরাটা মারা পড়ে।
♦ হাসি ভালো। হাসলে মানুষ বেশি দিন বাঁচে। কিন্তু চাক নরিসের দিকে তাকিয়ে যে হাসে, সেটাই তার জীবনের শেষ হাসি।
♦ আলেকজান্ডার গ্রাহামবেল টেলিফোন আবিষ্কার করার পর একটা মিসকল পেয়েছিল। সেটি চাক নরিসের।
♦ চাক নরিসের বয়স ১৮ হওয়ার পর তার মা-বাবা বাসা ছেড়ে আলাদা থাকতে শুরু করেন।
♦ চাক নরিসের কখনো হার্ট অ্যাটাক হওয়ার আশঙ্কা নেই। তার হার্টের এত সাহস হয়নি যে তাকে অ্যাটাক করবে!
♦ আপনার পিসির রিসাইকেলবিন ডিলিট করে দিতে পারে চাক নরিস।
♦ চাক নরিস এক পাখিতে দুই ঢিল মারতে পারে সহজেই।
♦ চাক নরিসের ক্যালেন্ডারে ৩১ মার্চের পরই ২ এপ্রিল চলে আসে। এপ্রিল ফুল করার সাহস ক্যালেন্ডারেরও হয় না।
♦ চাক নরিস প্রায় জিমে যায় মেশিনগুলোর শরীর মজবুত করার জন্য।
♦ একবার দিয়াশলাই ছিল না বলে দুটি বরফের টুকরা ঘষে আগুন জ্বালিয়েছিল চাক নরিস।
♦ চাক নরিস একবার একটা গ্রেনেড ছুড়েছিল। সেই ছোড়া গ্রেনেডে ৫০ জন মারা যায়। তারপর গ্রেনেডটা ফাটে!
♦ মেয়েরা নয়, চাক নরিসকে দেখে ক্র্যাশ খায় যুদ্ধবিমান।
♦ দোকান থেকে সিগারেট এনে দেওয়ার জন্য একটা ছেলে রাখল চাক নরিস। ছেলেটি এক দৌড়ে দোকানে যেত, এক দৌড়ে আসত। সেই ছেলেটাই নাকি আজকের উসাইন বোল্ট।
♦ চাক নরিস তার ফ্রেন্ডদের সঙ্গে একদিন একটা জায়গায় বসে কার্ড খেলেছিল। সেই জায়গাটা আজ লাসভেগাস নামে বিখ্যাত।
♦ একদিন জানালা দিয়ে দেখল কিছু ছেলে ফুটবল খেলছে। একটা ছেলে উল্টাপাল্টা খেলছিল দেখে ধমক দিয়ে বসল চাক নরিস, ‘হেই...কী খেলছিস আলতুফালতু। ভালো করে খেল। ’ সেই ছেলেটা নাকি আজ লিওনেল মেসি নামে পরিচিত।
♦ প্রিয় বন্ধুদের নাম-ঠিকানা কম্পিউটারে একটা ফোল্ডারে লিখে রেখেছিল চাক নরিস। সেটাই নাকি আজ ফেসবুক নামে পরিচিত।
♦ বন্ধুদের কী খবর, জানতে ফেসবুকে একবার স্ট্যাটাস হিসেবে চাক নরিস লিখেছিল, ‘Whats on your mind?’ তাই আমরা ফেসবুকের স্ট্যাটাস দেওয়ার বক্সে সব সময় লেখাটা দেখি।
♦ নিজের ছোট মেয়েটাকে স্কুলে নেওয়ার জন্য দুজন গার্ড রেখেছিল চাক নরিস। তারা দুজন এখন নাকি মুভিটুভি করে। একজনের নাম নাকি আর্নল্ড শোয়ার্জনিগার আর অন্যজন সিলেভেস্টার স্ট্যালোন।
♦ দরকারি কিছু তথ্য ছোট একটি পকেট ডায়েরিতে প্রায়ই টুকে রাখত চাক নরিস। ওই ডায়েরিটা আজকের উইকিপিডিয়া।
♦ নিজের একটা ছাতা খোঁজার জন্য একদল লোক নিয়োগ করেছিল চাক নরিস। সেটা নাকি আজকের FBI।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now