বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
গল্পটা সত্যিই অদ্ভুত। ইবু কানা দাদুর কাছ গল্পটা শুনেছিল।
গ্রামের এক রাখাল পিঠা খাচ্ছিল। হঠাৎ সে কি করে একটা পিঠা মাটিতে লাগিয়ে দিল। তারপর দি দেখল পিঠার গাছ হয়েছে। আস্তে আস্তে পিঠার বড় হয়। রাখাল পিঠার গাছে উঠে পিঠা খায়। গাছের নিচে একদিন পিঠা খেতে এলো এক ডায়নি তার দাঁত ছিল তরমুজের বীজের মতো গল্পের অংশে কানা দাদু তার কালো দাঁত দেখায়।
ইবু, পলাশ আর রফিক কতবার যে এ গল্পটা শু তার ঠিক নেই। পলাশ আর রফিক গল্পটা বি করত। কিন্তু ইবু এসব একদম বিশ্বাস করত না।
একদিন পলাশ আর রফিক বাড়ির পেছনে পিঠে লা দিল। তেলের পিঠের গাছ। দুজনে রোজ সকাল বি পানি দেয়। দুদিন পর চারা গজাল। ওরা দুজন স খুশি!
ইবু পিঠে লাগালে গাছ হয় এ গল্পটা বিশ্বাস করত কিন্তু তার চোখের সামনেই হন হন করে একটা বড় হচ্ছে। কী মারাত্মক! কী মারাত্মক!
রফিক দাঁত উল্টিয়ে বলল, ‘পিঠা যখন ধরবে দেখবি, আমি আর পলাশ খাব। তোকে দেব না।’
পলাশ খিল খিল করে হাসে। বলে, ‘তারপর এ ডায়নি বুড়ি আসবে। গল্পের রাখালটা বোকা ডায়নি বুড়িকে পিঠা খেতে দেয় না।। তাই ডাইনি ওকে ভেড়া বানিয়ে দেয়। কিন্তু আমরা ডাইনি বু পিঠা খেতে দেব।’
ইবু চুপ করে শোনে। তার বিশ্বাসে ফাটল ধরে। লাগালে গাছ হয়। এটা তার মনে একটু একটু গেথে রফিক বলে, ‘ডাইনি বুড়িকে আমরা বাসায় নিয়ে ওকে গেমস খেলতে দেব। ও খুশি হবে। তারপর ভাব জমিয়ে রাক্ষসপুরীতে যাব। অনেক হীরে-জ আনব। আর আনব ডানাকাটা একটা লালপরী আর নীল পরী।’
‘একটা জাদুর বাক্সও আনব। সেই বাক্সে আম বয়স বন্দী থাকবে। আমরা কখনো বুড়ো হব না। তুই তো বুড়ো হয়ে যাবি। তোর চুলে পাক ধ তোর দাঁত পড়ে যাবে। কানাদাদুর মতো দাঁত কা হয়ে যাবে। ’পলাশ বলে।
ইবু মনে মনে ভয় পায়। সেও কেন তাদের সঙ্গে না। তাহলে তো তার বয়সটাও জাদুর বাক্সে থাকত।
দুই
পিঠের গাছটা বেশ বড় হয়েছে। প্রায় তিনফুট। গভীর রাতে চুপি চুপি পিঠের গাছটার নিচে দা কেমন প্যাচাঁনো গাছটা। দূর থেকে দেখলে সাপ হয়। সে গাছটা ধরে একটানে তুলে ফেলল। তারপ দৌড়।
তিন
পিঠের গাছটা মরে যাওয়ার রফিকের কিছু হয়নি। পলাশের আজ তিনদিন ধরে জ্বর। চারবার করেছে। কাদঁতে ওর চোখের নিচে কালি পড়ে গ ইবু মুখ কাচুমাচু করে ওর কাছে গেল।
পলাশ বিছানায় শুয়ে দিল। তাকে দেখেই মুখ ফি নিল। ইবু বলল, ‘বন্ধু, শোন। আমি জানি পিঠে লাগালে কখনো গাছ হয় না। রাক্ষস, লাল নীলপরী আছে এসব আমি বিশ্বাস করি না। তার তোদের গাছটা দেখে বিশ্বাস হয়েছিল।’
‘তুই আমার সাথে কথা বলবি না।’ ফুপিয়ে ফুপিয়ে পলাশ।
‘এই যে এদিকে দেখ।’
ইবু একটা পিঠা দেখাল। তারপর বলল, ‘তোর এনেছি। আয় দু’জনে মিলে লাগাই। আবার পিঠার হবে। কি বলিস?’
পলাশ কিছু বলল না। ফোকলা দাঁত বের করে হাস
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now