বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
মানিয়ে চলা শিখেছি ছোটবেলা থেকেই।
মিডল ক্লাশ ফ্যামিলির সন্তানেরা এই একটা জিনিসই খুব ভাল পারে কিংবা পারতে হয়।
টিফিনের জন্য আব্বার দেয়া দুই টাকা স্কুল থেকে ফেরার সময়েও প্যান্ট এর পকেটে ভাঁজ করে নিয়ে এসেছি। প্রতিদিন সকালে উঠে টাকা চাওয়ার অপরাধটাও মানিয়ে নিয়েছি। অংক খাতার দুই পাতা বাকি থাকতেই নতুন খাতা কেনার আবদারটাও করি নাই, মানিয়ে নিয়েছি।
পাশের বাসার ছেলেটার হাতে লাল আইসক্রিম দেখে অযথা হাত পা ছুড়ে কান্নাকাটি করি নাই, মানিয়েই নিয়েছিলাম।একসাথে দুটো স্কুল ড্রেসের আবদার ও করি নাই কখনো, পকেট খরচের জন্য আম্মার চোখের দিকে চোখ রেখে কথা বলি নাই কোনোদিন। হায়ার ক্লাশের ছেলেদের দেখি বাইক কেনার জন্য যখন ঘরে ভাঙচুর পর্যন্ত করে, আর স্কুলে হেটে যাই বলে আব্বা বলেছিল "সাইকেল লাগবে??" মাথা নিচু করে মানা করে দিয়েছিলাম, মানিয়ে নেয়াটার শিক্ষাটা ঐ পরিবার থেকেই পাওয়া।
ঈদ পোষাকের জন্য কখনো কাঁদি নাই,বাসায় টিউটর ছিল না বলে আক্ষেপ করি নাই,ভার্সিটির ট্যুর এর এত্তগুলা টাকা চাওয়ার সাহস হয় নাই, দামী মোবাইলের জন্য মায়ের আচল ধরে টানাটানি করি নাই।জীবনটা মানিয়ে চলেই পার করে দিচ্ছি।
মিডলক্লাশ বাবারা তাদের এই মিডলক্লাশ সন্তানদের নিয়েই গর্বিত।এই মানিয়ে যাওয়া সন্তানেরাই আছে বলে মিডলক্লাস জীবনে আপার ক্লাশ সুখগুলো বড্ড মানিয়ে নিয়েছে। স্ট্যাটাস মিডলক্লাশ, তবে গর্ব পাক্কা হায়ারক্লাস!!!
-- নাজিরুল ইসলাম নাদিম
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now