বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

মিশন অব রিভেন্জ(৪র্থ পর্ব)

"রহস্য" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান muntasir al mehedi (০ পয়েন্ট)

X ৪র্থ পর্ব!! লিজা আর রাহুল এখন শুধু বন্ধু নয়। তার চেয়ে বেশী কিছু। এখন তারা প্রায় সারাটা দিনই একে অপরের সাথে থাকে। আর ২দিন পর রাহুলের জন্মদিন। লিজা ভাবলো, রাহুলের জন্মদিনে সে রাহুলকে একটা সারপ্রাইজ গিফ্ট দিবে। যথারীতি রাহুলের জন্মদিন আসলো। রাহুল লিজাকে কখনো তার জন্মদিনের তারিখ বলেনি। রাহুল ভাবলো লিজাকে সে এখন তার জন্মদিনের কথাটা জানিয়েই দিবে। জানিয়ে প্রিয়তমার মুখের এক্সপ্রেশনটা দেখবে। রাহুল বিকেল ৪টার দিকে লিজাকে ফোন দিল। লিজা ফোন বাজার আগেই রিসিভ করে ফেলল যেন সে মোবাইল হাতে রেখেই রাহুলের ফোনের অপেক্ষায় ছিল। আসলেই তো তাই। লিজা রাহুলকে কিছু বলার সুযোগ না দিয়েই লিজা বলল আজ রাতে আমি তোমার বাসায় থাকবো। আমার আসতে আসতে রাত ৮ টা বাজবে। আর কিছু না বলেই লিজা ফোন কেটে দিল। রাহুল তো এই কথা শুনে পুরাই অবাক। সে ভাবতে লাগলো। মেঘ না চাইতেই বৃষ্টি। যে মেয়ে তার হাতটা পর্যন্ত ধরতে দেয়নি সে কিনা আজ আমার সাথে রাত কাটাবে। তাহলে আজই আমি আমার সেই কাঙ্খিত রাত পেয়ে যাবো। যার জন্য আমি ৮মাস যাবত অপেক্ষা করছি। রাহুল তো খুশিতে আত্নহারা। (কিন্তু সে তো জানে না আজ তার জন্য কি অপেক্ষা করছে।) পারছে না সে নাচা শুরু করে দেয়। রাহুল ফার্মেসি থেকে কিছু একটা কিনে এনে লিজার জন্য অপেক্ষা করতে লাগলো। কিন্তু রাহুলের সময় যেন যাচ্ছেই না। লিজার বাসা থেকে রাহুলের বাসায় যেতে আধ ঘন্টা লাগে। তাই লিজা ৭:২০-২৫মিনিট এর দিকে রাহুলের বাসার উদ্দেশ্যে বের হলো। কিন্তু রাস্তায় খুব জ্যাম থাকায় তার যেতে যেতে রাত ৮:১৫ বেজে যায়। রাহুলের বাসার গেট খুলা এবং ভিতরে অনেক ভীড়। লিজা ভাবলো হয়তো তার জন্মদিনের পার্টি হচ্ছে। ভীর ঠেলে ভিতরে যেতেই যেন লিজার মাথায় ছাদ ভেঙে পড়লো। রাহুল আত্নহত্যা করেছে। কিন্তু কেন করলো। কিছুই তার বুঝে আসছে না। লিজা রাহুলের এই অবস্থা দেখে নিজেকে সামলে রাখতে না পেরে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। পরদিন সকালেই লিজার জ্ঞান ফিরে। সে নিজেকে হাসপাতালের বেডে দেখতে পায় এবং সামনে অফিসার রবিনকে বসা দেখে। অফিসার রবিন লিজাকে জিজ্ঞাসা করেন :-এখন আপনার শরীর কেমন??? (অফিসার রবিন) :-জ্বী ভালো। (লিজা) :-রাহুলের ব্যাপারে আপনার সাথে কথা বলার ছিল। :-জ্বী বলুন। :-রাহুল আপনার কি হয়?? :-আমার বয়ফ্রেন্ড। :-কাল ঔ সময় আপনি সেখানে কেন গিয়েছিলেন??? :-কাল রাহুলের জন্মদিন ছিল। তাই আমার রাহুলের বাসায় থাকার কথা ছিল। লিজা লিজা আস্তে-ধীরে গতকালের সব কথাই খুলে বলল। :-আচ্ছা তাহলে আমি এখন আসি। দরকার হলে আবার আসবো। (অফিসার রবিন) :-জ্বী স্যার!! (লিজা) অন্যান্য অফিসাররা বলছে এইটা আত্নহত্যা কিন্তু অফিসার রবিন তা মানতে নারাজ। এতোটা মিল রেখে কেউ আত্নহত্যা করতে পারে না। জিসানের লাশ,যেভাবে ছিল, তার আত্নহত্যার পদ্ধতি যেমন ছিল রাহুলেরটাও একইরকম। পার্থক্য শুধু জিসানের রিভলবারটি তার নামে রেজিস্ট্রেশন করা ছিল কিন্তু রাহুলেরটি রেজিস্ট্রেশন ছাড়া। অফিসার রবিন সবাইকে বুঝিয়ে বলার পর তাকে মামলাটি তদন্ত করার জন্য অনুমতি দিয়েছে।। অফিসার রবিন এতোটুকু নিশ্চিত যে জিসান আর রাহুলের খুনি একজনই। কিন্তু কে সে??? তা অফিসার রবিন জানে না। তাই সেটাই তার জানতে হবে....................... চলবে..........(to be continue)


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮০ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now