বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
।। লাশঘর ।।
আজকে আমি যেই ঘটনাটি বলতে যাচ্ছি সেটি যেমন বীভৎস তেমনি ভয়াবহ ঘটনা ।ঘটনাটি বেশ এক বছর আগে একটি সংবাদ পত্রে প্রকাশিত হয়েছিল। সাংবাদিকের কাছে একজন ডোম ঘটনাটী বলেছিল।আমি তার ভাষায় ঘটনাটি
তুলে দিলাম। আমি যখন ডোমের চাকুরী পেলাম তখন আমাকে ওনেকেই বারন করেছিল ডোমের চাকুরী না করতে , কিন্তু আমি ছিলাম খুব সাহসী লোক আর বয়শে জোয়ান, মানুশের কথায় কি আর চাকুরী ছাড়া যায়? তাও আবার সরকারি চাকুরী!আমি কাজে সময় মত যোগ দিলাম।প্রথম দিনে শুধু দেখলাম ওরা কিকরে লাশ কাটে, দেখলাম লাশ কাটার আগে ডোমরা মদ খায়, আমি ভেবেসিলাম বুঝি পচা গন্ধ ভুলে থাক্তেই ওরা বুঝি মদ খায় আমি একথা বলাতেই সে হাশ্ল আর আমায় বলল ক্যানও খাই আস্তে আস্তে নিজেই বুঝে যাবে। আমরা ডোম সম্প্রদায়ের লোক হলেও আমি মদ খেতাম না।এভাবে বেশ কিছুদিন কেটে গেল। একদিন রাতে আমার ডিউটি ছিল আমার ওস্তাদ মানে আমার সিনিওর ডোম আমায় বল্ল রাতেঁ আলো জেলে রাখিস আর রাতে লাশ ঘরে ঢুকিশ না ।যাহক আমি সেই রাতে খেয়ে দেয়ে লাশ ঘরে চলে গেলাম। যে ঘরে লাশ থাকে সেখানয একটু উকি দিয়ে দেখে নিলাম সব ঠিক আছে কি না, দেখে নিয়ে দরজা বন্ধ করে পাশের রুমে চলে এলাম এবং আলো জ্বেলে সুয়ে পরলাম।সেরাতে আমার ক্যানও জানি ঘুম আসছিলনা আর মনেও ক্যানও জানি অস্বস্তি বোধ হচ্ছিল,একটু মনে হয় চোখটা লেগে এসেছিল এমন সময় হটাত কারেন্ট চলে গেল, সাথে সাথে চারিদিকে ঘুটঘুটে অন্ধকারে ছেয়ে গেল আর সেই সাথে অসহ্য গরমে ঘেমে নেয়ে উঠলাম, নাহ আর পারা যাইয় না এমন গরমে কিকরে ঘুমান জায়? উঠে বসলাথে। কেন যে একটা পাখা আনলাম না ভেবে নিজের উপরেই ভীষণ রাগ হচ্ছিল।উঠে বসলাম এমন সময় মনে হোল লাশ ঘরে কিশের যেন শব্দ হচ্ছে! ব্যাপারটা কি কোন শিয়াল কুকুর কি লাশ ঘরের আলগা জানালার ভিতর দিয়ে লাশ খাওয়ার জন্য ঢুকে পড়ল?এই ভেবে আমি অন্ধকারের মধ্যে হাতড়ে হাতড়ে আন্দাজে লাশঘরের দরজা খুললাম আর দেখলাম লাশঘরের জানালার কাঁচ দিয়ে চাঁদের আলয় ঘরটা আবছায়া আলয় ভরে আছে। আমার মনে পরে গেলো আজ একটি ফাঁসি নেয়া ৩ দিন আগের মরা ফুলে ওঠা বীভৎস এক মেয়ের লাশের কথা যে তার স্বামীর সাথে ঝগরা করে আত্তহত্তা করে। তার চেহারা এতয় বীভৎস হয়ে গেছিল যে আমরা পর্যন্ত সিউরে উঠে ছিলাম দেখে। কোমর পর্যন্ত কোঁকরা চুল তার ছরিএ আছে মাথার চার পাশে আর চোখ দু টি যেন কোটর ছেরে বাইরে বেরিএ আসছে আর তার লাল জিভটা আধহাত বেরিএ আছে, সেই সাথে দুই হাত দুটি উচু হয়ে আছে যেন সেই ভয়াবহ লাশ টা কারো গলা টিপে ধরবে এখুনি ।যে আমি কোনোদিন ভই কি বলে জানতাম না আর মদ খাওয়া ছারাই লাশ কাটতাম আবলিলায় সেই আমার মনে হোল আমার বুকের হৃতপিণ্ড জেন আমার গলার উপরে উঠে আসছে , আমি দেখ লাম সে জানালার কাছে দারিএ আছে পিছন ফিরে, তার কোমর পর্যন্ত চুল তার সাদা কাপরের উপরে পিঠের উপরে ছরিএ আছে । আমার আওয়াজ পেয়ে সে আস্তে আস্তে পিছন ফিরে দাঁড়ালো আর তার সেই ভয়াল চোখ দিয়ে আমার দিকে তাকাল ,হাত দুটী উঁচু করে তুলে ধিরে ধিরে আমার দিকে আস্তে লাগ্ল থপ থপ করে ,আর প্রতি পদখেপের সঙ্গে তার সেই আধহাত বেরিয়ে আসা জিভ দিয়ে টপ টপ করে রক্ত ঝরে পরতে লাগ্ল। এই বীভৎস দৃশ্য একলা লাশ ঘরে আমাকে ভয়ে অবশ করে ফেলল আমি যে ভয়ে চিৎকার করব ক্যানও জানি তা করতে পারসিলাম না, দউরে পালাব কিন্তু পা যেন অবশ হয়ে গ্যাছে । সে এদিকে সমানে আমার দিকে এগিএ আসছে, আজ বুঝি আমার আর নিস্তার নেই।কি করব আমি? সেই ভয়াবহ রাতে শুধু আমি একজন জিবিত মানুষ আর কেও নেই যে আমায় এসে বাঁচাবে।যখন সে আমার প্রায় কাছে চলে এল তখন জান বাঁচার সাধ তিব্র হয়ে উঠল আমি প্রানপনে চিৎকার করে অন্ধকারের মধ্যে দউর দিলাম , উদদেশস লাশ ঘর থেকে জেভাবেই হক বাইরে চলে আসা, কিন্তু ভিসন ভয়ে আমি তখন আন্ধকারে দিশেহারা, তাই আর দরজা খুজে পাচ্ছিলাম না এদিকে আমি আমার পিছনে ক্রমাগত সেই থপ থপ শব্দ সুন্তে পাচ্ছি জেন আজ আমার আর নিস্তার নেই সেই পিশাচিনির হাত থেকে। এভাবে দউরাতে দউরতে আমি আর স্নায়ুর ছাপ সহ্য করতে নাপেরে জ্ঞান হারালাম, তারপরে কি ঘটেছিল আমার আর মনে নেই, পরদিন আমাকে জ্ঞান হারা দেখে হাস্পাতালে পাঠান হয়, সেখানেই আমার জ্ঞান ফেরে । তারপরে বেশ কিছুদিন আমি রাতের সেই ভয়াবহ দ্রিসসের কথা ভেবে রাতে ঘুমাতে পারতাম না। আজও সে কথা ভাব্লে আমি ভয়ে সিউরে উঠী।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now