গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app
গল্পেরঝুড়ি ফানবক্স ! এখন গল্পের সাথেও মজাও হবে! কুইজ খেলুন , অংক কষুন , বাড়িয়ে নিন আপনার দক্ষতা জিতে নিন রেওয়ার্ড !

যাদের গল্পের ঝুরিতে লগিন করতে সমস্যা হচ্ছে তারা মেগাবাইট দিয়ে তারপর লগিন করুন.. ফ্রিবেসিক থেকে এই সমস্যা করছে.. ফ্রিবেসিক এ্যাপ দিয়ে এবং মেগাবাইট দিয়ে একবার লগিন করলে পরবর্তিতে মেগাবাইট ছাড়াও ব্যাবহার করতে পারবেন.. তাই প্রথমে মেগাবাইট দিয়ে আগে লগিন করে নিন..

সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান... জিজেতে আজে বাজে কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন ... অন্যথায় আপনার আইডি বা কমেন্ট ব্লক করা হবে... আর গল্প দেওয়ার ক্ষেত্রে গল্প দেওয়ার নিয়ম মেনে চলুন ... সার্বিকভাবে জিজের নীতিমালা মেনে চলার চেস্টা করুন ...

Rikra kurki

"অদ্ভুতুড়ে" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Md. Akash (০ পয়েন্ট)



আমি আকাশ। সামনে admission পরিক্ষা তাই খুব মন দিয়ে পড়াশোনা করছি। এত ব্যস্ততার মাঝেও একটা regular habit যেটা continue করে যাচ্ছি সেটা হল exercis. আমি মূলত গভীর রাতেই exercis করে থাকি। আর বলে রাখি আমি মূলত 5 তলা building এর চিলেকোঠাতে থাকি আমার একজন friend er sathe. ও এখন চাকরি করছে একটা হসপিটালে।তো আমার ওই friend one week ছুটিতে গ্রামের বাড়িতে গেলো একটা বিশেষ প্রয়োজনে। মূলত আমরা একসাথেই যায় but এবার আর আমার যাওয়া হল না। তো ও যাওয়ার পর সেদিন রাতে পড়তে পড়তে একটু রাত হয়ে গেলো। রাত তখন 1 টা বাজে প্রায়। আমি পড়াশোনা শেষ করে ডাম্বেলটা নিয়ে ব্যায়াম করছিলাম হঠাৎ বাইরে ছাদের ওপর কিছু একটা ধপ করে পড়ল। আমি কিছুটা ঘাবরে গেলাম কারন এত রাতে ছাদে কারও আসার কথা না। হঠাৎ রুমের দরজায় কেউ একজন নক করল আমি বললাম কে? অপাশ থেকে কোনো আওয়াজ পেলাম না। আবারো জিজ্ঞেস করাতে হঠাৎ একটা তীক্ষ্ণ আওয়াজ এল, রিকরা কুরকি। আমি কথার সুর শূনে বোঝলাম এটা কখনই মানুষ হতে পারে না। এসব ভাবতে ভাবতে বেশ কিছু সময় পার হয়ে গেল then আমি সাহস করে দরজা খূলে ছাদে গেলাম হঠাৎ মনে হলো আমার পিছনে কেউ একজন দাড়িয়ে আছে। কেমন যেন তিক্ষ একটা শব্দ হচ্ছে আমি পিছনে তাকাতেই কিছু একটা আমাকে ধাক্কা দিল আর আমি ছাদ থেকে পড়ে গেলাম যখন আমার sense ফিরলো আমি নিজেকে এক আশ্চর্য স্থানে আবিষ্কার করলাম। চারিদিকে নীল রঙের বরফের মত কিছু একটা পড়ছে। নিঃশ্বাস নিতে খুবই কষ্ট হচ্ছে। হঠাৎ দেখলাম কিছু একটা আমার দিকে এগিয়ে আসছে। সেই জিনিসটা আমি কোনোদিনও দেখি নি। পা গুলো ঠিক ক্যাঙ্গারুর মত বাকা আর লম্বা হাত অনেক লম্বা আর নখগুলো বেশ সরু। তার শুধু একটাই চোখ। নাক, কান কিছুই নেই। মুখের কাছে শুধু সুরের মত কিছূ একটা। সে আমার কাছে এসেই আমাকে কিছু একটা বলছে but তার তৈরি শব্দগুলো এতটাই তিক্ষ যে আমি সহ্য করতে পারছিলাম না। সে আমার হাত ধরে একটা স্থানে নিয়ে গেলো। আমি চারিদিকে অনেক বড় বড় machine এর মত কিছু একটা দেখতে পেলাম। এছাড়া একটা জিনিস দেখলাম যেটা দেখে আমার চোখ কপালে উঠে গেল। সেখানে ছোট ছোট পাত্রে লাল রক্ত। আমি ভাবলাম হয়তো আমার মতো কোনো মানুষের হবে। হঠাৎ প্রানীটা আমার হাতে কিছু একটা দিয়ে ছিদ্র করলো। বেশ ঠান্ডা অনুভব করলাম। 2 থেকে 3 মিনিট পরে অনেকখানি রক্ত নিয়ে ঐ জিনিসটা আমাকে কিছু একটা বললো কিন্তু আমি কিছুই বুঝলাম না। হঠাৎ অনেকগুলো ঔরকম দেখতে কিছূ লোক চলে এল। সবার চেহারাটা কেমন যেন চিন্তিত। সবাই এসে আমার রক্ত টুকু নিয়ে machine এ কি যেন করতে লাগলো হঠাৎ সবাই কেমন যেন আনন্দিত হয়ে গেল। আর সবাই মিলে বলতে লাগলো, "rikra kurki, rikra kurki.. হঠাৎ তারা একজন তাদেরই মত একজনকে নিয়ে আসলো আর আমার রক্তের কিছু অংশ তার শরীরে inject করে দিল। হঠাৎ দেখলাম তার শরীর ধূসর রঙ থেকে গাঢ় নীল হয়ে গেল। তারপর সবাই এসে আমাকে আবার কিছু বলতে লাগলো। তারপর তারা আমাকে নিল রঙের কিছু একটা দিলো আর ইশারা করে খেতে বললো। আমি সেটা খেলাম। but ঔই জিনিসটার স্বাদ আমি কিছুতেই বুঝতে পারলাম না। তারপর তারা আমাকে নিয়ে একটা নিল আয়নার মধ্যে ঢুকে গেলো। হঠাৎ আমি শুনলাম আমাকে কেউ ডাকছে, আকাশ, আকাশ তোর কি হয়েছে। তুই ছাদে শুয়ে আছিছ কেন। আমি আমার শরীর অনেক ফিট অনুভব করছি। আমি উঠে বসতেই আমার বন্ধু আমাকে দেখে চোখ কপালে তূলে বলছে দোস্ত তুই এ কি করেছিছ।। তোর six pack হলো কেমনে। আর এই সাতদিনে তুই কি করলি যে তোর এত গাঢ় pack হলো। আমি দেখলাম সত্যিই তো। হয়তো এটা ওই প্রানীদের দেয়া উপহার। আর আমি হঠাৎ বললাম তুই কি বললি সাতদিন মানে? আমার বন্ধু বললো আমি তো সব ছুটি শেষ করেই চলে আসলাম। আমি সব বুঝতে পারলাম। আমার বন্ধুকে আমি কিছুই বললাম না হয়তো ও হেসেই উড়িয়ে দিবে। তারপর আমি খুব সুন্দর ভাবে admission শেষ করলাম। রেজাল্ট দেখে আমি সহ সবাই অবাক হয়ে গেলাম। আমি 100 তে 100 markই পেলাম।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৩৮৪ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...