বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

উপকূলে সংঘর্ষ ১ম পর্ব

"রহস্য" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান আর.এচ জাহেদ হাসান (০ পয়েন্ট)

X আলীর গোয়েন্দা বাহিনীর তিন সদস্য ইমরান, রাহিম, রেজাউল । আক্রায় এসেছিল ওরা শত্রুর গতিবিধি ও পরিকল্পনা জানতে । এরই মধ্য অনেক তথ্য ওরা সংগ্রহও করেছে । দলনেতা ইমরানের কাছে এমন কিছু তথ্য এলো যা এখনি সুলতান নূরুদ্দিন জঙ্গী ও সুলতান আইয়ুবীকে জানানো দরকার । ওরা আক্রা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হলো, এমন সময় হঠাৎ নিখোজ হয়ে গেল রহিম। যখন রহিমের রিপোর্ট করার কথা, তখন সে না আসায় তাকে খুঁজতে গিয়েছিল ইমরান। গিয়ে জানলো, যে বাড়িতে সে থাকতো এবং তার মালিকের কাজ করতো সেখান থেকে তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। কেন রহিমকে বরখাস্ত করা হয়েছে এ প্রশ্নের কোন সদুত্তর দিল না কেউ। রহিমকে নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়ে গেল ইমরান। একজন গোয়েন্দা যে কোন সমস্যা প্রথমে তার দলনেতাকে জানাবে এটাই স্বাভাবিক, কিন্তু রহিম তা করেনি। কিন্তু কেন? তবে কি রহিম কোন বিপদে পড়েছে? ধরা পড়ে গেছে সে শত্রুর হাতে? কি হয়েছে তার? এসব অসংখ্য চিন্তা ঘুরপাক খেতে লাগলো ইমরানের মাথায়। কমান্ডার হিসেবে রহিমের সন্ধান নেয়া তারই দায়িত্ব। একবার ভাবলো, রেজাউলের সাথে যোগাযোগ করে। কিন্তু পরক্ষণেই মনে হল, পরিস্থিতি না বুঝে রেজাউলের সাথে দেখা করতে যাওয়াও এখন ঝুঁকিপূর্ণ। ফলে সে আর রেজাউলের ওখানে গেল না। ইমরান শংকিত হলো এই ভেবে, যদি রহিম গ্রেফতার হয়েই থাকে তবে তা মারাত্মক বিপদ ডেকে আনতে পারে। এই অবস্থায় চাপে পড়ে দুই বন্ধুর সন্ধান বলে দিতে পারে রহিম। তখন তাদেরও ধরা পড়তে হবে। এই চিন্তায় ইমরানকে অস্থির করে তুললো। একজন গোয়েন্দার ধরা পড়া বা মারা যাওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়, কিন্তু ভয় ও চিন্তার কারণ, সে তার অন্যান্য সাথীদের নাম বলে দিলে পুরো মিশনটাই ধ্বংসের মুখে পড়ে যায়। যে গোপন তথ্য সংগ্রহের জন্য তারা এখানে এসেছিলো, তা তাদের হাতে এসে গেছে। এখন যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এখান থেকে সরে পড়া দরকার। শেষ মুহূর্তে এসে এ ধরণের একটা সমস্যা পুরো মিশনকেই শেষ করে দিতে পারে। একদিকে আত্মরক্ষা করে নিরাপদে আক্রা থেকে বেরিয়ে যাওয়া, অন্যদিকে বন্ধুকে খুঁজে বের করার কঠিন দায়িত্ব- কোনটা করবে ইমরান? কিভাবে করবে? এক সুকঠিন দায়িত্বের বোঝা তাড়া করতে লাগলো ইমরানকে। সূর্য ডুবে যাওয়ার এখনও কিছুটা দেরী। রেজাউল আস্তাবলের বাইরে দাঁড়িয়েছিল। চারটি ঘোড়া এস আস্তাবলের মুখে থামলো। একজন আরোহী ঘোড়ার পিঠে লাশের মত একজনকে ফেলে রেখেছিল। তার সামনেই তাকে ঘোড়ার পিঠ থেকে নামানো হলো। নামানোর পর লোকটিকে দেখেই রেজাউলের শরীরের সমস্ত রক্ত ঠান্ডা হীম হয়ে গেল। এ লোক আর কেউ নয় তারই সহযোগী, বন্ধু রহিমের। তার হাত পিছমোড়া করে বাঁধা। আরোহীদের সবাইকে চেনে রেজাউল। সবাই অফিসার। রহিমকে নামানোর পর এক অফিসার রেজাউলকে ডাকলো। এই অফিসার রেজাউলকে বেশ পছন্দ করতো, তাকে ডাকতো ফ্রান্সিস বলে। অফিসারের ডাক শুনে বাস্তবে ফিরে এল রেজাউল। দৌড়ে গেল অফিসারের কাছে। কিন্তু তার পা তখন চলতে চাচ্ছিল না। সে ভাবছিল, তাকেও কি গ্রেফতার করা হবে। ‘এই চারটি ঘোড়া ভেতরে নিয়ে যাও।’ অফিসার রেজাউলকে বললো, ‘সহিসকে বুঝিয়ে দিয়ে এসে বন্দীকে ওই কামরায় নিয়ে চলো ।’ রহিমকে দেখিয়ে বললো অফিসার। রেজাউলকে যখন ফ্রান্সিস বলে ডাকলো, তখন সে ভাবলো, রহিম তাদের বিষয়ে এখনো কিছু বলেনি। এ খৃস্টান অফিসার এখনও তাকে সহিস ফ্রান্সিস বলেই জানে। এই ভেবে সে একটু সাহস ফিরে পেল। রেজাউল অফিসারকে জিজ্ঞেস করলো, ‘এই বন্দী কে? এ লোক কি চুরি করেছে?’ ‘এ বেটা সালাহউদ্দিন আইয়ুবীর গোয়েন্দা!’ তিরস্কারের ভঙ্গিতে বললো অফিসার, ‘ এখন এই গোপন কুঠুরীতে পড়ে গোয়েন্দাগিরি করবে। যাও, ঘোড়া নিয়ে যাও।’ এই ফাঁকে রেজাউল ও রহিম একে অন্যের চোখে চোখ রেখে গভীর দৃষ্টিতে তাকায়। চোখে চোখে কথা হয় তাদের। ধরা পড়লে চোখের ইশারায় কিভাবে কথা বলতে হবে সে সংকেত তাদের আগেই ঠিক করা ছিল। যদি কোনদিন এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়, পরস্পর কথাও বলতে পারবে না, তখন ইশারায় অন্যকে পালিয়ে যাওয়ার যে সংকেত দেয়ার কথা, রহিম রেজাউলকে সে সংকেত দিল। কিন্তু রেজাউল তার উল্টো অর্থ করে বসল। সে ভাবল, এখন পালিয়ে যাওয়ার সংকেত দেয়ার মানে হচ্ছে, রহিম আমাদের পরিচয় এখনো ফাঁস করেনি। ফলে সে পালিয়ে না গিয়ে রহিমকে উদ্ধার করার কোন সুযোগ সৃষ্টি হয় কিনা সে জন্য অপেক্ষা করার সিদ্ধান্ত নিল। যদিও এমন সিদ্ধান্ত নেয়ার মধ্য প্রচন্ড ঝুঁকি ছিল তবু সঙ্গীর কথা চিন্তা করে সে আর নিজেকে স্থির রাখতে পারলো না। কারণ সে জানতো, এ ধরা পড়ার মানে কি এবং এর পরিণাম কত ভয়াবহ হতে পারে। বন্দীশালায় একজন গোয়েন্দার ওপর কেমন উৎপীড়ন হয় তা তার অজানা নয়। সে জানে, উদ্ধার করা সম্ভব না হলে রহিমকে এখন মরতে হবে। কিন্তু মরাটাই বড় কথা নয়, এ মৃত্যু যে কত বড় যন্ত্রণাদায়ক সে কথা ভেবেই শিউরে উঠল তার শরীর। রেজাউল এও জানতো, রহিমকে এখন যে কামরায় রাখা হবে সেখান থেকে তাকে কোথায় নিয়ে যাওয়া হবে। o ইমরান গির্জা সংলগ্ন এক কামরায় অস্থির চিত্তে পায়চারী করছে আর চিন্তা করছে, রহিম নিখোঁজ হয়ে গেল কোথায়? এখন তাকে আমি কোথায় খুঁজে বেড়াবো? এমন সময় কামরার দরজা খোলার শব্দ শোনা গেল। রেজাউল প্রবেশ করলো ভেতরে। সে ভেতরে এসেই দরজা বন্ধ করে, ভীত কন্ঠে ফিসফিস করে বললো, ‘রহিম ধরা পড়েছে।’ সে যেমন দেখেছে ইমরানকে সব খুলে বললো। শেষে বললো, ‘সে এখনো আমাদের কথা কিছু বলেনি।’ ‘যদিও বলেনি কিন্তু টর্চার সেলে গেলেই বলে দেবে।’ ইমরান বললো, ‘সেই দোজখের নির্যাতনে মুখ বন্ধ রাখা সহজ ব্যাপার না।’ অবস্থা ভয়াবহ জটিল। এ অবস্থায় কি করা যায় তা নির্ধারনের দু’জনে পরামর্শে বসলো। তারা সিদ্ধান্ত নিতে পারছিল না। তারা এখনই বেরিয়ে যাবে, না রহিমকে মুক্ত করার চেষ্টা করবে? রেজাউল বললো, ‘আমাদের সামনে সংকটটি খুবই স্পর্শকাতর ও জটিল। এ মূহুর্তে সামান্য ভুল আমাদের জন্য মারাত্মক বিপদ ডেকে আনবে।’ ‘হ্যাঁ, তুমি ঠিকই বলেছো এবং একটা ভুল এরই মধ্য আমরা করেও ফেলেছি। ভুলটা হলো, আমরা একটু বেশী আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছি। গোয়েন্দা বিভাগের কর্মীদের অসীম ধৈর্য ও সহ্যগুণের প্রয়োজন। আবেগের বশবর্তী হয়ে কিছু করা আমাদের সাজে না।’ ‘যদি নিজেদের কোন সাথী বিপদে পড়? ‘যদি তাকে সাহায্য করতে গেলে অন্যদেরও ফেঁসে যাওয়ার ভয় থাকে, তবে তাকে সাহায্য করতে যাওয়া বোকামী। রেজাউল, আবেগের বশে চলার সময় এটা নয়।’ ইমরানের কথায় রেজাউলের আবেগে মোটেও ভাটা পড়লো না। সে জেদের সাথে বললো, ‘রহিমের মত সুন্দর ও সাহসী বন্ধুকে বন্দী রেখে আমরা পালাতে পারি না। তাকে মুক্ত করার চেষ্টা আমি অবশ্যই চালাবো।’ ‘অসম্ভব!’ ইমরান বললো, ‘এমন ভয়ঙ্কর সংকল্প ত্যাগ করো, নইলে আমরা উভয়েই বিপদে পড়বো। সবচে বড় কথা, যে তথ্যের জন্য আমরা এখানে এসেছিলাম, তা আমরা পেয়ে গেছি। সবার আগে এ তথ্য পৌঁছানো আমাদের জন্য ফরজ।’ রেজাউল বললো, ‘আমি যেখানে থাকি সেখানেই রহিমকে রাখা হয়েছে। ফলে তাকে মুক্ত করার একটা চেষ্টা করার সুযোগ আছে আমার। এ সুযোগ না থাকলে আমি কোন অনুরোধ করতাম না। আমাকে অন্তত একটা দিন সময় দাও, যদি এর মধ্যে সফল না হই তবে আমার আর কোন আফসোস থাকবে না। নইলে তার মৃত্যুর জন্য আজীবন কষ্ট হবে আমার।’ ‘কিন্তু তুমি কিভাবে একটা বাহিনীর মুখের গ্রাস কেড়ে নেবে?’ রেজাউল বললো, ‘আমি একা ঠিকই, কিন্তু সেখানে এরই মধ্য অনেকে আমার বন্ধু হয়ে গেছে। তাদের সাহায্য আমি পাবো। যদি তার কাছে একবার পৌছতে পারি, তবে তাকে মুক্ত করার পথ একটা পেয়েই যাবো আশা করি।’ ‘কিন্তু যদি ব্যর্থ হও, যদি নিজেও ধরা পড়ে যাও দুশমনের হাতে?’ ‘যদি আমি ধরা পড়ি, তুমি তাড়াতাড়ি বেড়িয়ে যাবে এখান থেকে। আমাদের মুক্ত করার জন্য বিন্দুমাত্র চেষ্টা করবে না। যে তথ্য পাচার করা সরকার সেই গোপন তথ্য সবই তোমার কাছে আছে। তুমি পালাতে পারলেই আমাদের মিশন সফল হয়ে যাবে। আমি রহিমকে ছাড়া যাবো না। ওর জন্য আমাকে ছেড়ে দাও।’ ইমরান আর কথা না বাড়িয়ে চুপ করে থাকল। রহিমের জন্য তার যে মায়া ছিল না বা কষ্ট হচ্ছিল না, তা নয়। কিন্তু কর্তব্য-চিন্তা তাকে কঠোর করে তুলেছিল। ইমরানকে দুর্বল হতে দেখে রেজাউল এবার বলল, ‘ঠিক আছে, আমার কথা শোন। রহিমের মুক্তির যদি কোন উপায় না দেখি, তবে রাতেই আমরা বের হয়ে যাবো। তুমি সজাগ থেকো, আমি তার খবর নিয়ে রাতের যে কোন সময় এসে তোমাকে রিপোর্ট করে যাবো। ওকে মুক্ত করার কোন সম্ভাবনা থাকলেই কেবল আমি অপেক্ষা করবো, নইলে তোমার সঙ্গী হবো।’ ‘ঠিক আছে, তুমি তাড়াতাড়ি ফিরে এসো, আমি ঘোড়ার ব্যবস্থা করে রাখছি।’ রেজাউল তার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে বেরিয়ে এল ঘর থেকে। রাস্তায় পথ চলার সময়ও তার মাথায় রহিমের মুক্তির চিন্তাই কেবল ঘুরপাক খাচ্ছিল। রহিমকে মুক্ত করা ছিল অসম্ভব ব্যাপার। সে কোন সাধারণ চোর ডাকাত ছিল না, সে ছিল এক রাষ্ট্রীয় অপরাধী। সেনানিবাসের কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বন্দী সে। কিন্তু রেজাউলের আবেগ তাকে দুঃসাহসী ও বেপরোয়া করে তুলল। আর সেই আবেগের বশে সে তার মূল দায়িত্বও ভুলে গেল। ইমরানের দায়িত্ব ছিল ঘোড়ার ব্যবস্থা করা। কিন্তু ঘোড়ার ব্যবস্থা করাও সহজ হলো না। পাদ্রীর বডিগার্ডদের ঘোড়া সেখানে থাকে ঠিকই, কিন্তু পাহারাদারদের দৃষ্টি এড়িয়ে সেখান থেকে ঘোড়া চুরি করা ছিল বলতে গেলে অসম্ভব। তখন পর্যন্ত রহিমকে কয়েদখানায় পাঠানো হয়নি। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে গোয়েন্দা বিভাগের দুই পাষন্ড অফিসারের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে। গোয়েন্দারা ধরা পড়লে তাদের কাছ থেকে তথ্য ও গোপন কথা আদায় করাই প্রথম কাজ হয়ে দাঁড়ায়। সবাই জানে, গোয়েন্দারা কখনও একা থাকে না, তাদের একটি সংঘবদ্ধ দল থাকে। একজন ধরা পড়লে তার কাছে থেকেই তার সাথীদের সন্ধান পাওয়া যায়। কি কি গোপন বিষয় সংগ্রহ করেছে জানা যায়। রহিমের কাছ থেকে এ সকল তথ্য আদায় করার জন্য তাকে এক কামরায় নিয়ে যাওয়া হলো। তাকে প্রশ্ন করা হলো, ‘একজন গোয়েন্দা হিসেবে অনেক গোপন খবরই তোমার জানা থাকার কথা। বলো, আমাদের কি কি গোপন খবর তুমি সংগ্রহ করেছো?’ রহিম উত্তরে বললো, ‘আমি তোমাদের কোন গোপন বিষয়ই জানি না।’ ‘বণিকের মেয়ের সাথে তোমার কেমন সম্পর্ক ছিল?’ ‘আমাদের দু’জনের মধ্য গভীর ভালবাসার সম্পর্ক রয়েছে।’ ‘রয়েছে নয়, বলো, ছিল। কখন তুমি আলিসাকে নিয়ে পালানোর পরিকল্পনা করো?’ ‘আলিসার বিয়ে এক বৃদ্ধ অফিসারের সাথে হতে যাচ্ছিল, সে কারণে সে বাড়ী থেকে পালিয়েছিল এবং আমাকেও সঙ্গে নিয়েছিল।’ .................চলবে.............. (বি:দ্র: কেমন লাগলো জানাবেন প্লিজ)


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯০ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ক্রুসেড-০৯: উপকূলে সংঘর্ষ - আসাদ বিন হাফিজ
→ উপকূলে সংঘর্ষ ৮ম পর্ব
→ উপকূলে সংঘর্ষ ৭ম পর্ব
→ উপকূলে সংঘর্ষ ৬ষ্ঠ পর্ব
→ উপকূলে সংঘর্ষ ৫ম পর্ব
→ উপকূলে সংঘর্ষ ৯ম পর্ব
→ উপকূলে সংঘর্ষ ১০ম পর্ব
→ উপকূলে সংঘর্ষ ১১শ পর্ব
→ উপকূলে সংঘর্ষ ৪র্থ পর্ব
→ উপকূলে সংঘর্ষ ৩য় পর্ব
→ উপকূলে সংঘর্ষ ২য় পর্ব
→ উপকূলে সংঘর্ষ ১ম পর্ব
→ উপকূলে সংঘর্ষ ১২শ পর্ব
→ উপকূলে সংঘর্ষ ১৩শ পর্ব
→ উপকূলে সংঘর্ষ ১৪শ পর্ব

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now