বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

তুমি তো শুধুই আমার (পর্ব৯)

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Eshrat Jahan (০ পয়েন্ট)

X ইভার এ কথা শুনে রনি হাসলো।ইভা বলল,"আপনাকে আজকে সুন্দর লাগছে।আপনার একটা পিক আকাবো।" "মন চাইলে আকাও।" "আমি খাতা পেন্সিল নিয়ে আসি।" ইভা খাতা পেন্সিল নিয়ে আসলো।রনিকে বলল,"একটু হাসুন।না না কান্না কান্না ভাব না না হৃদয়ে কষ্ট না না হাসুন।আরে না এমনি সাধারণ ভাবে থাকুন।ইস না মুচকি হাসুন।" রনি ভেবে পাচ্ছে না কি করবে।ভাবছে বিয়ের পরও কি পিক আকানোর জন্য এমন প্যারা করবে নাকি?এটা না ওটা।রনির রাগ উঠলো।ঠিকভাবে বলতে পারছে না ইভা।যাওয়ার জন্য উঠে দাঁড়ালো।পাও বাড়ালো।ইভা রনির যাওয়া দেখে অজান্তেই রনির হাত দুই হাত চেপে ধরে বলল,"যাবেন না।রাগ করবেন না।আমি আপনার পিক আকাবো।" ইভা খেয়াল করলো রনির হাত ধরেছে।ইভা হাত ছেড়ে দিলো।রনি ইভার দিকে তাকালো।কয়েক সেকেন্ড পর বলল,"ঠিক আছে।আমি এখানে দাঁড়ালাম।" ইভা রনির ফটো তুলে বলল,"বাহ।পিকটা তো নাইস হয়েছে।"তারপর রনিকে দেখালো।রনি পিক দেখে ভাবলো তোমার এই ধরনের আচরণ ভালোই লাগে।বিয়ের পরও এমন করো।রনি বলল,"আমি যাই।তুমি ওটা দেখেই আকাইও।" রনি চলে গেল।রনি চলে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই চিত্রা আর দীপা ইভার কাছে এলো।দীপা বলল,"হুমম।খুব রোমান্টিক।" চিত্রা বলল,"খুব ভাব জমিয়ে ফেলেছিস তো।যেহেতু ভালো লাগে সেহেতু বল বিয়ে করবি।" ইভা বলল,"বেশি কথা বলবি না।" এই বলে নিজের রুমে গেল।পরদিন ভার্সিটির মধ্যে রনির সাথে দেখা হলো ইভার।রনি ইভাকে দেখে বলল,"ইভা।তুমি কিছু বল না কেন বিয়ের ব্যাপারে?" "আসল কথা হলো।" "আসল কথা কি?" "আমি,আমি একজনকে ভালবাসি।আমি বিয়ে করলেই তাকে করবো।কিন্তু তাকে কখনো বলিনি ভালবাসি তবে সে আমাকে বলেছে।আমি তাকেই বিয়ে করতে চাই।আপনি প্লিজ।" এ কথা শুনে রনির হৃদয়টা কেমন যেন করে উঠলো।কষ্ট পেল খুব।তবুও একটা মুচকি হেসে বলল,"ও।এ কথা?তোমার যা ভালো লাগে তাই করবা।যাকে ভাল লাগে তাই করবা।সবকিছুই জোর করে নেওয়া যায় ইভা।কিন্তু হৃদয়ের দিক থেকে আসল ভালোবাসা জোর করে নেওয়া যায় না।তাই তোমাকে কিছু বলবো না।" এই বলে রনি অন্যদিকে যেতে থাকল।খুব কষ্ট লাগছে।চোখ দিয়ে অশ্রু বের হলো।রনি ভাবতে লাগলো যাকে সত্যিই অনেক ভালোবাসেছিল তাকেই পেল না। ইভাও ক্লাসে গেল। তিন মাস পর রনির আবারো মনে পড়তে থাকলো ইভাকে।ইভার কথা ভাবছে আর রাস্তা দিয়ে যাচ্ছে।আর রনি একসিডেন্ট করলো।দীপা ইভার কাছে এসে বলল,"ইভা।" "কি?" "ইভা রনি।" "রনির কি হয়েছে?" "রনি একসিডেন্ট করেছে।অবস্থা খুব খারাপ।" ইভা এ কথা শুনেই রনির কাছে গেল।রনির কাছে যেয়ে দেখলো আসলেই রনির অবস্থা খারাপ।ইভা রনিকে ডাক দিল।রনি চোখ খুলে দেখলো ইভা।ইভাকে দেখার সঙ্গেই সঙ্গেই রনি অস্থির হয়ে গেল।ইভা বলল,"আহ।এত অস্থির হচ্ছেন কেন?আমি তো এসেছি।সত্যি করে বলুন তো কেমনে একসিডেন্ট করলেন?" রনি ইভার দিকে তাকিয়ে বলল,তোমার কথা ভাবছিলাম আর রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলাম।" ইভা বলল,"আপনি কি পাগল নাকি?" রনি মাথা নিচু করলো।তারপর বলল,"জানি না।" "আরে পাগল আমি মিথ্যা বলেছিলাম।আমি ভালবাসি সে আর কেউ নয়।সে হলো প্রত্যাশা আল ইমরান রনি।" রনি তার নাম শোনার সঙ্গেই সঙ্গেই ইভার দিকে তাকিয়ে বলল,"কি?" "হ্যা।আপনাকে এমনি বলেছিলাম।আমি কি বলেছি আপনাকে কি করতে পারবো না?আমি তো বলেছি আমি তাকে ভালবাসি তাকে সেটা বলিনি কিন্তু সেতো বলেছে।সব ঠিক বলেছি।আপনাকে প্ৰথম প্ৰথম ভালো লাগেনি।কিন্তু পরে ঠিকই ভালো লাগতে থাকে।" "ওহ তাইতো বলি একসিডেন্ট করে অবস্থা খারাপ হওয়া সত্ত্বেও কেন বেঁচে আছি।তোমার জন্য বেঁচে আছি।" "আপনার কথায় কথায় খালি দুষ্টমী।"


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১২০৫ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now