বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
----->স্বপ্নটা যত বড় করা যায় তাকে তত বড় করো কারণ একদিন তুমি সপ্নের জন্য অনেক বড় হবে।সপ্নটা যত বড় হবে তুমি তোমাকে সেই জায়গার কাছাকাছি নিয়ে যেতে পারবে। আবার এমণ সপ্ন করো না যেটা পুরণ হওয়ার সম্ভবনা নেই। কারণ তখন কান্না ছাড়া কিছু করার থাকবে না,,,মূল গল্পে আসা যাক,,,,,
.
আজ স্কুল লাইফের একটা আন্দের দিন। হঠাৎ মনে হলো এতো সুন্দর কেন দিন হলো কারণ এই দিনটা তো অন্য দিনের চেয়ে আলাদা। চোখে মূখে তকনো দুষ্টামীর আমেজ। বন্ধুরা মিলে লাফালাফি করতেছি।
.
হঠাৎ কিছু একটা দেখে চোখটা আটকে গেল।হঠাৎ আমাদের অনুষ্টানের পরী আসলো কোথায় থেকে..? পরী বল্লে ভুল হবে। এতো হলুদ পরী কারণ হলুদ কাপড় পরে হলুদ পরীর মত লাগতেছে।
.
মেয়েটির দিকে থাকিয়ে নিজেকে আর ধরে রাকতে পারলাম না। একটি মেয়ে এতো মায়াবী হতে পারে এতো সুন্দর করে হাসতে পারে আমার জানা ছিলো না।তাইতো প্রথম দেখাতে তার প্রেমে পড়ে গেছিলাম।
.
সেদিন সারাক্ষন তার দিকে থাকিয়ে দিনটা কাটিয়ে দিলাম। শেষ হয়ে গেল দুষ্টামীটা। সবাই চলে যাচ্ছে তখনো আমি নীল পরীটার দিখে থাকিয়ে আছি। সেও হয়তো টের পেয়েছিলো, নয়তো আমার দিখে থাকিয়ে সে মিট মিট করে হাসছিলো কেন,,মাঝে মাঝে চোখের রংটা পরিবর্তন করতে লাগলো মানে রাগ রাগ ভাব দেখাতো লাগলো। বন্ধুরা ও কিছুটা বুঝতে পারলো তারা শুরু করে দিল হারামী গীরি তাদের হারামী গিরিতে তাকে কোথায় যেন হারিয়ে ফেল্লাম সে চলে গিছিলো হয়তো।
.
আমার এক বন্ধু কে তার কথা বল্লাম। সে নাকি মেয়েটা কে চিনে,,আমি বন্দু রহিমকে ঠিকানা নিয়ে দাতে বল্লাম,,,সে মেয়ে চিনতো।তাই খুব একটা কষ্ট হয়নি।
.
তার কাছ থেকে সব কিছু জেনে নিলাম। তাদের বাড়ি আমাদের থেকে খুব দুরে ছিলো না । তাই তাকে প্রতিদিন দেকতে যেতাম বিকেল বেলা।
.
আমি তারপর তার সাথে ভাব জমাতে থাকলাম। বন্দু রহিমকে সব সময় আমার কাছে পেতাম। তাই তার কাছ থেকে মেয়েটার সব অভাবের কথা জানতে পারতাম।
.
যদি ও মেয়েটার কোন অভাব ছিল না কারণ তার বাবা বিদেশে থাকতো।এরেই মাঝে বুঝতে পারলাম সে আমার প্রতি দুর্বল হয়ে যাচ্ছে।
.
তাপর কিছুদিন তাকে চোখে চোখে রাকতে লাগলাম।কয়েক দিন পর রহিম কে বলে তাকে একটা মোবাইল কালেক্ট করে দিলাম। তার পর চলতে থাকে আমাদের প্রেমের এক নতুন অধ্যায়।
.
চলতে থাকে খুনসুটি। মিষ্টি দুষ্ট প্রেমের রাম্যকথা। যখন সে বলতো এখন আসবে আমার বাডি তখনই চলে যেতাম তার বাড়ি।তার বাড়িতে যেতে আমার কোন প্রবলেম হতো না কারণ তাদের সাথে আমার একটা সুসম্পর্ক ছিলো।তাই সবার সাথে আমার যোগাযোগটা ছিল খুব সু-ব্যবস্তা।
.
চলতে চলতে ২ টা বছর কেটে গেল।প্রেমটা ও গভীর হতে লাগলো।সবই যত বাড়তে থাকে আমার চিন্তা কারণ পরিবারের কাছ থেকে জানা গেল তাকে নাকি বিয়ে দিবে SSC পরিক্ষার পর,,,, তাই মনের বিরুদ্ধে মনকে কষ্টের ভীতর চেপে রেখে তার সাথে কথা বলতে থাকি দিনের পর দিন,,,, তার মায়ের সাথে কথা বলতে থাকি দিনের পর দিন।
.
কিন্তু আমার কষ্ট গুলা জানে আমার রাতের অন্ধকারের শুইয়ে থাকার চাদর আর বালিশ। কষ্টের জীবন টা কি কখনো শেষ হবে না।
.
এখন দিনে প্রায় ৪ টা ঘুমের ঔষুধ না হলে চলে না,।আচ্ছা তুমি কি করে আসাকে ভুলার কথা ভাবো,,। তুমি কি আমাকে ভুলে থাকতে পারবে,,..??
.
কিন্তু যদি ভুলে থাকতে পারো সেদিন তুমি যে বলে ছিলে যদি মরতে হয় এক সাথে মরবো যদি বাচতে হয় এক সাথে বাচবো সেটার কি হবে,,??
.
আমি তো জানতাম তুমি কখনো মিথ্যা বলতে না,.। কখন তুমি মথ্যা কথা গুলো শিখলা জানতে খুব ইচ্ছে করে।আচ্ছা তুমি কি তোমার বাবা-মা কে বলে আর ৩ টা বছর অপেক্ষা করাতে পারতেছো না,,??
নাকি ওই বিয়েতে তোমার ও মত আছে,,?/
.
যদি সেই বিয়ে মত থাকে তাহলে তোমার মনটা কি ওর কাছে যাবে বলে তুমি মনে কর,,,? যদি তার কাছে মনটা না যাই তাহলে ওর.
কাছে কিভাবে সুখে থাকবে,?
.
তুমি যদি সুখি থাকো তাহলে আমার কোন কষ্ট থাকবে না,,। কারণ আমি সব সমই চাই তুমি সুখে থাকো ভাল থাকো।কিন্তু যানো অনেক কষ্ট হবে।
.
কষ্ট হলে ও কি করবো বল,,?
জীবন তরী তোমায় দিয়েছিলাম আমি চাই না আমার তরীটা অন্য কেউ চালক হোক। কারণ যানো তো দুই চালকের জিনিস/গাড়ি গুলো এক্সিডেট করে।
.
এখনো তোমার অপেক্ষায় আছি।তুমি ফিরবে কি আমার বুকে,,,?
তোমার অপেক্ষায় এই অবুঝ বালক,,,,,"""!""
.
গল্পটা আমার এক বড় ভাইয়ের জীববন থেকে নেওয়া,,,,,।
.
কেমন হয়েছে জানাবেন গল্পটা পড়ে তাহলে পরের গল্পটা পোষ্ট করতে চেষ্টা করবো,,,।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now