বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
(১)
- আবাগীর বেটির গায়ে চর্বি জমছে। বইয়া বইয়া খাইতে খাইতে কাম করতে আর ভালা লাগে না। কামে না গেলে তর মরা বাপ আইয়া দানার জোগাড় দিবো রে নবাবের বেটি?
কথাগুলো তরুকে লক্ষ্য করে বলা। তরুর মা প্রতিদিন সকালে তরুর উদ্দেশ্যে এই ধরণের বাক্যের কামান দাগান। তরু কথাগুলো এক কান দিয়ে ঢুকিয়ে অন্য কান দিয়ে বের করে দেয়। এসব কথা ধরলে তার চলবে না। তাকে এখন দোকানে যেতে হবে চাল কিনতে। সেই চালে ভাত রান্না হবে, দুটো খেয়ে তাকে গার্মেন্টসের দিকে দৌড় লাগাতে হবে। দুপুর বেলার খাওয়াটা তরুর ভালোই হয়। তাদের মালিকটা বেশ ভালো মানুষ। সব কর্মীদের দুপুরের খাবার ওখান থেকেই দেওয়া হয়। নিজের ঘরের তেল-নুন ছাড়া খাবারের তুলনায় দুপুরের ওই খাবার তার কাছে পোলাউ-কোর্মা। তরু নিতান্তই বাচ্চা একটা মেয়ে। একবেলা ভালো খাবারের নিশ্চয়তা তার কাছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। তরুকে প্রথম গার্মেন্টসে পাঠায় ওর মা এই খাবারটার লোভ দেখিয়েই।
গত দুদিন যাবত তরুর শরীরটা খুব খারাপ। জ্বর আর ভীষণ গায়ে ব্যাথা। মাসের শেষ বলে ডাক্তার দেখানোর সুযোগ হয়নি। দুটো দিন কাজে কামাই দেওয়া হয়ে গেছে। দুদিনের বেতন কাটা যাবে তার। তার ওপর উপস্থিতি ভাতাটাও এ মাসে আর পাওয়া হবে না। একারণেই তরুর মা সকাল থেকে গজগজ করছেন।
তরু চুলা থেকে একখন্ড কয়লা নিয়ে দাঁত ঘসতে ঘসতে কলপাড়ে গিয়ে দাঁড়ালো। দশটা পরিবারের জন্য একটা নলকূপ। সারাদিন এ বেচারা সীমাহীন পরিশ্রম করে। তাই কিছুদিন পরপর কলকব্জা বিগড়ে যায়। গত প্রায় সাতদিন নষ্ট থাকার পর গতকাল বাড়িওয়ালা চাচা কল ঠিক করে দিয়েছেন এবং যাওয়ার সময় হুমকি দিয়ে গেছেন- এবার নষ্ট হলে ভাড়াটিয়াদের নিজের খরচে ঠিক করতে হবে। কলটা আজ তাই প্রধান অতিথির সম্মান পাচ্ছে।
এই সেমি বস্তির খুপড়ি খুপড়ি টিনের ঘরগুলোর তুলনায় কলপাড়টা তরুর বেশ পছন্দ। বিচিত্র স্বভাবের মানুষ দেখতে পাওয়া যায়। প্রত্যেকেই প্রায় জীবন যন্ত্রনায় অস্থির। তবুও সামান্য বিষয়ে আধিপত্য খাটানোর কি প্রানান্তকর চেষ্টা……
আজকের ঝগড়াটা বেঁধেছে কলিমের মা আর বউ এর মধ্যে। কলিমের বউটার বয়স মেরে কেটে পনেরো ষোল, তরুর সমবয়সীই। কিন্তু তার গলার তেজ শুনলে তাকে বাচ্চা ঠাওরাবার জো নেই। আর কলিমের মা তাৎস্বরে চেঁচিয়ে প্রমান করার চেষ্টা করছে তার ছেলের বউটা কতটা অপয়া।
-তর, তর লাইগাই আমার পোলাডার এই অবস্থা। আগে আমরা মায়ে পোলায় কত শান্তিতে ছিলাম। তরে বিয়া করার পর থেইকাই আমার পোলাডা বদলায়া গেছে। কামে যায় না, সারাদিন তর পিছে পিছে ঘুরে। বউ পাগলা সাজছে। কি জাদুটোনা করসস আমার পোলারে? আমার এত সুন্দর সংসারটারে নাশ করছে। মরতে পারস না তুই?
-ক্যান। আমি মরুম ক্যা? আপনে মরেন। বুইড়া হইছেন, এইবার ক্ষ্যান্ত দেন। সারাদিন পোলা আর পোলার বউএর দিকে নজরদারি করেন, আপনের শরম লাগেনা? এত সুখের গরম দেখাইয়েন না। আমিও ফইরের ঘর থুন আইনাই। বিয়ার সময় আমার বাপে বিশ হাজার টেকা দিছে, ভুইলা গেছেন? আর পোলা নিয়া এত গরম ক্যান আপনের? বেকার পোলা, তার মায়ের আবার কত দেমাগ। খান তো আমার কামাই। আমি একবেলা কামে না গেলে উপাস পাইরা মরবেন।
-তুই আমারে খাওয়ার খোটা দেস? অ কলিম, দেখ তর সোহাগের বউ আমারে খাওয়ার খোটা দেয়। আরে, আমার পোলা কি আগে বেকার ছিল নি? তর কুফা লাইগাই তো দুই মাস কাম ছাড়া বইয়া আছে। কলিম রে, খাওনের খোটা হুননের আগে আমার মরণ হইল না ক্যান রে বাপ??
তরু তাড়াতাড়ি মুখটা ধুয়ে নিজের ঘরে ফিরে এলো। কলপাড়ে থাকাটা এখন সুবিধাজনক না। কলিম এখনই বের হয়ে এসে দু’ঘা লাগিয়ে দেবে। কলিমের বউ পেটানো স্বভাব আছে। অবশ্য এখানকার কেউই ব্যাপারটা তেমন গায়ে লাগায় না, এমনকি কলিমের বউও না। এসব আলতু ফালতু ব্যাপার গায়ে লাগালে তাদের চলেও না।
খেতে বসেই তরুর মেজাজটা খারাপ হয়ে গেলো। দুদিনের জ্বরে মুখটা তেতো হয়ে আছে। তার ওপর ফ্যাকাশে, স্বাদহীন তরকারী। ভাতগুলো গলা বেয়ে নামতে চায়না তরুর। কোনমতে খেয়ে তাড়াহুড়ো করে তৈরী হয়ে বের হয়ে গেল বাসা থেকে। আজ বেশ সাজগোজ করেছে সে। গত ঈদে কেনা নতুন জামাটা পড়েছে। এই জামাটা তরু সহজে পড়ে না।
তরুর মা সামান্য অবাক হলেও কিছু বললেন না। তিনি জানেন, কিছু কিছু ব্যাপার দেখেও না দেখার ভান করতে হয়। কয়েকদিন ধরে একটা ছেলের সাথে তরুর ভাব হয়েছে। ওর গার্মেন্টসের সামনেই একটা গ্যারেজে চাকরী করে ছেলেটা। তিনি সামান্য খোঁজখবর নিয়েছেন। ছেলে খারাপ না। যদি কোনভাবে বিয়েটা হয়ে যায়, মন্দ হবেনা। আজকাল মেয়ের বিয়ে দেয়া বেশ খরচের ব্যাপার। তিনি নিজে মানুষের বাসাবাড়িতে কাজ করেন। তার আর তরুর ইনকাম মিলিয়ে ঘরভাড়া আর নিজেদের ভরনপোষণ মোটামুটি হয়ে যায়, কিন্তু ভালোভাবে মেয়ের বিয়ে দেবার সামর্থ্য তার নেই। এর চেয়ে যদি এভাবেই মেয়েটার একটা সংসার হয়, তবে হোক না।
(২)
তরু আজ খুব আনন্দে আছে। দুদিন যাবত বেলালের সাথে দেখা হয় না তার, আজ দেখা হবে। জ্বরটা ভালোই যন্ত্রণা দিয়েছে। বেলাল তাকে বেশ পছন্দ করে। আকারে ইঙ্গিতে ব্যাপারটা সে সেটা তরুকে বোঝানোর প্রানান্তকর চেষ্টা করে। তরু মনে মনে খুশী হলেও এত তাড়াতাড়ি সেটা বেলালের কাছে প্রকাশ করতে চায় না সে। ছেলেদের এত সহজে বিশ্বাস করতে নেই। গত বছর তার প্রাণের বান্ধবী রাণুর অবস্থা দেখেই তরু সাবধান হয়ে গেছে। ভালোবেসে বিয়ে করেছিলো রাণু। বিয়ের দুমাস পরেই ওর স্বামী ওকে ফেলে রেখে চলে গেছে। অনেকদিন নানা জায়গায় খোঁজার পর মাস দুয়েক আগে রাণু তার খবর পেয়েছে। ওই লোকের আগেও দুটো বউ আছে। রাণু তবুও স্বামীর সংসার করতে চেয়েছিলো। কিন্তু তার আগের দুই বউ এসে রাণুকে শাসিয়ে গেছে, বেশী বাড়াবাড়ি করলে মামলা করে জেলে পুরে দেবে নাকি।
তরু এইসব থানা পুলিশ অনেক ভয় পায়। পুলিশের যন্ত্রণায়ই তাদের আগের বাসাটা ছাড়তে হয়েছিলো। ওদের পাশের চালাটার ছেলেটা হিরোইনের ব্যাবসা করতো। কোন কোনবার তার পুলিশের হপ্তা দিতে দেরী হলে ওরা ওই বাসায় তো বটেই, তরুদের বাসায় এসেও ঝামেলা করতো। আজেবাজে ইঙ্গিত দিতো। তরুর মা পুলিশের সাথে ঝামেলায় না গিয়ে বাসাটাই বদলে ফেলেছেন। নতুন করে তাই তরু পুলিশের ঝামেলায় জড়াতে চায় না। বেলালের ব্যাপারে নিশ্চিত না হয়ে কোন সিদ্ধান্ত নেবে না সে।
-তরু বেগম, রাস্তার দিকে তাকায়া থাকতে থাকতে আমার চোখে তো ঘা হয়া গেলো। কই ছিলা তুমি এই দুই দিন?
-ছিলাম একখানে। আপনেরে রাস্তার দিকে তাকায়া থাকতে কইছে কে? আপনের আর কাম নাই?
-কেউ কয় নাই। আমি মনের টানে তাকায়া থাকি। আর তুমারে না দেখলে কি কামে আমার মন বসে?
-মন না বসলে মনরে জোর কইরা বসান। আমার দেরী হইয়া যাইতেছে, আমি এখন যাই।
-যাওয়ার আগে একটা জরুরী কথা কইয়া যাও। তুমার এই তরু নামটা কে রাখছে? ভদ্দরলোকের মাইয়াগো মতন নাম। কি সুন্দর!! মনে কয় সারাদিন এইটাই কইতে থাকি, তরু তরু……
এই প্রথম নিজের বাবার একটা কাজে তরু খুব আনন্দিত হলো। কারণ তরু নামটা তার বাবা রেখেছিলেন। মানুষ হিসেবে তিনি খুব নিম্ন মানের ছিলেন। সারাদিন মদ গিলতেন, আর রাতে এসে তরুর মাকে পেটাতেন। সে কী ভয়ঙ্কর মার, এক একদিন তরুর মনে হতো মার খেতে খেতে তার মা বুঝি টুপ করে মরে যাবে। তরু তার বাবাকে খুব ভয় পেত, পারতপক্ষে তার সামনে আসতো না। তরুকে এই ভয় থেকে মুক্তি দিতেই কিনা কে জানে, তিনি নিজেই একদিন হঠাৎ করে মরে গেলেন। বাবার মৃত্যুতে তরুর তেমন কষ্ট হয়নি। কিন্তু তার মা ভিষণ কান্না করেছিলেন। নাওয়া খাওয়া ছেড়ে দিয়ে সারাদিন পাগলের মতো কাঁদতেন। মায়ের কান্না তরুর ছোট্ট মনকে খুব বিচলিত করেছিলো। সে ভাবতো, বাবা মরে যাওয়াতে সবচেয়ে আনন্দ তার মায়ের হবার কথা। তাকে তো আর অকারণে মার খেতে হবে না!!
সে প্রায় অনেক কাল হয়ে গেলো। এখন তরুর আর বাবার কথা মনেও পড়েনা। আজ অনেক দিন পর বেলালের কথা শুনে তার বাবার কথা মনে পড়েছে। এবং আশ্চর্যজনক ভাবেই আজ সে তার মায়ের কান্নার কারণটা ধরতে পারলো। এটাকেই বোধহয় ভালোবাসা বলে। যে ভালোবাসার টানে সে জ্বর গায়ে সেজেগুজে বেলালের কাছে ছুটে আসে, সে টানেই বোধহয় তার মা পড়ে পড়ে মার খাওয়ার পরও ওই মাতাল মানুষটার হারিয়ে যাওয়া সইতে না পেরে ওভাবে কাঁদতো।
(৩)
আজকাল প্রায় সন্ধায় ছুটির পরেই তরুর বাড়ি ফিরতে ফিরতে দেরী হয়ে যায়। বেশ কয়েক বার প্রশ্ন করেও তরুর মা তরুর কাছ থেকে সন্তোসজনক কোন উত্তর পান নি। তিনি যে কিছুই বোঝেন না, তা না। তবুও হঠাত করে তরুর এই পরিবর্তন তিনি ঠিক মেনে নিতে পারছেন না। চারিদিকে নানা বিপদ ওৎ পেতে থাকে। গরীব ঘরের মেয়ে, গায়ে একবার কোন দাগ লাগলে তা থেকে উদ্ধার পাওয়ার কোন উপায় তার জানা নেই।
তরু ভেবে পায় না, সত্যিই কি তার জীবনে এত সুখ ছিলো? তার প্রতি বেলালের সীমাহীন আগ্রহ তরুকে কেবল মুগ্ধই করে। মা মেয়ের ছোট্টো নুন আনতে পান্তা ফুরানোর সংসারে এত আবেগের ছড়াছড়ি তরু কখনো কল্পনাও করেনি। বেলালের ভালোবাসায় তরু সেই কল্পনা কে বাস্তবের আয়নায় দেখছে। নিজের ভাগ্যের কথা ভেবে তরু মাঝে মাঝে অবাক হয়ে যায়…
তরুর বিশ্বাস হচ্ছে না, তার সাথে এমন একটা ঘটনা সে কিভাবে ঘটতে দিলো!! এত বড় একটা অঘটন সে সামাল দেবে কিভাবে? দুদিন ধরেই মা সন্দেহ করছিলো। আজ চেপে ধরে জিজ্ঞাসা করতেই সে সবকিছু মায়ের কাছে স্বীকার করে নিয়েছে। মা প্রচন্ড মেরেছে তাকে। ঠোঁট চুইয়ে চুইয়ে রক্ত পড়ছে ওর। আবার বমির দমকে গা গুলিয়ে উঠতেই তরু কলপাড়ের দিকে দৌড় লাগালো। তরুর মা অবিশ্বাস ভরা চোখে মেয়ের গমনপথের দিকে তাকিয়ে আছেন……
দুদিন ধরে তরু বেলালকে কোথাও খুঁযে পাচ্ছে না। ওর গ্যারেজের কেউ বলতে পারছে না সে কোথায় গেছে। তরুর পৃথিবীটা অন্ধকার হয়ে আসছে। এই সেই বেলাল যে তরুর মুখ থেকে একটা হ্যা শোনার জন্য সব কিছু করতে পারতো,অথচ ওই দিনকার ঘটনাটার পর থেকেই সে তরুকে এড়িয়ে চলা শুরু করে। নিজের ভেতরে নতুন একটা জীবনের স্পন্দন টের পাবার পর তরু যখন ব্যাপারটা বেলালকে জানায়, সে সাফ মানা করে দেয় এখন সে তরুকে বিয়ে করতে পারবে না। তারপর তার এই উধাও হয়ে যাওয়া। তরু কিছুতেই নিজেকে বোঝাতে পারছে না, এমনটা কেন তার সাথেই ঘটলো!!
আজকাল তরুর শরীরটা সারাক্ষণই খারাপ থাকে। সারাদিন হাড়ভাঙা খাটুনী, সেই সাথে তাকে ঘিরে শেষ না হওয়া ফিসফাসে তরু ভিষণ ক্লান্ত। গার্মেন্টস থেকে ফেরার পর কোনদিকে আর তাকাতে ইচ্ছে করেনা। সামান্য ভাত মুখে গুজেই শুয়ে পড়ে। আজও সদর দরজাটা ঠেলে ভেতরে ঢোকার পরই শুরু হয়ে গেলো কানাকানি। তরুর আর ভালো লাগেনা এসব। মাটির দিকে চোখ দিয়ে অসংখ্য বিদ্রুপ গায়ে মেখে নিজের ঘরে ঢুকে পড়ে সে। বাড়িওয়ালা চাচা বিছানায় বসে মায়ের সাথে কথা বলছে। ওদের কিছু না বলে ঘরের কাপড়ের দিকে হাত বাড়াতেই তরুর মা তরুর হাতে একটা লাল শাড়ি ধরিয়ে দেন। হতভম্ব তরুকে তার মা যা বললেন, তার সারমর্ম করলে ঠিক এমনটা দাঁড়ায়--
“তরুর সাত জনমের ভাগ্য, তার উপর বাড়িওয়ালার সুনজর পড়েছে। তিনি সব জেনে শুনেই তরুকে বিয়ে করতে চান। আগের বউটা মারা যাবার পর থেকে তার বাড়িটা খা খা করে। ছেলেরা সব বিয়ে করে বউ নিয়ে আলাদা থাকে, মেয়েরাও তাদের সংসার নিয়ে ব্যস্ত। তরুর উপর কতৃত্ব করার কেউ নেই, তরু সেখানে রাজরাণী হয়েই থাকবে”
পুরো ব্যাপারটা বুঝে ওঠার আগেই তরুর নামের পাশে বিবাহিত তকমা লেগে গেলো। নিজের ছোট্ট ঘরটার দিকে তাকিয়ে একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে তরু অজানা গন্তব্যের দিকে পা বাড়ালো, যেখানটায় এ সমাজের অধিকাংশ তরুরাই হারিয়ে যায় অকারণে।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now