বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
-তরকারির বাটি দাও।
আভা চুপচাপ বাটি এগিয়ে দিল। বাটি থেকে মাছ নিলাম।
আভা চুপ করে আছে! কেন এমন চুপচাপ সেটাই
বুঝতে পারছি না। প্রতিদিন খাওয়ার সময় সে
জিজ্ঞেস করবেই
-রান্না কেমন হয়েছে?
আমাকে জিজ্ঞেস না করলে তার রান্না মনেহয়
অপূর্ন থেকে যায়!
কিন্তু আজ সেসব জিজ্ঞেস করছে না কেন!
সকালবেলা ঘুম থেকে উঠার পরে ঠিকই ছিল।
তারপরে হঠাৎ কি হল!
জিজ্ঞেস করতে গিয়েও থেমে গেলাম। এখন
জিজ্ঞেস করলেও সে বলবে না। দুই মাস তার
সাথে সংসার করে বুঝতে পেরেছি তার মন খারাপ
হলে তখনই আমাকে কিছু বলে না। কিন্তু পরে ঠিক
বলে।
.
খাওয়াদাওয়া শেষ করে বসে আছি। এতক্ষণে উঠে
অফিস যাওয়ার জন্য রেডি হওয়ার কথা। কিন্তু সেসব না
করে আভাকে দেখছি। তাকে অন্যমনস্ক লাগছে।
ভাতের প্লেটে হাত দিয়ে বসে আছে। কিন্তু
খাচ্ছেনা!
আস্তে করে বললাম
-খাচ্ছ না যে!
-হু।
-বললাম, খাচ্ছ না কেন!
-ইচ্ছা করছে না। পরে খাব।
-মন খারাপ?
-না, তেমন কিছু না। তুমি রেডি হয়ে নাও। আমি
তোমার ব্যাগ গুছিয়ে দিচ্ছি।
.
ডাইনিং টেবিল থেকে উঠে বেডরুমে ঢুকলাম।
পোষাক ছেড়ে অফিসের পোষাক পরে নিলাম।
শার্টের বোতাম লাগিয়ে ঘড়িটা হাতে দিতেই আভা
ব্যাগ এগিয়ে দিল।
ব্যাগ হাতে নিলাম। মোবাইলটা পকেটে ঢুকিয়ে
অফিসের জন্য বের হলাম।
.
অফিসে ঢুকে একটু স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললাম।
বাইরের গরম থেকে মুক্তি পেয়ে এসির মধ্যে
ঢুকলাম। আমাদের অফিসের একটা ব্যাপার ভাল লাগে।
অফিসের সব রুমে এসি লাগানো!
.
ফাইল খুলে দেখছি। অফিসের অন্য সবাই যার যার মত
কাজে ব্যাস্ত। আমিও নিজের মত কাজ করে
চলেছি।
মোবাইল বেজে উঠল!
কে আবার মিসডকল দিল! কিছু মানুষ আছে যাদের
কাজ মিসডকল দেওয়া। মিসডকল দিয়েও তারা দুইবার
ব্যালেন্স চেক করে!
.
মোবাইল বের করে দেখলাম মেসেজ
এসেছে।
মিতু মেসেজ দিয়েছে!
এতদিন পরে মিতু! কি ভেবে মেসেজ দিল! কি চায়
সে!
মেসেজটা ভিউ করলাম। মেসেজে লেখা "আমার
সাথে দেখা করবে না!"
এমন মেসেজ দেখে অবাক হলাম! কাহিনি কি!
আগের মেসেজ ভিউ করতেই চমকে গেলাম।
মিতু আগের মেসেজে লিখেছে "আজও আমায়
মিস কর জানি, আজও আমার কথা মনে পরে তাইনা! এই
শহর ছেড়ে চলে যাচ্ছি। হয়ত আবার কখনো আসা
হবে না। আমার সাথে একবার দেখা করতে
পারবে?"
এরপরে আমার মোবাইল থেকে লেখা হয়েছে
"না, সময় নেই"
এটা তো আমি লিখিনি। তাহলে কি আভা!
সকালবেলা মোবাইল রেখে গোসলে
গিয়েছিলাম। তখন এসব হয়েছে! এই কারনেই আভার
মন খারাপ! এখন সবকিছু পরিষ্কার বুঝতে পারছি।
.
বিকেল পার হয়ে সন্ধ্যা নেমে এসেছে।
অফিসের সময় শেষ! অনেকেই চলে গিয়েছে।
কিন্তু আমি এখনো যাইনি।
সারাদিন কেমন যেন দোটানার মধ্যে কেটেছে।
মিতু আমাকে অনেক গুলো মেসেজ
পাঠিয়েছে। আমিও তার মেসেজের রিপ্লাই
দিয়েছি। প্রতিটা মেসেজ লিখতে গিয়ে বারবার হাত
কেঁপে উঠেছে।
.
অফিস থেকে বের হলাম। বাসায় যেতে ইচ্ছা
করছে না। শরীরটা বড্ড ক্লান্ত লাগছে। চাইলেও
এখানে বসে থাকার উপায় নেই। অফিস বন্ধ হয়ে
যাবে এখনই। তাই আমাকেও বের হতে হল।
.
বেবিট্যাক্সিতে বসে আছি। বেবিট্যাক্সি বাসার দিকে
ছুটে চলেছে।
মিতুর সাথে সারাদিন মেসেজিং করে অন্যরকম এক
অনুভূতি হয়েছে। যেটা দুই বছর আগে একবার
হয়েছিল।
.
-আজ কোথায় ঘুরতে যাবে?
মিতুর কথা শুনে মাথা চুলকিয়ে বললাম
-চিড়িয়াখানায়।
-কেন!
-তোমাকে ওখানে রেখে আসার জন্য।
-কি! আমি দেখতে কি এতই অসুন্দর!
-সুন্দর বলেই রেখে আসব। ওখানে তো পশু
পাখি থাকে। সেখানে নাহয় তোমার মত একটা সুন্দর
পরী থাকল।
মিতু মাথা নামিয়ে মুচকি হাসল। প্রেমিক তার প্রেমিকার
প্রশংসা করলে এভাবেই লজ্জা পায়। বাইরে লজ্জা
পেলেও ভেতরে অনেক খুশি হয়। প্রত্যেক
মানুষ তার ভালবাসার মানুষের কাছে সুন্দর হতে চায়।
.
রিক্সায় উঠে দুজন ঘুরছি। এটা আমাদের জন্য নিয়মিত
ঘটনা। মিতুর সাথে প্রেমের শুরু থেকেই এমন
করে আসছি। প্রথম যেদিন তাকে প্রোপোজ
করেছিলাম। সে আমার প্রোপোজে রাজি হবার
বদলে বলেছিল
-আমার সাথে প্রতিদিন রিক্সায় ঘুরবে?
ক্লাস ফাকি দিয়ে প্রতিদিন ঘুরতে বের হই। আমি
এবারে ফাইনাল ইয়ার। মিতু সেকেন্ড ইয়ার।
.
-যাও তো ওগুলো কিনে নিয়ে এস।
রিক্সা থামল। সামনে একজন লোক হাওয়াই মিঠাই বিক্রি
করছিল। এক প্যাকেট কিনে এনে মিতুর হাতে।দিলাম।
মিতু হাওয়াই মিঠাই খেতে খেতে রিক্সা থেকে
নামল। একটা ছেলে রিক্সার পাশ দিয়ে যাওয়ার সময়
থেমে গেল। ছেলেটা মিতুর দিকে তাকিয়ে
আছে।
মিতু চুপচাপ মাথা নামিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। আমি
ছেলেটাকে চিনি না। মনেহয় মিতুর পরিচিত।
.
একটা তুচ্ছ হাসি দিয়ে ছেলেটা চলে গেল। মিতু
আবার রিক্সায় উঠল। এখন পর্যন্ত সে চুপচাপ।
কোন কথা বলছে না।
মিতুর পাশে বসে বললাম
-ছেলেটা কে?
-আমার এক্স বয়ফ্রেন্ড।
আমার আগে মিতুর একটা বয়ফ্রেন্ড ছিল। মিতুর
সাথে চারমাসের সম্পরর। কিন্তু তার এক্স
বয়ফ্রেন্ড সম্পর্কে কিছু জানা হয়নি। তার নিষেধ
ছিল বলে জোর করে কিছু জিজ্ঞেস করিনি।
.
একা একা ক্যাম্পাসে হাটছি। দুইদিন ধরে মিতুর সাথে
কোন যোগাযোগ করতে পারছি না। কি হয়েছে
ওর! কোন বিপদ হল না তো! ওর খবর নেওয়ার ও
কোন সুযোগ নেই।
.
ক্যাম্পাস থেকে বেড়িয়ে রাস্তায় চলে এসেছি।
সামনে চোখ পরতেই মিতুকে দেখলাম। একটা
ছেলের সাথে বসে আছে।
আমি ভুল দেখছি না তো! ওটা মিতু নাকি অন্য কেউ!
নিশ্চিত হওয়ার জন্য রিক্সার কাছাকাছি আসলাম।
এটা মিতু! তার পাশের ছেলেটা তার এক্স
বয়ফ্রেন্ড।
.
-তুমি এখানে কি কর!
মিতু আমাকে এভাবে দেখে ভরকে গেল। হঠাৎ
এভাবে আমাকে আশা করেনি। মিতু রিক্সা থেকে
নামল। তার এক্স বয়ফ্রেন্ড আমার দিকে তাকিয়ে
আছে। মিতু আমতা আমতা করে বলল
-এদিকে এস, সব বলছি।
.
ছেলেটাকে রেখে মিতু আমাকে সাইডে নিয়ে
এল। সে চুপ করে দাঁড়িয়ে আছে। মনের ভেতর
অনেক প্রশ্ন ঘোরাফেরা করলেও একটা প্রশ্ন
করলাম
-তোমার এক্স বয়ফ্রেন্ড এর সাথে কি কর?
-ও এখন আর এক্স না। ওর সাথে আবার রিলেশন শুরু
করেছি। একটা জিনিস বুঝতে পেরেছি, তোমার
চেয়ে তাকে বেশি ভালবাসি।
-তাহলে আমি তোমার কে!
-তোমার সাথে যা হয়েছে তার জন্য ক্ষমা চাইছি।
ওর সাথে ব্রেকাপ হওয়ার পরে ডিপ্রেশনে
ভুগছিলাম। তুমি প্রোপোজ করার পরে মনে
হয়েছে তোমাকে পাশে দরকার। তাই রাজি হয়ে
গিয়েছি।
-কিন্তু আমি..
-আমাকে ক্ষমা করে দিও।
আর কিছু বলার সুযোগ পেলাম না। মিতু চলে গেল!
.
-ভাই, চলে এসেছি। এখানে নামবেন নাকি এগিয়ে
যাব? ও ভাই।
বেবিট্যাক্সির ড্রাইভার ডাকছে। কখন অন্যমনস্ক
হয়ে গিয়েছিলাম বুঝতে পারিনি।
গাড়ি থেকে নামলাম। ভাড়া মিটিয়ে বাসার দিকে হাটতে
শুরু করলাম। নিজেকে আজ নিঃস্ব লাগছে।
সেদিনের পরে অনেক চেষ্টা করেছি। কিন্তু
মিতুকে ফেরাতে পারিনি। জোর করে আর যাই করা
যাক ভালবাসা আদায় করা যায় না।
.
রাত নয়টায় বাসায় ঢুকলাম। আভা দরজা খুলে দিল। সে
কোন কথা বলল না। আমি নিজেও চাইছিনা সে কথা
বলুক। সবকিছু আমার কাছে অসহ্য লাগছে।
বেডরুমে ঢুকে ব্যাগটা রেখে বিছানায় শুয়ে
পরলাম। মিতুর সাথে কালকে দেখা করতে
চেয়েছি। প্রথমে ভেবেছিলাম যাব না। পরে রাজি
হয়ে গেলাম।
মানুষ এমনই। যার কাছ থেকে অবহেলা পায়, তার
কাছেই বার বার যায়।
.
ঘুম থেকে উঠে দেখলাম সকাল হয়ে গিয়েছে।
গায়ে এখনো কালকের পোষাক। পাশে তাকিয়ে
দেখলাম আভা নেই। কালকে রাতে এসে শুয়েছি।
তারপরে কখন ঘুমিয়েছি। বুঝতেই পারিনি।
আভা আমার আগেই উঠেছে।
বিছানা ছেড়ে উঠলাম। মোবাইলটা হাতে নিলাম।
ঘুমানোর আগে বিছানার উপরে রেখেছিলাম। আভা
এখানে রেখেছে।
.
পোষাক ছেড়ে লুঙ্গি পরে নিলাম। গোসল করে
ফ্রেশ হয়ে বের হব। মিতু নয়টায় দেখা করতে
চেয়েছে। ঢাকা শহরের জ্যামের যে অবস্থা।
একটু তাড়াতাড়ি বেড় হতে হবে।
ওয়াশরুমে ঢুকার আগে আভাকে খুঁজলাম। সে
রান্নাঘরে রান্না করছে। কোন কথা বললাম না।
কালকের পর থেকে ওকে একটু বিরক্তিকর
লাগছে।
তার প্রতি তেমন খেয়াল রাখা হয় না। দুই বছর আগে
মিতু চলে যাওয়ার পরে কেমন যেন হয়ে
গিয়েছিলাম। এখন স্বাভাবিক হলেও আভার প্রতি অত
টান জন্মায়নি।
.
ওয়াশরুম থেকে বের হয়ে একটা টি-শার্ট পরলাম।
সাথে কালো একটা জিন্স। এটা আমার পছন্দে কেনা
নয়। আভা পছন্দ করে নিজেই কিনেছে। পরার মত
কিছু খুঁজে না পেয়ে এটাই পরে নিলাম!
.
বেডরুম থেকে বের হতে হতে প্রায় আটটার
কাছাকাছি বেজে গেল। এখন বের হব। বের
হওয়ার আগে ডাইনিং টেবিলে তাকালাম। গরম গরম
বিরিয়ানির ধোয়া উঠছে।
কিন্তু সেসব এখন আমার কাছে তুচ্ছ লাগছে।
.
ধানমন্ডি লেকে আসতে আসতে সাড়ে আটটার
একটু বেশি বেজে গেল। ক্ষুধা লেগেছে
প্রচুর। মিতুর আসতে এখনো অনেক দেরি।
হোটেল থেকে কিছু খেয়ে আসি।
.
হোটেল থেকে খেয়ে আবারও লেকের
পাশে দাঁড়ালাম। নয়টার বেশি বাজে। মিতুর এখনো
কোন পাত্তা নেই! অথচ এখানে দাঁড়িয়ে থাকবে
বলেছিল।
তবে কি সে আসবে না!
.
-এসে পরেছ!
পিছনে তাকালাম। মিতু দাঁড়িয়ে আছে। চিরচেনা হাসি।
যে হাসি পাগল করেছিল আমায়। আমি মুচকি হেসে
বললাম
-কেমন আছ?
-ভাল আছি। বেশ ভাল। তুমি?
-এইত আছি।
-বিয়ে করেছ?
চুপ করে থাকলাম। মিতু বলল
-আমি বিয়ে করেছি। তুমি বিয়ে কর নি কেন! কপালে
মেয়ে জুটেনি!
মিতু আমার দিকে তাকিয়ে অট্টহাসি দিল। সে আমাকে
নিয়ে মজা করছে!
আমি শুকনা গলায় বললাম
-কেন ডেকেছ!
-এমনিই ডেকেছিলাম। কেমন আছ সেটা জানতে
ইচ্ছা করছিল। তবে একটা জিনিস মনেহয়। তোমাকে
ছেড়ে ভালই করেছিলাম। তোমার মত
ছেলেকে বন্ধু বানানো যায়। ভালবাসা যায় না।
আমি চুপ করে থাকলাম। কিছু বলার মত খুঁজে পাচ্ছিনা।
.
-কে বলেছে ভালবাসা যায় না!
পিছনে ঘুরে তাকালাম। আভা দাঁড়িয়ে আছে। সে
এখানে এল কিভাবে! তবে কি আমার মোবাইল
থেকে মেসেজ দেখে সব জেনেছে!
আভা প্রচন্ড রেগে আছে। মিতু অবাক হয়ে
তাকিয়ে জিজ্ঞেস করল
-আপনি কে?
-আমি রাব্বির বউ।
মিতু আমার দিকে তাকালো। আমি মাথা নাড়ালাম। আমি কিছু
বলার আগেই আভা আমার হাত ধরে টানতে শুরু করল।
হাত ধরে টানছে কেন! আমি অবাক হয়ে বললাম
-হাত ধরে টানছ কেন!
-আমি তোমাকে এখানে দাঁড়িয়ে অপমানিত হতে দিব
না। আমার সাথে চল।
.
আভার এমন আচরন দেখে রাগ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু
সেসব কিছুই হচ্ছে না।
আভা একটা রিক্সা নিল। আমিও তার পাশে রিক্সায় উঠলাম।
আভা রিক্সাওয়ালাকে বলল
-সামনে যান।
আমি অবাক হলাম। সামনে কোথায় যাবে! আমাদের
বাসা তো উল্টা দিকে! আভাকে বললাম
-কোথায় যাব আমরা?
-আজ রিক্সা নিয়ে দুজন ঘুরব। তুমি কোন কথা বলবা
না।
কোন কথা বললাম না।
.
সারাদিন দুজন ঘুরবার পরে বিকেলে বাসায় ফিরলাম।
আভার সাথে ঘুরে আজ খুব ভাল লাগছে। মিতু চলে
যাওয়ার পরে যে নিঃসঙ্গতা ছিল। সেটা আজ নেই।
এমন ভাল লাগবে জানলে হয়ত আগেই মিতুর সাথে
যোগাযোগ করতাম। আগেই আজকের দিনটা
দেখতে পেতাম! হঠাৎ এমন একটা দিন পাব সেটা
ভাবিনি।
কেন জানি মনেহয় মিতু আমার জন্য পারফেক্ট ছিল
না। কিন্তু আভা আমার জন্য পারফেক্ট।
ভালবাসা কি এভাবে হয়! হঠাৎ করে মনে জেগে
উঠে!
.
-- Jubaer Hasan Rabby
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now