বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

***★তোমারি নামে★**

"স্মৃতির পাতা" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান টি.বি তৌহিদ (০ পয়েন্ট)

X কয়েকদিন আগের কথা যা মনে হলে মানসিক ভাবে ভেংগে পড়ে নাবিদ। নাবিদের ব্যাপারে কিছু যেনে রাখা ভাল। নাবিদ ছিলো একজন এস এস সি পরিক্ষার্থী। আচ্ছা কিসের কারনে নাবিদ মানসিক ভাবে ভেংগে পড়ে এখন তা আপনাদের কাছে শেয়ার করি। নাবিদ ছিলো খুব ভদ্র পরিবারের একটা ছেলে। নাবিদ লেখা পড়ায় খুব ভাল ছিলো। তাই নাবিদকে সবাই খুব ভালবাসতো। একদিন স্কুলে যাবার জন্য নাবিদ রওনা দিলো। নাবিদ: মামা যাবেন? রিক্সাওয়ালা: হুম, যাবো ওঠেন। নাবিদ : বাড়া কতো দিবো রিক্সাওয়ালা : সবসময় যতো দেন। ততই দিয়েন। নাবিদ: ঠিক আছে। নাবিদ রিক্সায় ওঠে যাচ্ছে। এমন সময়ই নাবিদ তাকে দেখতে পায়। নাবিদ জীবনে অনেক মেয়েরই প্রতি ক্রাশ খেয়েছে। কিন্তু এই মেয়েটার প্রতি কেনো যানি একটু বেশি। আচ্ছা সেই মেয়েটার ব্যাপারে কিছু বলি। মেয়েটা ছিলো নাবিদের ক্লাসমেট। মেয়েটা ছিলো নাবিদের কাজিন। কিন্তু নাবিদ জুইকে খুবই পছন্দ করে। হ্যা মেয়েটার নাম ছিলো জুই। দেখতে অনেকটা নাবিদের স্বপ্নে দেখা রাজ কন্যার মতো। নাবিদ: মামা সামনে একটু সাইট করে রাখেন তো। রিক্সাওয়ালা : ওকে মামা। নাবিদ জুইকে ডাকলো। জুই: হুম বলো নাবিদ ভাইয়া নাবিদ: এখানে দাড়িয়ে আছো কেনো? ((মন খারাপ করে)) কারন জুই যখনই নাবিদকে ভাইয়া বলে ডাকে তখনি নাবিদের খারাপ লাগে। জুই: তুমি যেখানে যাচ্ছো আমি সেখানেই যাবো। নাবিদ : ওওও আচ্ছা ওঠো। জুই : ইয়ে মানে না। নাবিদ: আরে ওঠো তো।এখন রিক্সা পাবানা। পরে স্কুলেই যেতে পারবানা। জুই: মনে মনে ভাবছে ঠিকি তো ৪০ মিনিট ধরে দাড়িয়ে আছি।একটাও তো রিক্সা পেলাম নাহ। তাই নাবিদের সাথেই যেতে হলো। নাবিদ: মামা চলেন। নাবিদ তো মনে মনে খুবই খুশি। কারন তার ড্রীম গ্রার্ল তার পাশেই বসে আছে। এক সাথে যাচ্ছে। জুই যানে নাবিদ তাকে খুব পছন্দ করে।কিন্তু জুই তাকে পাত্তাই দেয় না। এর কারন হচ্ছে নাবিদ জুই সম্পর্কে কাজিন। এটাই হচ্ছে পাত্তা না পাওয়ার জন্য নাবিদের মুল কারন। এমনিতে জুই ও নাবিদকে খুব পছন্দ করে কিন্তু তাদের সম্পর্কের কারনটাই যেন বাধা হয়ে দারিয়েছে। নাবিদ : কি ব্যাপার। কি ভাবছো? জুই : না কিছু না তো। নাবিদ : ও। নাবিদ যানে জুই আমার কথাই ভাবছে। অবশেষে তাদের স্কুলে আসলো। জুই আগেই রিক্সা থেকে নেমে রিক্সা ভাড়া দিয়েই স্কুলে গেইটের ভিতর ডুকে গেলো। নাবিদ জুইকে ডাকে কিন্তু না না দারিয়েই চলে গেলো। নাবিদ রিক্সাওয়ালার কাছ থেকে জুই য়ের দেয়া টাকাটা নিলো এবং নাবিদ ভাড়ার ডাবল টাকা রিক্সাওয়ালাকে দিয়ে স্কুলের ভেতরে এসে পড়লো। নাবিদ তো সেই টাকাটা খুব যত্ন সহকারে রেখে দিলো তার মানিব্যাগে। নাবিদ ক্লাসে ডুকতেই নাবিদের বন্দুরা সবাই এক সাথেই বার্থডে উইস করলো। নাবিদ তো পুরাই অবাক হয়ে গেলো। আরে আজ আমার জন্মদিন অথচ আমি যানিনা ওরা কিভাবে যানলো। আসলে জুই নাবিদের বন্দুদের যানিয়েছে। জুই আগে থেকেই যানতো যে আজ নাবিদের জন্মদিন। সবার শেষে জুই আসলো নাবিদের সামনে জুই: হ্যাপি বাথর্ডে নাবিদ নাবিদ: থাংক্স। ( ওহ মাই গোড জুই ও দেখি যানে আজ যে আমার জন্মদিন) নাবিদ ভাবছে আজই সেই দিন। আজকেই সুযোগ জুইকে প্রোপোজ করতেই হবে যেভাবেই হক না কেনো। সেদিন নাবিদ আর ক্লাস করে নাই। বাহিরে এসে পরলো। এবং ভাবছে কি করা যায়। কিভাবে জুইকে প্রোপোজ করবো। ঠিক তখনি নাবিদের মাথায় একটা বুদ্দি আসলো। সে ফুলের দোকানে গেলো খুব বড় একটা ফুলের তোড়া কিনলো। সাথে কিছু চকলেট নিলো। এবং একটা চিঠি লিখলো। তখন চিঠির যুগ ছিলো না তাও নাবিদ মুখে তাকে কখনই বলতে পারবে না তাই বলেই চিঠি লিখলো। চিঠির লেখা গুলো ছিলো এরকম ↓ আকা বাকা লেখায় লেখেছি চিঠি শুধু তোমারি নামে ভাল লাগলে দিও রেখে তা নাহলে ফেলে দিও কোনো খানে। ↑ এই হলো নাবিদের লেখা চিঠি। স্কুল ছুটি হবার সাথে সাথেই নাবিদ তার কোনো এক বন্ধুকে দিয়ে জুইয়ের কাছে তার লেখা গুলো পাঠিয়েছে। জুই বাসায় গিয়ে পড়লো পড়েই তার মাথা গরম হয়ে গেলো আকা বাকা লেখা দেখে নয়।নাবিদের চিঠির লেখা গুলো দেখে। আবার জুই মনে মনে হাসছেও এটা কি কোনো প্রোপোজ করার জন্য লেখা হলো। (হাউ ফানি) এর পরের দিন স্কুলে আসলো জুই। নাবিদ তো ভয়ে ভয়ে পুরাই। নাবিদ সবার শেষে আসলো। নাবিদ এসেই জুইয়ের দিকে তাকালো। জুই তো পুরাই রেগে মেগে আগুন হয়ে আছে। নাবিদ এখন একটু বেশি ভয় পেয়ে গেলো। ভাবতে ভাবতে কখন যাই টিফিন এর ঘন্টা পরে গেলো টেরই পাইনি নাবিদ। একটু পরে তাকিয়ে দেখে জুই তার সামনে হাতে তার লেখা সেই আধুনিক চিঠি। জুই: এইটা কি? নাবিদ : ইয়ে মানে মানে। কই কিছু না তো জুই : কিহহহহহ। ( রাগান্বিত হয়ে ) নাবিদ : না মানে আমি তোমাকে কিছু বলতে চাই। জুই: বলো নাবিদ: আসলে কিভাবে বলবো বুঝতে পারছি নাহ। জুই: ঢং বাধ দিয়ে তারা তারি বলো কি বলবা। ( জুই তো যানেই কি বলতে চায় ) নাবিদ : চোখ বন্দ করেই আমি তোমাকে ভালবাসি জুই। জুই: একটা মুচকি হাসি দিয়েই চলে যায়। নাবিদ :চোখ খুলে দেখতে পেলো জুই নেই। নাবিদ তো এখন খুব ভয় পাচ্ছে কি হবে এখন। যদি বিচার দেয়। তাহলে তো আমি শেষ । এর কিছুদিন পরই তাদের এস এস সি পরিক্ষা শুরু হবে। পরিক্ষার জন্য সবাই প্রিপারেশন নিচ্ছে। এইতো কয়েকটা পরিক্ষা শেষ হলো। এখনো নাবিদ জুইয়ের কাছ থেকে কোনো পজিটিভ উত্তর পাবে কিনা। তা নাবিদ নিজেও যানে না। এবং সে উওর এর আশায় নাবিদ এখনো অপেক্ষা করে আছে। যখনই ভাবে যদি উওরটা না হয়। সেই কথা ভেবেই নাবিদ মানসিক ভাবে ভেংগে পরে। যদি ২য় পর্ব চান তাহলে বলবেন। অবশ্যই খুব শীগ্রই ২য় পর্ব লেখা শুরু করবো। আপনাদের মতা মত পেয়েই ২য় পর্ব লেখা শুরু করবো। উপরের লেখা ভুল হওয়াই স্বাভাবিক। ভুল হলে সবাই ক্ষমার চোখে দেখবেন। #B


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৭৯ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ***★তোমারি নামে★**

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now