বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
আসসালামু আলাইকুম।তোমাকেই বলছি। সত্যি বলতে আমি, কখনোই গাংচিল দেখিনি। কেমন করে উড়ে তাও বলতে পারবো না। তবে শুনেছি বাবা, কাকা'দের কাছ থেকে। অবলীল স্নিগ্ধতার সাথে ভেসে বেড়ায় ওরা।ওই স্নিগ্ধতাই আমি তোমার মাঝে খুঁজে পেতাম। তোমাকে দেখতেই আমার প্রশান্তির হাহাকার, তৃপ্ত ভালবাসায় পরিণত হয়। ; কেমন আছ? প্রশ্নটা আজ নিজেই প্রশ্ন বিদ্ধ? এই যান্ত্রিকতাময়, ধুলায় ধূসর শহরে কেই বা ভাল থাকতে পারে। যেখানে কেউ কাউকে চেনে না। আর চেনা মুখগুলো অচেনা হয়ে যায়। নিয়ন বাতির কাছে হার মানে চাঁদের আলো। মাস গুলো পার করলাম দেখেতে দেখতে। সত্য কথা বলতে আমি ভয় পাই না! ; তোমাকে প্রথম দেখেই আমার ভাল লাগে। ভাল লেগেছিল তোমার স্নিগ্ধতায় ভরপুর হাসি, মায়া ভরপুর চোখ দুটো। এটি যেন আজ আমার কাছে শুধুই বামন হয়ে চাঁদে হাত দেবার মতো ঘটনা। ; যে ছেলেটা কিছুদিন আগেও চাঁদের আলো না দেখে বিছানায় যেত না। যার সুর্যের চেয়ে রাতের মিটিমিটি তারা ভাল লাগতো। সে আজ খুব তাড়াতাড়ি বিছানায় ফেরে। কিন্তু নিদ্রাদেবী তার সাথে আর সয়ন করে না। তার রঙ্গিন স্বপ্নগুলো আলো ছায়ায় হারিয়ে গেছে। শুধু তাই নয় রাতের মাঝেও বিছানার পাশে ভেবে যায় চোখ বন্ধ করবো? আমি পৃথিবী হতে কিছু মিস করতে চাই না। ; “এক মিনিট চোখ বন্ধ মানে ষাট সেকেন্ড পৃথিবীর আলো মিস করা।’’ আর সে কিনা জীবনের হাজারো ছবি থেকে বঞ্চিত হতে চায়। তার রঙ্গিন স্বপ্নের মাঝে জলবিহীন বিষাদ মরিচীকা প্রবেশ করেছেন। যাই হোক, আজ এ শুধুই গল্প। - ১৯ দিসেম্বর আমার জন্মদিন ছিল। সকলেই শুভেচ্ছা জানিয়েছিল। শুধু তোমার ফোনের অপেক্ষোয়। আমি মনে মনে আশা করেছিলাম তোমার ফোন পাবো। আমি জানি তুমি জন্মদিনের তারিখ জানো না। তবু কেন জানি মনে হলো। সত্যি হলো এই, তুমি রাত ১১টা ৫৯মিনিট ৩৮সেকেন্ড ফোন দিয়েছিলে। আমি কেমন আছি জানার জন্যে? তখন আমি বাড়ি হতে ঢাকার উদ্দেশ্যে মেঘনা সমুদ্রজল ঢেউর সাথে জাহাজে ছিলাম। তোমার মনে আছে নিশ্চয়ই! ; জন্মদিনে দিনটা আমার জীবনের অন্যতম স্মৃতিতেই রেখে দিয়েছি। জন্মদিন যে এতো আশাবিজরিত হয় তা জানলে আমি প্রতিদিনই জন্মদিন পালন করতাম। বলে উঠতে পারো, “ঈদ, একদিন হয় বলেই মজা। প্রতিদিন হলে মজা থাকতো না।’’ - একটি প্রশ্ন, ‘তুমি আমার জন্যে কি করতে পারবে?’ উত্তরে,- জীবনের সব কাজ তোমার জন্য। তোমার জন্য আমি আমার জীবন বাজিতে দিতে পারি। তুমি যা বলবা তাই আমি করবো। উত্তরটি গ্রহন যোগ্যতা পায়নি। কারন ক্যারিয়ার মুখী জীবনে প্রেম ভালবাসার দাম নেই। আর ভালবাসা সে তো করুনায় পরিনত হয়েছে, ভিক্ষার দান পাত্রের মতো। তোমাকে অনেক ধন্যবাদ তুমি আমায় এই প্রশ্নটা করো নি। এই প্রশ্নের উত্তর আমার জানা নেই। যেখানে জীবন থমকে আছে, সেখানে উত্তর কি হতে পারে? কোন দিন ভেবেও দেখিনি। মনের মধ্যে কত স্মৃতির সাদা মেঘ ঘুরে বেড়িয়েছে তা আজ শিশির বিন্দুর মতো ঘাসের উপর পড়ে আছে। তা দেখার কারো ই সময় হয় না। ; জীবনে চলার পথে কিছু আনন্দের মূহুর্ত আসে, যা মুহুর্তেই শেষ হয়ে যায়। যেটা রয়ে যায়, মনের অজান্তে অস্পষ্টতায়। আর অস্পষ্টতা নিয়েই মনের মানুষ। এই মনের মানুষের কথা বলতেই শুধু ফিরে যাই ভাঙনের দিকে। তারা আজ অনেক দূরে। যারা পাশে আছে তারও বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত। তুমি ছিলে, তবু দূরে চলে এসেছি। ; আজ আমার স্বপ্নগুলো ভাঙা আয়নায় পরিনত হয়েছে। ভাঙা আয়নায় আমি আমার মুখখানিও ভাল করে দেখতে পাই না। আমি তোমাকে ভুল বুঝচ্ছি না। সব দোষ ছিল আমারই। আমি তোমার মত হতে পারিনি। পারিনি ভাল বন্ধু হতে। বন্ধুত্বের হাত দিয়েছিলে, তবুও ধরতে পারিনি। অসহায় ছিলাম না, ভীতুও ছিলাম না। তবে বুঝতে পারিনি। জীবন যে আমায় এভাবে বুঝিয়ে দেবে আজ, তা কখনোই মনে তরান্বিত হয়নি। বন্ধুত্ব ও ভালবাসা কি? তার উত্তর আমি এখন ও খুঁজে বেড়াই। ; রাস্তায় চলতে এখনো তোমার আবছায়া খুঁজে পাই। আমি জানতাম তুমি কোথায় থাকো? তবু যাইনি, জানি তুমি আমায় দেখলে অনেক কষ্ট পাবে। তোমার জীবন সুতায় আমি নিজেকে বাঁধতে চেষ্টা করিনি। করিনি বললে ভুলি হবে। আমি চাই নি তোমার জীবনে কষ্ট হয়ে আসতে। ভালবাসা আমার জন্যে নয়। যার স্বপ্ন দালান গুলো নড়বড়ে খুটির মত। জীবন অন্ধকার গুহার মত। যেখান থেকে কেউ চিৎকার করলেও শব্দ দেয়াল ভেঙে বের হবে না । তুমিই বলনা, ভালবাসা কি আমায় মানায়? ; দেখতে দেখতে কতগুলো মাস পার করেদিলাম। কত স্মৃতি, কত হাসি- কান্না, আনন্দ-বেদনা তা আজ কাতর অবস্থায়। তা আজ কার্নিসে তুলে রাখা পুরোনো বইগুলোর মতো পড়ে আছে, ধুলো আর মাকড়াসার জাল ঢাকায়। চাইলেও, তা আজ কেউ স্পর্শ করতে চায় না। আচ্ছা তুমি কি পারবে, ‘ভেঙে দিতে এই দেয়াল, পারবে কি ছেঁড়ে যেতে এই বাধন?’ চিন্তায় পড়ে গেলে তো। ; জীবনে কিছু ঘটনা, কিছু মানুষ কে ভুলে যেতে হয়। আর ভুলে যেতে না পারলে তারা পরগাছা মত সারা জীবন টেনে ধরে।সামনে বারতে দেয় না। আমি চাই তুমি সামনে যাও … তোমার লক্ষ্যে পৌছাও। ; ভাবছো তো আমি কি করবো? আমি আমার জীবন ডাইরির পাতা উল্টাতে উল্টাতে হয়তো বা পিছনে কিংবা সামনে ………। বাস্তবটা এটাই। কেউ পড়ে থাকে কেউ সামনে যায়। জানো, আজ একটা কবিতা খুব মনে পড়ছে…… "যদিও স্বপ্নের নখে ক্ষত-বিক্ষত হয়ে বার বার ফিরে যাই ভাঙনের দিকে, তবুও স্বপ্ন দেখি.. একদিন দেখা হবে নিঝুম রাতে, কোন এক বৃষ্টি ঢেড়ে" মনে করেছিলাম একবার সাগরে পারে যাবো। চোখগুলো রাখতে চেষ্টা করবো গাংচিলে । হেঁটে যাবো নীলজল দিগন্ত। ঢেউ উচ্ছ্বাসের সাথে হারিয়ে যাবে আমার পাওয়া না পাওয়া সব কষ্ট দুঃখ বেদনা। তাও হয়নি.... চল না ‘পুরনো সেই দিনের কথা’-আমরা আবার নতুন করে লিখি। প্রেমিক কিংবা বন্ধু হয়ে নয়। আপনজন হয়ে নয়। ভালবাসার টানে নয়। অচেনা কোন শুভাকাঙ্ক্ষী হয়ে। ভাল থেকো_____।।।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now