বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
নতুন বৌ এলো চুলে বিলি কেটে ঘুম ভাঙ্গাচ্ছে। এর থেকে মধুর মুহূর্ত আর কি হতে পারে। ঘুমের রেশ কিছুটা কাটতেই মনে পড়লো আরে আমি তো বিয়ে করিনি। তাহলে কে আমার চুলে বিলি কাটছে। তড়িঘড়ি করে শোয়া অবস্থা থেকে উঠে বসলাম। যে চুলে বিলি কাটছিলো সে দৌঁড়ে পালাতে গিয়ে টেবিলের উপরে রাখা গ্লাসটা ফ্লোরে ফেলে দিলো। ঝনঝন শব্দে কাঁচের গ্লাসটা ভেঙ্গে গেলো। বুঝতে পারলাম সেলিম ভাইয়ার শালি তামান্নার পোষা বেড়ালটা এসেছিলো। পড়ালেখার সূত্রে সেলিম ভাইয়ার শালি আর শালিকার বেড়াল এ বাসাতেই থাকে। চুলে হাত দিয়ে দেখি চুল ভেজা। তারমানে সে আমার ঘুমের ফায়দা নিয়ে আমার চুল চাবাচ্ছিলো।
ঘুমটা যেভাবেই ভাঙ্গুক, নিজেকে অক্ষত অবস্থায় দেখে বেশ ভালো লাগছে। নাহলে গতকাল হেব্বি পিটুনি খাওয়ার আয়োজন ছিলো। সেন্টু ভাই মার খেয়ে হাঁসপাতালে পড়ে আছেন। আমি কোন ভাবে পালিয়ে বেঁচেছি।
ঘটনাটা খুব সামান্য। গতকাল এক ছেলে তার প্রেমিকাকে নিয়ে এলাকায় ঘুরঘুর করছিলো। এলাকার কয়েকজন ছোট ভাই মিলে তাদের আটকে ধমকা ধমকি শুরু করেছে। সেন্টু ভাই আমি হেঁটে যাচ্ছিলাম। ভিড় দেখে এগিয়ে গেলাম। এক ছোট ভাই বললো ভাই কিছু বলেন। আমি ছেলেটার দিকে তাকিয়ে বললাম সালা বেয়াদব। আমার দেখাদেখি সেন্টু ভাই ও বললেন সালা বেয়াদব। আমি সেন্টু ভাইয়ের দিকে তাকিয়ে বললাম ভাই আমাকে কপি করেন কেন? অন্য কোন গালি দেন। সেন্টু ভাই বললেন হারামজাদা তোকে থাপড়ানো উচিত। তোর মাথা ন্যাড়া করে দেয়া উচিত।
সেন্টু ভাই তার কথা শেষ করতে না করতেই ছোট ভাই গুলো ছেলেটাকে মারতে শুরু করলো। অবস্থা বেগতিক দেখে সেন্টু ভাই আর আমি সরে পড়েছিলাম। পরে শুনেছে তারা নাকি সত্যি সত্যি ছেলেটাকে ন্যাড়া করে দিয়েছিলো। রাতে দুজনে বাজার গিয়েছিলাম চা খেতে। ব্যাস কোথা থেকে চার পাঁচজন এসে আমাকে আর সেন্টু ভাইকে মারতে শুরু করলো। একজনের চকচকে ন্যাড়া মাথা দেখে বুঝতে পারলাম সকালের ছেলেটা। একজনের দু পায়ের মাঝখান দিয়ে কোন ভাবে পালিয়ে আসতে পারলেও সেন্টু ভাই পালাতে পারেন নি। তাকে ভালোই পিটুনি দিয়েছে। মারতে মারতে যখন তুলে আছাড় দিয়েছে তখন সেন্টু ভাই নাকি বলেছে “হাম মর গেয়া রে। হামকো মাত মারো। আর মারলে প্যান্টে হেগে দিবো।”
কোন মতে পালিয়ে বাসা এসে দেখি আব্বাহুজুর লাঠি নিয়ে বসে আছেন। বুঝতে পারলাম বাড়ি ফেরা ঠিক হবে না। তাই রাতে চলে এসেছি সেলিম ভাইয়ের বাসায়। সেলিম ভাই আমার চাচাতো ভাই। বিড়ালটা ঘুম ভাঙ্গানো পর্যন্ত ঘুমটা ভালোই হয়েছে।
রুম থেকে বের হয়ে সেলিম ভাইয়া বারান্দায় বসে খবরের কাগজ পড়ছেন। আমাকে দেখে বললেনঃ
--কিরে ঘুম ভাঙ্গলো?
.
-জ্বি ভাইয়া। তবে আপনার প্রতি আমি বিরক্ত।
.
--ক্যান আমি কি করছি?
.
-আপনাকে কতোবার বললাম আপনার শালির সাথে আমার বিয়ের ব্যবস্থা করেন। কিন্তু আপনি কথা কানে নিচ্ছেন না। এমনিতে আমার বয়স বাড়তেছে। এ জীবনে যদি আমার বিয়ে না হয় সবাইরে বদদোয়া দিমু।
.
--দেখ আলিফ এমনিতে আমার শশুড় তার বড় মেয়েকে আমার সাথে বিয়ে দিয়ে আফসোস করতেছে। বেচারা এখনো ঘোরের মধ্যে আছে কিভাবে আমার মতো ছাগলের সাথে মেয়ে বিয়ে দিলেন। আমি আর তাকে সারপ্রাইজ দিতে চাইনা। জামাই ছাগল হলেও মানা যায় পাগল হলে মানা যায়না।
নিজের সম্পর্কে এতো ভালো কথা শুনে সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা যায়না। যখন থেকে ঘুম ভেঙ্গেছে তখন থেকে তামান্না সুন্দরীর কন্ঠ শুনতে পাচ্ছি। সে পড়তে বসেছে। পাঁচ মিনিট যাবদ পাঁচটা শব্দই মুখস্থ্য করে যাচ্ছে “লোড শেডিং মিনস দ্যা ডিসকন্টিনিউটি”। সে পড়ছে কম এ্যা এ্যা করছে বেশি। ঠিক এভাবে পড়ছে এ্যা লোড শেডিং এ্যা মিনস দ্যা এ্যা এ্যা ডিসকন্টিনিউটি। আমাকে ঘরে ঢুকতে দেখে তামান্না পড়া থামিয়ে দিলো। টেবিলের উপর রাখা গ্লাস থেকে পানি খেলো। বেচারি এ্যা এ্যা করে গলা শুকিয়ে ফেলেছে। তামান্নার সাথে কথা বলবো ঠিক সে সময় ভাতিজি পেছন থেকে বললো চাচ্চু ক্যাচ। পেছন ফিরে ক্যাচ ধরার আগে ফুটবল সোঁজা এসে নাকে লাগলো। আমিও অজ্ঞান হবার ভান করে তামান্না সুন্দরীর বিছানায় শুয়ে পড়লাম। তামান্না সুন্দরী চেয়ার থেকে উঠে এসে বললো “এই কি হলো আপনার?” ভাতিজি হাত ধরে টানাটানি শুরু করেছে চাচ্চু কি হইছে তোমার। আই এম সরি চাচ্চু। আমি তো জোরে মারিনি চাচ্চু। আমি চোখ খুলে উঠে বসলাম। ভাতিজির দিকে তাকিয়ে বললাম “আম্মু তুমি জোরে মারোনি?” ভাতিজি মাথা নেড়ে বললো না চাচ্চু। আমি একটু হেসে বললাম “সেজন্যই তো বলি অজ্ঞান হলাম কিন্তু ব্যাথা পেলাম না কেনো। তুমি তো আস্তে মারছো আমি ভাবছি জোরে মারছো।” আমার কথা শুনে ভাতিজি ফিক করে হেসে দিলো। তামান্না সুন্দরী মুখ বাঁকা করে বললো “ঢং করে ঢং। আমার ঘর থেকে যান তো যান।” মেয়েটা সুন্দরী কিন্তু মুখে মধু নাই। বড্ড তেঁতো কথা বলে। মাঝে মাঝে ইচ্ছা করে ধরে কিলানি দেই। ইচ্ছা মতো কিলাই।
.
--আলিফ তুমি এক্ষুনি আমার বাসা থেকে বের হয়ে যাও। আর কখনো আমার বাসায় পা রাখবানা।
ভাবির মুখে এমন কথা শুনে বেশ অবাক হলাম। বললামঃ
-আমি কি করলাম ভাবি?
--কি করেছো জানোনা। এই নাও দেখ।
বলে ভাবি তার হাতের ফোনটা আমার দিকে এগিয়ে দিলেন। তাহমিদা আহমেদ নামের এক মহিলা ভিডিও আপলোড করেছেন। তিনি পথশিশুদের মাঝে বিরিয়ানির প্যাকেট বিলি করছেন। প্রথম বাচ্চাটাই আমার ভাতিজি। পোস্ট সেই ভাইরাল হয়েছে। আমার ভাতিজি যার বাবা সরকারি চাকরি করে সে লাইনে দাঁড়িয়ে বিরিয়ানির প্যাকেট নিচ্ছে এটা আমার ভাবি সহ্য করতে পারছেন না। তার আত্মীয় স্বজন ভিডিও দেখে ফোনের উপর ফোন করছে ঘটনা কি জানার জন্য। সত্যি বলতে ঘটনা কিছু না। রাতে হাঁসপাতলে সেন্টু ভাইকে দেখতে গেলাম। ভাতিজি বায়না ধরলো সেও সাথে যাবে। বাথরুমের বাইরে ভাতিজিকে দাঁড়া করিয়ে ভেতরে ঢুকেছি। বের হবার সময় দেখি দরজা বাইরে থেকে লক করা। আধ ঘন্টা পরে ভাতিজি দরজা খুলে দিয়েছে। এই মাত্র বুঝতে পারলাম ভাতিজি এই আধঘন্টা কোথায় ছিলো। মনে মনে রাগ হলো ভাজিতি আমাকে রেখে একা একা কিভাবে বিরিয়ানি খেলো। খাওয়ার সময় একটাবার কি চাচার কথা মনে পড়লোনা। ভাবি আবারো চেঁচিয়ে উঠলেনঃ
--আলিফ আমি জানিনা তুমি কি করবা। তবে এই ভিডিও ডিলিট করানোর ব্যবস্থা করো।
.
ভাইয়ার বাসার ডুপলিকেট চাবি নিয়ে বের হয়ে এসেছা। ভিডিও কিভাবে ডিলিট করবো তা জানিনা। তবে এখন আমি হাঁসপাতালে এসেছি সেন্টু ভাইকে দেখতে। মেরে বেচারার চোখের সার্টার বন্ধ করে ফেলেছে। চোখ ফুলে ছোট ছোট হয়ে যাওয়ার কারনে তাকে চাইনিজদের মতো দেখাচ্ছে। সেন্টু ভাই ঘুমাচ্ছে নাকি জেগে আছে সেটা বুঝতে পারছিনা। বুঝার জন্য তাকে ঠেলা দিতেই তিনি কুকিয়ে উঠলেনঃ
--“ব্যাথা রে ব্যাথা”
.
-ভাই কেমন আছেন।
.
--ভালো না। আলিফ এখানে একটা সুন্দরী নার্স আছে কিন্তু দুঃখের বিষয় তাকে দেখতে পারিনা। চোখ খুলতে কষ্ট হয়।
.
-তাহলে তো সুখেই আছেন সুন্দরী নার্স সেবা করছে।
.
--তা তো ঠিক কিন্তু একটা বদ সালা আছে। সবার হাতে ইনজেকশন দেয় আর আমার দেয় পাছায়। সালাটা বিরাট বেয়াদব। মাঝে মাঝে ইচ্ছা করে ইনজেকশন দেয়ার সময় ঠ্যাং তুলে লাথি দেই…
তার কথা শেষ হবার আগেই সত্যি সত্যি একজন এসে তার পাছায় ইনজেকশন দিয়ে গেলো।
সেন্টু ভাই রাগের ঠেলায় লোকটাকে লাথি দিতেই লোকটা সেন্টু ভাইয়ের ঠ্যাং চেপে ধরে ইনজেকশনের সুই দিয়ে পাছায় দুবার খোঁচা দিলো। সেন্টু ভাই গালি দেয়া শুরু করলেন গেন্ডা সালা, মার দুংগা। খোঁচা দিস খোঁচা। এমন দৃশ্য দেখে আমি অবাক হয়ে গেলাম।
সেন্টু ভাই এখন ঘুমাচ্ছেন আমি বের হলাম সেই মহিলার খোঁজে। ফেসবুকের সুবাদে জানলাম মহিলা পঞ্চগড় বেড়াতে এসেছেন। ডাক বাংলোয় উঠেছেন। আমাকে দেখেই তিনি বললেনঃ
--আপনার জন্যই অপেক্ষা করছিলাম। এতোক্ষন লাগে আসতে।
.
কিছু বুঝতে পারছিলাম না। তাই বললামঃ
-ম্যাডাম গাড়ির চাকা পাংচার হয়ে গেছিলো তাই দেরি হলো আসতে।
.
--আপনি গাড়ি নিয়ে এসেছেন?
.
-না ম্যাডাম মানুষের গাড়ি। রাস্তায় পাংচার হয়েছে। বসে বসে চাকা পাল্টানো দেখছিলাম।
.
--আপনি কি বলছেন কিছুই বুঝতে পারছিনা।
.
-বুঝতে হবেনা।
.
--অনুষ্ঠানের আয়োজন হয়েছে?
.
-কিসের অনুষ্ঠান?
.
--আশ্চর্য সমাজ সেবিকা হিসেবে আপনাদের ক্লাব থেকে আমাকে সন্মান জানানোর কথা না। কালকের ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পরে আপনারাই তো এসে বলে গেছেন। আপনি হাসতে থাকুন ক্লাব থেকে এসেছেন না?
.
সবকিছু বুঝতে পারলাম। তিনি আমাকে অন্যকেউ ভেবে ভুল করেছেন। আমি তার ভুল ভাঙ্গালাম না। তাকে সাথে নিয়ে সোজা সেলিম ভাইয়ার বাসায় আসলাম। তাকে খুব আনন্দিত মনে হচ্ছে। তিনি বাসায় ঢুকতে চাচ্ছিলেন না। বললাম এটা আমাদের ক্লাবের সভাপতির বাসা তিনি আপনাকে দুপুরের খাওয়ার জন্য দাওয়াত করেছেন। দুপুরে খাওয়া দাওয়ার পরে আপনাকে সন্মাননা দেয়া হবে। ভাইয়া অফিসে, ভাবি ভাতিজিকে নিয়ে স্কুলে, তামান্না সুন্দরী কোচিং এ। বাসায় আমরা তিনজন আমি, তাহমিদা আহমেদ আর অরিও। অরিও হলো তামান্না সুন্দরীর বিড়াল। বিড়াল দেখেই তাহমিদা আপু ভয়ে চিৎকার দিলেন “ও মাগো আমি বিড়াল ভয় পাই।” তিনি নিরিহ বিড়ালকে দেখে যেভাবে চিৎকার করলেন তাতে বেচারা অরিও নিজেই ভয় পেয়ে উল্টো দৌঁড় দিয়েছে। তাহমিদা আপুকে বললাম আপু কালকের ভিডিওটা দেখি কতো লাইক কমেন্ট পেয়েছেন। আপু আনন্দের সাথে ভিডিও দেখালেন। প্রচুর লাইক কমেন্ট শেয়ার। আপুকে অনুরোধ করলামঃ
-আপু ভিডিওটা ডিলিট করুন।
তাকে ভাতিজির বিষয়টা খুলে বললাম। তিনি কপাল ভাঁজ করে বললেনঃ
--ভিডিও আমি ডিলিট করবোনা।
-করলে সমস্যা কি? আপনি তো আর মানুষের প্রশংসা পাবার জন্য ভালো কাজ করেন নি। পূণ্যের কাজ করেছেন। দান করতে হয় গোপনে। প্লিজ আপু ভিডিও ডিলিট করেন।
--সরি পসিবল না।
-ভেবে বলুন ডিলিট করবেন কি না?
--আপনি আমাকে থ্রেট দিচ্ছেন? আপনি জানেন আমি কে। ভিডিও ডিলিট করবোনা। যা পারেন করুন।
.
আমি তেমন কিছু করিনি। তাহমিদা আপুকে আর বেড়াল ওরিওকে একই রুমে তালা মেরে চলে এসেছি। বাসা থেকে বের হবার সময় জানালা হালকা ফাঁকা করে দেখলাম তাহমিদা আপু টেবিলের উপর দাঁড়িয়ে বিড়াল দেখে ভয়ে কান্না করতেছেন। আর বেচারা বিড়াল তাহমিদা আপুর চিৎকারে ভয় পেয়ে রুমে দৌঁড়াদৌঁড়ি করছে।
আমি হেঁটে হেঁটে বাসার দিকেই ফিরছিলাম কিন্তু দূরে চার পাঁচজনকে এদিকে আসতে দেখলাম। ভয়ে গলা শুকিয়ে গেলো যখন দেখলাম তাদের মধ্যে একজন ন্যাড়া। পাশের দেয়াল টপকানোর চেষ্টা করেছিলাম কিন্তু পারিনি। ফসকে গিয়ে সোঁজা ড্রেনে পড়েছি। ততোক্ষনে ছেলেগুলো কাছে চলে এসেছে। একজন ড্রেনে উঁকি দিয়ে বললোঃ
--কে পড়লো রে?
.
আমি ড্রেনের ভেতর থেকেই বললামঃ
-ইধার কয়ি নেহি হ্যায়। কেউ নেই। তুম যাও ভাগো। তোমরা যাওগা।
তারা পাগল ভেবে সামনে এগিয়ে যেতেই মাথা তুলে দেখি আরে সালা এ তো ন্যাড়া না টেকো মাল। টাক মাথাকে ন্যাড়া মাথা ভেবে হুদাই ড্রেনে পড়লাম। শরীর থেকে বিশ্রি গন্ধ আসছে। মনে মনে বললাম ইস যদি থমকে দাঁড়িয়ে ছেলেটাকে সালা বেয়াদব বলে গালি না দিতাম এতো কাহিনী হতোনা। আর জীবনেও কাউকে গালি দিবোনা। তওবা তওবা।।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now