বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
তিতুনি এবং তিতুনি পার্ট ৬৩
"মজার গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান ʀɪᴍᴜ (০ পয়েন্ট)
X
“তাহলে কী করব?"
“এমন একটা কাজ করব যেটা দিয়ে সারা জীবন তিতুনিকে লজ্জা
দেয়া যায় ।"
টোটনের চোখ চকচক করে উঠল, “কী কাজ?”
“আগেরবার এটা করেছিলাম মিতুলের উপর। এখন তাকে আর কেউ মিতুলি ডাকে না। সবাই ডাকে হিসুনি।"
"হিসুনি?"
“হ্যা”, নাদুর মুখে হাসি ফুটে ওঠে। “মিতুল হচ্ছে আমার চাচাতো বোন। মাত্র ছয়-সাত বছর বয়স কিন্তু হেব্বি যন্ত্রণা। সারাক্ষণ কথা বলে, এক সেকেন্ড মুখ বন্ধ করে না। ধমক দিলে শুনে না, উল্টা ধমক দেয়। তখন ঠিক করলাম তাকে সাইজ করতে হবে। কি করলাম জানো?”
টোটন আগ্রহ নিয়ে জিজ্ঞেস করল, “কী?”
নাদু হাসি হাসি মুখে বলল, “জন্মের মতো সাইজ
কি দিয়ে করলাম জানো?”
“কী দিয়ে?” “এক গ্লাস পানি।"
টোটন অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল, “এক গ্লাস পানি?"
“হ্যা। মিতুল যখন ঘুমিয়েছে বিছানায় তার নিচে এক গ্লাস পানি ঢেলে দিলাম। সকালে ঘুম থেকে উঠে সে বেকুব হয়ে গেল-ভাবল সে বিছানায় হিসু করে দিয়েছে।”
নাদুর বুদ্ধি দেখে টোটন চমৎকৃত হয়ে গেল। নাদু দুলে দুলে হাসতে হাসতে বলল, “মিতুল সকালে ঘুম থেকে উঠে লজ্জায় টমেটোর মতো লাল হয়ে গেল। কারো সামনে মুখ দেখাতে পারে না। আমরা কি ছাড়ি নাকি? টিটকারি করতে করতে মিতুলের বারোটা বাজিয়ে ছেড়ে দিলাম। তাকে নিয়ে একটা কবিতা বানালাম
মিতুল মিতুল হিসুনি
এমন কাম আর করবানি?
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now