বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
.
আল্ট্রাস্নোগ্রাফীতে জানা গেল তিতলীর কোল জুড়ে ফুটফুটে একটা কন্যা সন্তান আসতে যাচ্ছে। আমি একবার চোখ বন্ধ করলাম। ফিরে গেলাম বছর চারেক আগে। আমাদের তখন নতুন সংসারঃ
- অ্যাই শুনো না।
- হু বলো।
- আচ্ছা আমাদের প্রথম সন্তান ছেলে নাকি মেয়ে হলে তুমি খুশি হবে?
- আল্লাহ্ তায়ালা যা দিবেন, তাতেই খুশি হবো।
- উফফ তার পরেও! প্লিজ বলো না, প্লিজ প্লিজ...
- আচ্ছা যাও, মেয়ে হলে।
- ওকে, আমি তাহলে ছেলে হলে খুশি হবো। হিহিহি।
- ওহ আচ্ছা তাই?
- হুম। কেন জানো?
- কেন?
- কারণ ছেলে অথবা মেয়ে কেউ তো আসবেই। যে-ই আসুক যাতে আমাদের দুজনের মধ্যে কেউ একজন খুশি হয়ে যায়। তাহলে চাইলেও অন্যজন মন খারাপ করে থাকতে পারবে না। হিহিহি...দারুণ না বুদ্ধি টা?
--
সেদিন ছিল ঝড়ের রাত। প্রচন্ড ঝড় হচ্ছিলো বাইরে। বিদ্যুৎ ও চমকাচ্ছিলো একের পর এক! এমন সময় তিতলীর প্রসব ব্যথা উঠলো। দ্রুত এম্বুলেন্সে ফোন করলাম আমি। তিতলী এদিকে ব্যথায় চিৎকার করতে শুরু করলো। দুশ্চিন্তায় আমার সারা শরীর ঘেমে যাচ্ছিল তিতলীর চিৎকার শুনে। এম্বুলেন্স এলো প্রায় দুই ঘন্টা পর।
.
তিতলীকে অপারেশন থিয়েটরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আমি বাইরে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছিলাম। কিছুক্ষণ পর ডাক্তার এসে জানালেন রোগীর অবস্থা ভালো না। মা অথবা মেয়ে যেকোনো একজনকে হয়তো বাঁচানো যাবে। আমি কাকে বাঁচাতে চাই, সেই ডিসিশান নিতে এসেছেন। আমার পায়ের নিচ থেকে যেন মাটি সরে গেল। বাইরের একেকটা বজ্র যেন আমার মাথায় এসে পড়তে শুরু করল। সিদ্ধান্তে আসতে বেশ সময় লাগলো আমার। আমার জীবনের সবচেয়ে বড় সিদ্ধান্ত ছিল সম্ভবত সেটিই। বলতে গিয়ে আমার গলা কাঁপছিল বারবার। ডাক্তার আমার সিদ্ধান্ত শুনে চলে গেলেন। সেই সাথে পৃথিবীতে আসার আগেই চলে গেল আমাদের ছোট্ট মেয়ে তিতুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now