বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
জন হেনরি জর্জ লি দুনিয়ার বিরলতম সৌভাগ্যবানদের একজন, ফাঁসির মঞ্চে নিয়েও যাকে ফাঁসিতে ঝোলানো যায়নি। একবার নয়, তিন- তিনবার চেষ্টা করেও কার্যকর করা যায়নি লির মৃত্যুদণ্ড। ঘটনা আজ থেকে প্রায় ১৩০ বছর আগের।
যুক্তরাজ্যের বাসিন্দা লি কাজ করতেন রাজকীয় নৌবাহিনীতে। আগে থেকেই তার বিরুদ্ধে নানারকম চুরির অভিযোগ ছিল। কিন্তু প্রমাণের অভাবে কিছুই করা যাচ্ছিল না। তবে ১৮৮৪ সালের ১৫ নভেম্বর যা হল, তাতে লির বাঁচার আর কোনো পথ রইল না। ঘটনার দিন তিনি কাজ করছিলেন তার চাকরিদাতা এমি কিজের বাসায়। সেদিন বাড়িতে জন ছাড়া কেউ ছিল না। বড়সড় দাঁও মারার লোভে এমি কিজকে নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করেন লি। বিচারে সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয় লির অপরাধ। ফাঁসির রায়ও হয়। এরপরেই ঘটে সেই আশ্চর্য ঘটনা। ১৮৮৫ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের জন্য লিকে জেলখানা থেকে নিয়ে যাওয়া হল ফাঁসির মঞ্চে। গলায় দড়িও পরানো হল। কিন্তু দেখা গেল পায়ের নিচের যে ট্রাপডোর সরে ফাঁসি কার্যকর করবে, সেটা নড়ছেই না। জেলখানায় ফিরিয়ে নেওয়া হল লিকে। ট্রাপডোর পরীক্ষা কিরে দেখা গেল কোনো ত্রুটি নেই। এরপর আরও দু'বার লিকে ফাঁসি দেয়ার চেষ্টা করা হয়, কিন্তু ফল সেই একই। লি থাকলেই ট্রাপডোর যেন নিজের কাজ ভুলে যায়। অথচ অন্য সময় স্বাভাবিক। এ অবস্থায় লির মৃত্যুদণ্ডের আশা বাদ দিতে হয় কতৃপক্ষকে। যুক্তরাজ্যের হোম সেক্রেটারি উইলিয়াম কোর্ট লির মৃত্যুদণ্ডের পরিবর্তে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দেন। লি তখন ১৯ বছরের যুবক। ২২ বছর পর জেল থেকে মুক্তি পান তিনি। এরপর পাড়ি জমান যুক্তরাষ্ট্রে। সেখানেই তার স্বাভাবিক মৃত্যু হয়।।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now