বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৯

"সাইন্স ফিকশন" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান ʀɪᴍᴜ (০ পয়েন্ট)

X দাঁত খোঁচানো খুব বাজে অভ্যাস। খোঁচাতেই যদি হয় তাহলে বাথরুমে গিয়ে দরজা বন্ধ করে খোঁচানো উচিত। শুনে জয়নল চাচার চোখ গোল আলুর মত বড় হয়ে গেল। নাক দিয়ে ফোঁস করে একটা শব্দ করলেন কিন্তু কিছু বললেন না। বড় চাচা একদিন কাজের ছেলেটাকে একটা চড় দিলেন, দেখে খালেদ বলল, এটা আমেরিকা হলে সে পুলিশে ফোন করে দিত আর পুলিশ এসে বড় চাচাকে ধরে নিয়ে যেতো। বড় চাচা থমথমে মুখে জানতে চাইলেন কেন, খালেদ বলল, শিশু নির্যাতনের অপরাধে। শুনে বড় চাচা অনেকক্ষণ কোন কথা বলতে পারলেন না। সুন্দর চাচার গুলপটি মারাও মনে হয় আগের থেকে একটু কমেছে, কারণ প্রত্যেকবার সুন্দর চাচা একটা গুলপট্টি মারতেই খালেদ হা হা করে হেসে উঠে বলে যে সুন্দর চাচা নাকি সত্য আর মিথ্যার মাঝামাঝি একটা ফ্যান্টাসির জগতে বাস করেন। এর নাকি চিকিৎসা দরকার। ভাল রকম চিকিৎসা না হলে শেষ বয়সে সুন্দর চাচাকে নাকি পাগলা গারদে থাকতে হবে। বড়দের মাঝে শুধু ছোট চাচার সাথে তার খানিকটা ভাব হল কিন্তু সেটাও খুব বেশি নয়। ছোট চাচা সিগারেট খান আর খালেদ দুই চোখে সিগারেট দেখতে পারে না। ছোট চাচাকে সিগারেট খেতে দেখলেই সে এমন হৈ চৈ শুরু করে যেন সিগারেট নয়, বিষ খাচ্ছেন। খালেদের অত্যাচারে বাসায় ছোট চাচার সিগারেট খাওয়া বলতে গেলে বন্ধ, সিগারেট খাওয়ার অপকারিতার উপরে লম্বা লম্বা লেকচার শুনে খালেদকে দেখলেই ছোট চাচার মেজাজ তিরিক্ষে হয়ে যায়। বাসার মহিলাদের সাথে অবশ্যি খালেদের কোন সমস্যা নেই, তারা মনে হয় খালেদকে পছন্দই করেন। বড় চাচী, মেজো চাচী সবসময়ই বলছেন, আহা, এইটুকু ছেলে কোথায় কোন দেশে বাবা মাকে ফেলে একা চলে এসেছে। তাকে ভালমন্দ খাওয়ানোর জন্যে সবার খুব আগ্রহ। কিন্তু খালেদ খাওয়া নিয়ে বেশি ব্যস্ত নয়। তার প্রিয় খাবার আলু ভাজা, আলু ভর্তা এবং আলু সেদ্ধ। ভাত খায় আলাদা। একই জিনিস বারবার খেতে দেখে সবাই মনে হয় একটু অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। খালেদের সাথে আমাদের অবশ্যি খুব ভাব হয়ে গেল। মনেই হয় না তাকে আগে কখনো দেখি নি। যখন আশে পাশে কেউ থাকে না, তখন সে মাঝেমাঝে আমেরিকার গল্প করে, নানা রকম নিষিদ্ধ গল্প, বড়রা জানতে পারলে মনে হয় খুনোখুনি হয়ে যাবে। খালেদের সাথে ইংরেজি বলার চেষ্টা করতে করতে আমাদের সবারই একটু একটু ইংরেজিতে কথা বলার অভ্যাস হয়ে গেল, হাস্যকর ইংরেজি কিন্তু তবু তো ইংরেজি! এভাবে আরো সপ্তাহ খানেক কেটেছে। একদিন খাবার টেবিলে সবাই বসে খাচ্ছি তখন বড় চাচী খালেদকে জিজ্ঞেস করলেন, বাবা, আমেরিকায় মেয়েরা নাকি খুব বেহায়ার মত কাপড় পরে? বেহায়া কথাটার মানে কি খালেদকে বোঝাতে বেশ একটু সময় লাগল, বোঝার


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২০ জন


এ জাতীয় গল্প

→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৫২
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৫১
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৫০
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৯
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৬
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৮
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৭
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৫
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৩২
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৩১
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৩০
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ১৭
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ১৮
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ১৯
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ২০

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now