বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
ভালই হল। আপনাদের এরকম জায়গায় ঘুরে ফিরে অভ্যাস নেই, তাই একটু চিন্তায় ছিলাম।
ছোট চাচা শুকনো গলায় জিজ্ঞেস করলেন, কাচু মিয়ার কি খবর? মুসলিম ভাই বলল, একটু আগে নৌকা করে গেল। সাথে সেই সাহেব। সব মিলিয়ে মোট চারটা নৌকা। নৌকোর মাঝে মালপত্র আর লোকজন দেখে মনে হয় যুদ্ধ
করতে যাচ্ছে। ছোট চাচা চিন্তিত মুখে আমাদের দিকে তাকিয়ে বললেন, দেখ, অ্যাডভেঞ্চার অনেক হয়েছে। জীবনে মনে হয় এত অ্যাডভেঞ্চার হয়নি। লিখলে বই হয়ে যাবে। চল এখন ফিরে যাই। খালেদের সাথে থেকে থেকে আস্তে আস্তে আমাদেরও সাহস বেড়ে গেছে। আমি
বললাম, ছোট চাচা, তুমি ফিরে যাও। আমরা জায়গাটা গিয়ে দেখে আসি।
রাজু মনে হল আরো এক ডিগ্রি ওপরে। গম্ভীর গলায় বলল, শুধু জায়গাটা দেখে আসব না, সাহেবের বারটা বাজিয়ে দেব।
ছোট চাচা রাগ চেপে রেখে বললেন, সেটা কেমন করে হবে শুনি? খালেদ বলল, প্ল্যান করছি। তুমি শুধু দেখ।
ঠিক কি নিয়ে কথা হচ্ছে খোয়াংসা চাইয়ের বোঝার কোন উপায় নেই কিন্তু দেখলাম সে গম্ভীর হয়ে মাথা নেড়ে রামদাটা মাথার ওপরে তুলে একটা হুঙ্কার দিল। ছোট চাচা তখন হাল ছেড়ে দিলেন। ক্লান্ত গলায় বললেন, কাগজ আছে কারো
কাছে।
আছে, কেন?
একটা চিঠি লিখি।
কাকে? বান্দরবন থানার ও.সি. কে। জানিয়ে রাখি ব্যাপারটা। মাঝি, চিঠিটা পৌঁছানো যাবে
না? কোন অসুবিধা নেই। ফিরে যাচ্ছে সে রকম কোন মাঝিকে দিয়ে দেব। পৌঁছে দেবে।
ছোট চাচা সময় নিয়ে একটি চিঠি লিখলেন। ছোট চাচা ইউনিভার্সিটিতে ফিজিক্স পড়েন কিন্তু লেখার হাত খুব ভাল। এমন একটা চিঠি লিখলেন যে, সে চিঠি পড়ে বান্দরবন থানার ও. সি. যদি সাথে সাথে শখানেক পুলিশ নিয়ে ছুটে না আসে, আমি কান কেটে ফেলব।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now