বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ২৫

"সাইন্স ফিকশন" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান ʀɪᴍᴜ (০ পয়েন্ট)

X অনুভূতির কোন ক্ষতি হয়ে যাবে। আমরা চুপ করে বসে রইলাম, ছোটচাচা একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে ফিসফিস করে বললেন, আহারে! কী সুন্দর! এখন মরে গেলেও কোন দুঃখ নাই। নৌকার মাঝি ছোট চাচার কথা শুনে মাথা নাড়ল, বড়বা ছোটদের অর্থহীন কথা শুনে যে রকম সস্নেহে মাথা নাড়ে সেভাবে। আমরা নৌকায় বসে বসে অন্ধকার নেমে আসতে দেখলাম। নৌকার মাঝি মুসলিম, যাকে আমরা মুসলিম ভাই বলে ডাকছি, আমাদের জিজ্ঞেস করল, খিদে লেগেছে নাকি ভাই? ছোট চাচা উত্তর দিয়ে বললেন, হ্যাঁ মাঝি, পেটের মাঝে তো চিকা বুক ডন মারছে, খাওয়া দাওয়ার কি ব্যবস্থা করলে? মুসলিম ভাই বলল, এই তো সামনে থামিয়ে রান্নার ব্যবস্থা করব। তার কথায় চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষার টান খুব বেশি কিন্তু কয়েক ঘণ্টা তার সাথে কথা বলে আমরা এখন তার কথা মোটামুটি বুঝে ফেলি। খালেদ অবশ্যি একটা কথাও বুঝে না। বুঝবে সেরকম আশাও করি নি! ছোট চাচা জিজ্ঞেস করলেন, সামনে কোথায় থামাবে? নদীর পাশে একটা ছোট জায়গা আছে। সেখানে রাতে সব নৌকা জড়ো হয়ে রাত কাটায়। একটা ছোট ঘর আছে, মাঝিরা সেখানে গল্পগুজব করে, চা সিগারেট খায়। রাতে রান্না করে খাওয়া দাওয়া করে। সবাই এক সাথে থাকে যেন বিপদ আপদ না হয়। কী রকম বিপদ আপদ ? মুসলিম ভাই উত্তর না দিয়ে বলল, কত রকম বিপদ আপদ আছে। রাত্রে নৌকা চালানো ঠিক না, পাহাড়ি নদী, কিছু বলা যায় না। ছোট চাচা কোন কথা বললেন না, মনে হল একটু ঘাবড়ে গেছেন হঠাৎ করে। মুসলিম ভাইয়ের কথাই সত্যি। আরেকটা বাঁক ঘুরতেই দেখি নদীর তীরে ছোট একটা ঝুপড়ির মত ঘর। তীরে অনেকগুলি নৌকা বাধা। মাঝিরা রান্ন। চড়িয়েছে। নৌকায় নৌকায় ছোট ছোট বাতি জ্বলছে মিটমিট করে। মুসলিম ভাই নৌকা থামাতেই আমরা নৌকা থেকে নেমে গেলাম। হাত পা ছাড়িয়ে হাঁটাহাঁটি করে আমরা ঝুপড়ির ভেতরে গেলাম দেখার জন্যে। ভিতরে টিমটিম করে বাতি জ্বলছে, মাঝখানে একটা চুলোয় বড় কেতলিতে চা গরম হচ্ছে। মাঝিরা শব্দ করে চুমুক দিয়ে দিয়ে চা খাচ্ছে। ভিতরে সিগারেটের ধোঁয়া, তার মাঝে সবাই গল্পগুজব করছে। ভিতরে সবাই আমদের জায়গা দিল। বসার কোন জায়গা নেই। মাটিতে পা ছড়িয়ে বসতে হল। আমরা কে কোথায় যাচ্ছি সেটা নিয়ে দেখলাম সবার খুব কৌতূহল। ছোট চাচা সুযোগ পেয়ে ডাইনোসোর, ডাইনোসোরের ফসিল এই সব নিয়ে একটা মস্ত গল্প


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১০২ জন


এ জাতীয় গল্প

→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৫২
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৫১
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৫০
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৯
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৬
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৮
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৭
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৫
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৩২
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৩১
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৩০
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ১৭
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ১৮
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ১৯
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ২০

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now