বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
কলেজ শুরুর প্রায় 2 মাস পরে কলেজ এসেছি। কিছুটা জেনো অচেনা লাগছে সব কিছু। অনেক দিন আগে আসলাম তো।
আমার সাথে আরেক জন মেয়ে ও আজই এসেছে। মেয়েটাকে দেখে আমি নিজেই থমকে গিয়েছি ।
এত সুন্দর একজন মেয়ে আমি আরেকটা দেখেছে কিনা তা জানা নেই। টানা টানা চোখ, ঠোটের নিচে তিল সত্যিই অপরুপ লাগে আমার । কথা বলতে চাইছিলাম কিন্তু ভয়ে পারে নি । প্রথম প্রথম তো
দুজন ক্লাস করতে ছিলাম হঠাৎ একটা সার এসে বললো । তোমরা দুজন একবার পিন্সিপালের সাথে দেখা করো এসো।
গেলাম
যেতেই সার বলছে নাম কি?
নাম বললাম দুজন ।(আমার একটু লাভই হলো মেয়েটার নাম টা জানতে পারলাম )
স্যারের অনেক গুলা কথা বললো শুনে চলে আসতেছি তখন মেয়েটি বললো
- হাই, আমি মিম।
আমি : জানি , আমি আরিফ।
মিম: জানেন মানে?
আমি : স্যারের সামনে বললেন না।
মিম: ও ও
আমি : এতো লেট করলেন কেন?
মিম : একটা প্রবলেম ছিলো, তা আপনি কেন দেরি করছেন?
আমি : বাড়িতে কাজ ছিলো অনেক ।
মিম : আচ্ছা এগুলা বাদ দেন। আমরা কি ফেন্ড হতে পারি ।
আমি : অবশ্যই
ফেন্ড হয়ে ঔই দিনের মতো কলেজ করে বাসায় চলে আসলাম ।
বিকালে ফেসবুকে গেলাম। ফেসবুকে লেখা লিখির খাতিরে আমার অনেক পরিচিতি ছিলো।
আমার আইডিতে একটা মেয়ে ছিলো। ।
নাম : আশা । প্রোফাইল আপডেট আর কিছু ছিলো না।
মেয়েটা আমার গল্প পড়তো । লাইক কমেন্ট করতো। মেসেজ করতো সারাদিন। কতগুলা রিপলে দিতাম কতগুলা দিতাম। মেয়েটা কখনো রাগ করতো না ।
ঔই দিন আর মেয়েটি কথা বলে নি ।আমি একটা পোষ্ট দিয়ে বের হলাম।
পরের দিন কলেজ গেলাম। দেখি কলেজের সামনে মিম দাড়িয়ে আছে।
আমি কাছে যেতেই কিরে এতো লেট করলি কেন?
আমি কিছুটা অবাক হয়েছিলাম কিন্তু নিজেকে সামলিয়ে আরে আর বলিস না রাস্তায় এতো জ্যাম। লেট হয়ে গেলো।
মিম : ok চল ক্লাসে চল।
প্রতিদিন এভাবেই চলতে ছিলো আমার জিবনটা।
মিমের প্রতিটা জিনিস আমার অনেক ভাললাগতো। ওর বন্ধুত্তপূর্ণ আচারন আমাকে ওর প্রতি দুর্বল করে ছিল ।
মিমকে প্রতিদিন আমার ফিলিংস গুলা বুঝাতে চেস্টা করতাম। কিন্তু মেয়েটা এই সব আমলেই নিত না। তবুও আমি চেস্টা করতাম।
মিমের প্রতি আমার আগ্রহটা প্রতি দিন বেড়েই চল ছিলো । আমার প্রত্যেকটা মুহুর্ত ওকে নিয়েই ভাবতাম। কাছে না থাকলে প্রচুর মিস করতাম।
এক কথায় বলতে মিম ছাড়া আমি আমার পৃ্থিবীটা সাজাতে পারতাম না।
মিমকে হারানোর অনেক ভয় হতো, আমার ওকে কাছে পাওয়ার আকুলতাও বেশি ।
তাই একদিন প্লান করে মিমকে আমার মনের কথা গুলা বললাম।
কিন্তু ফলাফল কি একটা থাপ্পর । আমি গালে হাত দিয়ে বসে আছি।
মিম বলছে ,
- আমি তোর থেকে এই জিনিসটা আশা করি নি । তোকে আমার সবচেয়ে ভালো একজন ফেন্ড মনে করতাম। কিন্তু তুই তার মর্যাদা রাখলি না ।
কথা গুলা বলে মিম চলে গেলো ।
আমি এখনো বসে আছি গালে আছি ।
কিছুক্ষণ পরে বাসায় চলে আসলাম। অনেক কান্না করতে মন চাইছিলো কিন্তু পারি নি । নিজেকে বুজ দিলাম একটা মেয়ে যে তোকে ভালবাসে না তার জন্য তুই কান্না করবি কেন। মনটা না মানলেও অনেক কষ্টে নিজেকে সামলিয়ে নিলাম।
মিমকে ভুলে থাকার জন্য কলেজ যাওয়া বাদ দিলাম । কলেজে গেলে তো মিমের সাথে দেখা হতো। তার জন্য সব সময় বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত থাকতাম।
খারাপ কোনো অভ্যাস ছিলো না তাই ঐই দিকে মন দিতাম না। তবে ফেসবুক ব্যবহার করতাম বেশির ভাগ সময় ।
ফেসবুকে আশা নামের মেয়েটার সাথে ভাল একটা সম্পর্ক হয়ে গিয়েছে এখন । প্রতিদিন কথা হতো। আমি ওকে আমার দেয়া একটা নামে ডাকতাম নামটা হলো তিলু।
আমাকে নাকি ওর অনেক পছন্দ হতো এই কথা অনেক বলতো। কিন্তু আমি কেয়ার করতাম না। আসলে মিমকে আমি কখনো ভুলতে পারবো না তাই মিম বাদে অন্য কারোর কথা মাথায় আসে না।
আশা নামের মেয়েটাকে আমার স্টোরি টা বললাম, তার পরও ও আমায় লাইক করতো।
আমি আর কখনো কিছু বলতাম না। এক সপ্তাহ ধরে বুজাতে পারলাম না আর কি বুজাবো।
তবে এই কয়েকটা দিনে মিমের প্রতি আমার রাগ টা কমে গিয়ে ছিলো। তাই ভাবলাম একবার কলেজ যাই।
পরের দিন কলেজে আসলাম,
ক্লাসে ঢুকসি আমি কিন্তু আশ্চর্যের ব্যাপার সবাই কেমন যেনো আমাকে ঘুড়ে ঘুড়ে দেখছে
হয়তো এক সপ্তাহ আসি নাই তাই । আমি ঐই দিকে খেয়াল দিলাম না।
কিছুক্ষণ পরে মিম আসলো
আমাকে দেকে একটু অবাক হলো হয়তো তবে মুখটা কালো করে চলে গেলো । জানিনা হয়তো রাগ এখনো কমেনি। আমি ও কিছু বললাম না। প্রতিদিন কলেজ যেতাম আসতাম এই মিমের সাথে কথা বলতাম না আর ।
চলছিল এমনেই
তবে আজ ফেসবুক ফেন্ড আমায় বলছে আমার সাথে নাকি একবার দেখা করবে
আমি না করলাম কিন্তু শুনলো না। অনেক জুড়াজুড়িতে দেখা করার জন্য রাজি হলাম।
ও বলছে ও আসবে নিল রংয়ের জামা পড়ে। আমি ও একটা কালো শার্ট পড়ে যাবো বলে ঠিক করলাম।
পরের দিন বিকালে পার্কে গেলাম যেয়ে দেখি মিম বসে আছে নিল রংয়ের ড্রেস পরে।
আমি কিছুটা অবাক হলাম। তবে এটা ভেবে ভাল লাগছে যে এতোদিন যে মেয়েটা আমার ভালবাসার কথা বলতো সে আর কেউ না আমার মিম।
তাই একটু চালাকি করে শার্ট টা খুলে (নিচে গেন্জি ছিলো)
ওর কাছে গেলাম ।আমায় দেখে অবাক হলো। তবে মনে হয়না আজ রেগে আছে
তাই রিলাক্সে প্রশ্ন করা শুরু করলাম
আমি - কিরে এখানে বসে আসিস কেন?
মিম : আমার এক ফেন্ড আসবে।
আমি : কে?
মিম : তোকে বলবো কেন?
আমি : সিক্রেট কেউ। লাইক করোস নাকি।
মিম: হুম । এতো প্রশ্ন করোস কেন। তুই এখান থেকে যা আজই প্রথম দেখা করবো । যদি তুই পাশে থাকোস আবার কি না কি মনে করে।
আমি : তার মানে তুই আগে দেখোস নাই। যদি কানা হয় খোড়া হয় তবে।
মিম : হলে আমার হবে তোর কি। যা এখান থেকে।
আমি : ঠিক আসে।
বলে কিছুদুর এসে আমার দেওয়া ফেসবুকের নাম ধরে ডাক দিলাম।
মিম কিছুটা অবাক হলো আর আমায় ডাকলো।
আমি : কি বল।
মিম : তুই এই নাম কার থেকে শুনছোস
আমি : এটা তো আমার ফেন্ড এর নাম
মিম : মানে কি তাইলে কি তুই
আমি : হুম । আমি সেই
মিম কিছুটা স্তব্ধ হয়ে গেলো।
আমি : কিরে কি হলে।
মিম : তুই তোর প্রোফাইলে কিছু দেস নাই কেন?
আমি : আমার ভালো লাগতো না। তবে এখন মনে হচ্ছে না দিয়ে ভুলই হয়েছে ।
মিম : কেন
আমি : তাইলো তো ঐইদিন চরটা খেতে হতো না।
মিম : হুম । আচ্ছা ঐইদিন খুব লেগেছিলো না।
আমি : হুম
মিম : সরি, আমি কি পাগল তুই এতো কাছে ছিলি তারপরও তোকে চিনতে পারি নাই। তা উপর তোকে অনেক কষ্ট দিলাম । আমায় মাফ করে দিবি তো?
আমি : দেব তবে একটা সর্তে
মিম : কি
আমি: তোকে আমার তুমি হয়ে থাকতে হবে।পারবি । আর আমায় প্রপোজ করতে হবে ।
মিম : আমি তো তোমারই । আর প্রপোজ ওকে করছি,
মিম আমায় প্রপোজ করবে করবে ভাব
তখনই আমি,
I love you mim
মিম : তুমি বললে কেন।
আমি : তোমাকে শোনাবো বলে
মিম : তাই। i love you 2 .
আমি : জানি
মিম : জানবেই তো এতোদিন তো এটায় বুঝাতাম।
আমি : হুম।
মিম : হুম। তবে খুব ভাল লাগছে ,শেষমেস তোমায় পেলাম।
আমি : আমি ও ।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now