বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
এই সাহেদ, বাবা আজ অফিস থেকে একটু তারাতারি আসিস। কেন মা? আজও আবার মেয়ে দেখতে নিয়ে যাবে নাকি.? আর ভালো লাগেনা, কেন যে ছাত্র সময়ে একটা প্রেম করলাম না। সাহেদ বলে আর হাসে।হুম তুমি আমাদের একমাত্র ছেলে, চাইলেই তোমাকে যাকে তাকে ঘরে এনে তুলতে দেব সাহেদের মা চিৎকার করে বলে।
ঠিক আছে মা ৫ টার সময় আসবো, তোমরা তৈরি থেকো। ঠিক সময় মত সাহেদ বাসায় আসলে, সবাই মিলে সাহেদকে নিয়ে মেয়ে দেখতে যায়।
দরজা খুলে নাদের সাহেব ভিতরে আসতে বলে, সাহেদেরা ভিতরে ঢুকে আর বসে কথাবার্তা শুরু করে। কথাবার্তার এক পর্যায়ে যাকে তারা দেখতে এসেছে তার আগমন হয়। একদম সাধাসিধে বেশে এসে সবাই কে চমকে দেয় চৈতি!!!! চৈতির বাবা মেয়ের এই আচরনে হতভম্ব হয়ে যায়, তবুও নিজেকে সামলিয়ে মেয়েকে পরিচিত করিয়ে দেয়। চৈতির মায়াবী চেহারা সাহেদের খুব ভালো লেগে যায়, যাকে বলে প্রথম দর্শনে প্রেম। বাবা-মা র মুখে চেয়ে সাহেদ নীরব থাকে। সাহেদের মা সুবহানআল্লাহ বলে, বলে উঠে আমরা তো এই রকমই একটা মেয়ে খুঁজছিলাম, যাক মেয়ে আমার পছন্দ হয়েছে।
সাহেদের মা তার কাছে মতামত জানতে চাইলে, তার মৌনতা আর হাসিমুখ সম্মতির হ্যা সূচক প্রকাশ করে। সাহেদের বাবা-মা চৈতির বাবাকে জানায় মেয়ে তাদের খুব পছন্দ হয়েছে। চৈতির বাবাও বলে ছেলেকেও তাদের পছন্দ হয়েছে। কিন্তু একটা কথা আপনাদের জানানোর আছে, চৈতির বাবা জানায়..,
আমার মেয়ে কিছুদিন আগে এক দুর্ঘটনার স্বীকার হলে ডাক্তারেরা জানায়, তার মা হতে জটিলতা দেখা দিতে পারে, এটা আবার না ও হতে পারে,,, আমার জানানো উচিৎ মনে করেছি বলে জানালাম... এখন সিদ্ধান্ত আপ্নাদের!!
সাহেদের মা একথা শুনেই উঠে পরে,, এ অসম্ভব। আমার একমাত্র ছেলের বাচ্চাকাচ্চা না হলে তো আমার বংশেরবাতি দেওয়ার কেউ থাকবে না।
সাহেদেরা চৈতিদের বাড়ি থেকে চলে আসে, কিন্তে সাহেদের মনে চৈতিকে খুব ধরে যায়, প্রেম এমন একটা জিনিষ কে কখন পড়ে কিছু বলা যায় না.।
তার কিছুদিনের মধ্যে সাহেদ চৈতিদের ফোন নম্বর সংগ্রহ করে ফোন দেয়,
হ্যালো কে চৈতির মা প্রশ্ন করে.,
আমি সাহেদ,
ও হ্যা বলো কি বলবে.?
আন্টি একটু চৈতি কে ফোনটা দিবেন।
কেন.?
এমনি, প্লিজ আন্টি ডেকে দিন না।
ঠিক আছে দিচ্ছি বাবা,
হ্যালো হ্যালো চৈতি!!
কিছুক্ষণ নিশ্চুপ থাকার পর চৈতি বলে কি হয়েছে বলেন।
কালকে কি আমরা দেখা করতে পারি.?
কেন?
জানিনা, তবে প্লিজ দেখা করেন, সাহেদ বলেই নিশ্চুপ হয়ে যায় কিছুক্ষণ।
হুম ঠিক আছে...চৈতি উত্তর দেই।
তার পরেরদিন সকালে পূর্বের ঠিক করা স্থানে চৈতি ও সাহেদ দেখা করে।
চৈতি কিছু সময় নীরব থাকার পরে বলে, বলুন কেন আপনি আমাকে দেখা করতে বললেন।
সাহেদ বলে কিভাবে যে বলি, আপনাকে প্রথম দেখাতেই আমার খুব খুব ভালো লেগে যায়। কিন্তু ঐ ব্যাপার টা আমাদের অন্তরায় হয়ে দাড়ায়.। যাই হোক যেটা বলতে চাচ্ছি, এতো ঘুরিয়ে ফিরিয়ে কথা বলা আমার স্বভাব না, যা বলার স্পষ্ট বলি, এখন আমার প্রেম করার বয়স না তবে আমরা প্রেম করবো বিয়ের পর..! বিয়ে করবে আমায়..? এই কথা গুলো এক নিশ্বাসে বলার পর সাহেদ চৈতির মুখের দিকে তাকায়, চৈতি হতবাক!!
তার কিছু সময় পরে চৈতি বলে, আপনি যা বলছেন ভেবে বলছেন তো.?
এটা আপনার বাবা-মা কোন ভাবেই চায় না, না এটা অসম্ভব।
কিন্তু আমি চাই, খুব করে চাই মনে প্রানে চাই।
দুজন দুজনের গন্তব্যে ফিরে যায়..।
যাওয়ার সময় সাহেদ চৈতি কে বলে আমি তোমার ফোনের অপেক্ষায় থাকবো কিন্তু।
তার কিছুদিন পরে এক সকালে চৈতি সাহেদকে বলে আজ ফাঁকা আছেন..?
হুম আছি কিন্তু কেন.?
আপনি কি এখনো আমাকে বিয়ে করতে রাজি আছেন.?
হ্যা আছি,
তবে চলুন আজই বিয়ে করে ফেলি।
কি আজই বিয়ে, চমকিত কন্ঠে সাহেদ চিৎকার করে উঠে।
পাশে থাকা সাহেদের মা বলে কি হয়েছে কার বিয়ে.?
আমার বিয়ে মা.!
সাহেদ সকল ঘটনা তার মাকে জানায় আর এক পর্যায়ে, সাহেদ আর চৈতির উভয় পরিবারের সম্মতিতেই তাদের বিয়ে সুসম্পন্ন হয়.।
সজল কুমার দাস
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now