বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
#তার_স্পর্শ❤
#পর্ব_৫
#Humayun_Kabir
-কি হল রেনু ডাকলি কেন?
-আজকে শপিং যাব আমরা!
-ও হ্যাঁ আমার তো মনেই নেই!
এ কয়দিন আমার কিছুই মনেই থাকে না।আমি আমার ড্রয়ার থেকে পড়ে নিলাম।একটা বোরকা পড়ে নিলাম
রেনু তো আমাকে বোরকায় দেখে হাসছে!
-এই হাসতেছিস কেন?
-তোমাকে পুরো আন্টির মত লাগতেছে!ছেলেরা ঠিকই বলে মেয়েরা বড় হলেই আন্টি আন্টি ভাব এসে যায়????
-চুপ এটা কে বলেছে?নিশ্চয় তোর মজনু!!
-আরে আকাশ বলিনি!
-আকাশ কে আবার?
-যাকে তুমি আমার মজনু বলে ডাকছো!...আকাশের বড় ভাই উজ্জ্বল ভাই আছে সে বলেছে!...
তাহলে উজ্জ্বল মেয়েদের এসব বলে।হারামজাদাটা ঠিকই মেয়েদের দেখলে জ্বলে।এখন আর ক্ষমা চাইবো না।মেয়েদের নিয়ে এসব মানসিকতা মানুষের কাছে আমি কেন ক্ষমা চাইবো উল্টা তার জন্য আম্মু আমাকেই বকলো।,,,,,,,
-তুমি কি ভাবছো আম্রু আপু!
-কিছু না!....
-তোমাকে আন্টি বলছি তাই মন খারাপ করছো?
-আরে না তুই কিছু বললে মন খারাপ কেন করতে যাবো!.....
আমি আর রেনু একটা রিকশায়।আম্মু আর খালামণি অন্য রিকশায়।আম্মু আর খালামণি রিকশায়ও এখন কথা বলছে।দুইজন বোন জড় হলেই কথা বলা শুরু আমার তো ভালো লাগে না।রেনু মেসেঞ্জারে আকাশের সাথে একটা সংসার করছে সেটা সামলাচ্ছে।কখনো চ্যাট তো কখনো অডিও কল।,,,,,,,,
পুরো রাস্তায় এসব করেছে।আর আমি সদ্য আকাশের দিকে চেয়ে আছে।আকাশ আজ যেন নতুন কাব্য রচনা করছে।সহজ-সরল ভাবে আমার সাথে কথা বলতে চাই আর আমি তার দিকে মুগ্ধ হয়ে দেখে আছি।,,,,,,,
রেনু আমার একটা থাপ্পর দিয়ে জাগালো।মানে এতক্ষণ আকাশ দেখতে দেখতে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম।রেনু একটা পানির আমার হাতে ধরিয়ে বলল খেয়ে নিতে।আমি অর্ধেক খেয়ে আর অর্ধেক ছিটা মারলাম।,,,,,,,
বেশ ভালো লাগছে ঘুমিয়ে এখন মন ফুরফুরে মেজাজে আছে।আমি আর রেনু শপিং মলের লেডিস কর্ণারে আছি।আমি আমার জন্য জন্য কিছুই দেখছি না। রেনু যা দেখছে নিজের জন্য দেখছে।আর আমি নিরব দর্শক মত দেখে আছি।,,,,,,
হঠাৎ করে রেনু বলে উঠলো আকাশের জন্য রেনু একটা গিপ্ট দেখবে আমি বার বার না করলেও রেনু এমন ভাবে মুখটা করলো যে যেতেই হলো।,,,,,,,
আমি রেনুর পাশে দাড়িয়ে আছি।তখনি উজ্জ্বল কে শপিং মলের জেন্টস কর্ণারে ঢুকতে দেখে আমার মন লাফাতে শুরু করলো।বেয়াদবটা এখানে দেখলে রেনুর সামনে আমার মান ইজ্জত সব খাবে।,,,,,,
কথায় আছে না আপনি যার থেকে পালাচ্ছেন সেই আপনাকে পাবেই।আমি ছটফট করে বের হয়ে যাচ্ছি তখনি রেনু আকাশ বলে ডাক দিল।
গেল তো উজ্জ্বলও দেখে ফেলল।আমি আমার মুখের চাঁদটা দেখিয়ে একটা হাসি দিলাম।,,,,
উজ্জ্বল মুখটা বাকিয়ে নিল।
আকাশ রেনুকে আমার দিকে ইশারা করে বলল আমি কে?
সেও বিনা দ্বিধায় বলে দিল আমি তার খালাতো বোন।আকাশ বলল সে মনে করছিল আমি তার মা।কথাটা বলে খু খু হেসে দিল।উজ্জ্বলও জোরে জোরে হাসতে লাগলো।তখন ইচ্ছা করছিল দুইজনের দাঁত বত্রিশটা ভেঙে ফেলি! নিজেকে আগে আয়নায় দেখে আয়!!........
রেনু আকাশ চুপিয়ে করিয়ে দিল।
রেনু আকাশকে জিজ্ঞেস করলো তারা এখানে কি করছে?
-আমরা এখান থেকে একজনের একটা গিপ্ট কিনতে আসছি!
-গিপ্ট থেকে মনে পড়লো আমিও তোমার জন্য একটা গিপ্ট কিনতে এদিকে আসছি!কিন্তু তোমার পছন্দ বুঝছি না তাই আপুকে নিয়ে আসছি!এখন তুমিই বল তুমার পছন্দের জিনিস নিয়ে এখানেই গিপ্ট করে দি!
-আচ্ছা চল!
-আপু চল!
-আপু কে নিতে হচ্ছে!
-আসলে এখানে আম্মুও আসছে আম্মু আপুর সাথে এখানে হাটতে বলছে আপুর সাথে যেতে পারছি বলে এখন আম্মু নেই!
-তাহলে আপুর সাথে উজ্জ্বল ভাইয়া আছে!আর গিপ্ট কিনতে কতক্ষণ
-আচ্ছা আপু তুমি কিছুক্ষণ দাড়াবে?
-আচ্ছা তুই যা!
আমি উজ্জ্বল থেকে দূরে সরে আছি এতক্ষণ। কোনো কথা আমার আর তার মাঝে এত আওয়াজের ভেতর আমি যেন উজ্জ্বলের নিশ্বাসের আওয়াজই শুনছি।,,,,,,,
হঠাৎ দেখলাম খালামণি আর আম্মু এদিকে আসছে হয়তো দেখিনি। আমি উজ্জ্বলকে নিচু হতে বললাম।কাপড়ের পেছনে নিচু হয়ে বসে পড়লাম।আমি আর উজ্জ্বল এতই ক্লোজ ভাবতেই লজ্জা লাগছে আমার।,,,,,,,,
কিছু বড়ো -বুড়ি মনে করছে আমরা দুইজন কোণায় কিস করছি।কিছুক্ষণ পর আমি লজ্জায় উঠে পড়লাম।উজ্জ্বলও আমার দিকে আর তাকাচ্ছে না আমি লজ্জায় পুরো কোন দিকে তাকাতে পারছি না।,,,,,,,
কিছুক্ষণ পর রেনু আর আকাশ আসলো।,,,,,,,
চলবে,,,,,,,,,,,,
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now