বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
-কিরে সুমাইয়া কই যাস,,
-কই যাই তকে বলতে হবে
-বললে দোষ কি, বল নাহ কই যাস
-জাহান্নামের চৌরাস্তাই যাই
-ভালো, কিন্তু এটা কোথায়!
অামারে
একটু নিয়ে যাবি! অামি দেখবো
জায়গাটা কেমন!
-দেখ তামিম মেজাজটা খারাপ
করিস
না! এমনিতেই ভালো খারাপ
অাছে!
তুই এখান থেকে যাহ! অার অামাকে
যেতে দে!
-সুমাইয়া তর কি হইছেরে তুই এমন করিস
কেন! অামিও তর সাথে যাব!
-তুই অামার কে, যে তরে সাথে
নিবো!
তুই এখান থেকে যা তো তামিম!
তকে
দেখতে অামার মন চাইছে না!
-অাচ্ছা সুমাইয়া তুই কি অামার
প্রতি
রাগ!
-তর প্রতি অামি রাগ করবো কেনো!
তুই
অামার কে!
-নাহ দেখলাম, অামাকে তুই
তামান্নার
সাথে দেখার পর থেকে এমন করছিস!
অাচ্ছা তুই কি অামাকে
ভালবাসিস!
-অামার বয়েই গেছে তর মত
ছেলেকে
ভালবাসতে! তর থেকে কত ভালো
ভালো ছেলে অামার জন্য
পাগল,অার
অামি কিনা তকে ভালবাসবো!
-দেখ সুমাইয়া অামি জানি তুই
অামাকে ভালবাসিস! তাই
তামান্নার
সাথে দেখে অামাকে এমন করছিস!
এই কথা বলতেই সুমাইয়ার মনটা
খারাপ
হয়ে গেলো! যেন কেঁদে দিবে! তবুও
মুখে হাঁসি রেখে চলেগেলো!
অামিও
তাকে থামাই নি! পরে অামিও
অামার
বাসায় চলে অাসি,,!
.
সুমাইয়া অামার ভার্সিটি
লেভেলের
একমাত্র বন্ধু! সেই ভার্সিটি ভর্তি
পরীক্ষার দিন হতে! পাশাপাশা
সিট
ছিলো, অামার কাছে একটা প্রশ্ন
জিঙ্গাসা করেছিলো পরীক্ষার
ঠিক
শেষ মুহূর্তে! অামি
বলেদিয়েছিলাম!
সেই থেকে বন্ধু, অামরা দুজনের একই
ডিপার্টমেন্টে পড়ি!
সুমাইয়া ছারা অামার অার কোন
বন্ধু
কিংবা বান্ধবি নেই! তারও নেই
অামি ছারা! কারণ সে অামাকে
কোন
মেয়ের সাথে মিশতে কথা বলতে
দেইনা! এমনকি কোন ছেলেদের
সাথেও
নাহ! মাত্র দুয়েকটা অামার চেনা
বন্ধু
ছারা! যদি কোন বাজে নেশাই পরে
যাই সেই ভয়ে! সুমাইয়াও কোন
ছেলেদের সাথে কখনোই কথা
বলেনা!
যদি অামি রাগ হই তাই!
কোন একদিন দেখেছিলো এক
মেয়ের
সাথে কথা বলছি! অাসলে কথা নাহ
নতুন
ভর্তি হয়েছে তাই প্রিন্সিপাল এর
রুম
চেনেনা তাই কথা বলছিলাম!
তখন সুমাইয়া অামার অামাকে
ডেকে
নিয়ে দুই গালে দুটো থাপ্পর দিয়ে
চলে যাই! পরে দুই দুর ভার্সিটিতেও
অাসেনি এবং কোন খাওয়া
দাওয়াও
করেনি! অাসলে খুব জেদি একটা
মেয়ে
সুমাইয়া কিন্তু তার মনটা অনেক
ভালো!
জানি সে অামাকে ভালবাসে
কিন্তু
বলেনা যদি কিছু মনে করি! কিন্তু
সেও
জানেনা অামিও তাকে
ভালবাসি!
অামাকে অনেক বেশি ভালবাসে
তাই
অাজ তামান্নার সাথে দেখে
এমনটা
করছে!
অাসলে অামার বন্ধুর শাকিলের
র্গাল
ফ্রেন্ড তামান্না! যেই কথা শুধু
অামি
শাকিল তামান্না ছারা অার কেও
জানেনা!
তাই তাদের ব্যাপারে কথা
বলতেছিলো অামার সাথে!
পাগলীটা অনেক বেশি ভালবাসে,
তাই অামার প্রতি অভিমানটাও
বেশি
তার!
এইসব ভাবছি হঠাৎ সুমাইয়ার ছোট
বোন ফারিয়ার কল!
-হ্যালো ভাইয়া
-হুম বলো ফারিয়া!
-ভাইয়া অাপু ত অনেকগুলো ঘুমের
ট্যাবলেট খেয়ে ফেলেছে!
-কি বলো কখন খেলো!
-এইতো অনেকক্ষণ, অাপুকে এখন
হাসপাতালে নিয়ে গেছে!
-ঠিক অাছে অামি অাসছি
ফারিয়া!
-হ্যালো তামান্না
-হুম তামিম ভাই বলেন!
-তুমি একটু হাসপাতালে অাসো ত
এক্ষুনি!
-ঠিক অাছে অামি অাসছি ভাইয়া!
.
-ফারিয়া, সুমাইয়া কোন ক্যাবিনে
অাছে! ৩০ নম্বর!
৩০ নম্বর ক্যাবিনে অামি গিয়ে
দেখি
সুমাইয়া বেডে শুয়ে অাছে!
অামাকে
দেখেই মুখটা ঘুরিয়ে ফেলেছে!
-সুমাইয়া অামি কি চলে যাবো!
(কোন
কথা নেই)
-সুমাইয়া অামি কি চলে যাবো
(অাবারো কোন কথা নেই)
-অাচ্ছা সুমাইয়া চলে যাচ্ছি, তুই
ভালো থাকিস!
-হ্যা যাবিই তো, অামি তরকে, যা
নাহ তর তামান্নার কাছে যা!
অামার
এখানে তকে কে অাসতে বলেছে!
-তামান্না এইদিকে অাসো!
-জি
-তামান্না তুমি এখন বলো অামার
সাথে তোমার কি সম্পর্ক!
-অাসলে সুমাইয়া অাপু , অাপনে যা
ভাবছেন তা নাহ! অামি তামিম
ভাইয়ার বন্ধু শাকিলকে ভালবাসি!
শাকিলেও অামাকে ভালবাসে!
কিন্তু
অামার বাড়িতে বিয়ের কথা
হচ্ছে!
তাই কি করবো তামিম ভাইয়ার
কাছে
পরামর্শ নিচ্ছিলাম! কিন্তু অাপনে
কি
নাহ কি ভাবলেন! তামিম ভাইয়া
অামার বাবাকে ভালো করে
বুঝিয়েছে! অাগামি মাসে
শাকিলের
সাথে অামার বিয়ে!
-অাচ্ছা তামান্না তুমি এখন যাও
-অাচ্ছা যাচ্ছি!
-এই তুই দেখলি তামান্নার সাথে
অামার কি সম্পর্ক! অাচ্ছা অামি
এখন
চলে যাই!
-কই যাবি
-জাহান্নামের চৌরাস্তাই
-অামাকে নিবিনা
-তুই অামার কে যে তকে নিবো!
-অামি তর পাগলী! অার তুই অামার
পাগল! তুই যেখানে যাবি! অামিও
তর
সাথে যাবো!
-নাহ তকে নিবোনা! অামার চেয়ে
অারও ভালো ভালো ছেলে তর
পেছনে
ঘুরে তুই তাদের সাথেই যাহ!
-এই তুই রাগ করছিস কেন! যখন
তামান্নার
সাথে তরে দেখছি তখন অামার কি
রাগ
হয়নি! তুই কেন বুঝিস নাহ তকে অামি
ভালবাসি!
-হ্যা ভালবাসি, ঐদিন বললি অামার
মতো ছেলেকে তুই ভালবাসবি কোন
দুঃখে! অামাকে ভালবাসতে
হবেনা!
অামি চলে যাচ্ছি!
এই কথা বলে দরজার সামনে চলে
অাসতেই সুমাইয়া অামার হাত টান
দিয়ে ধরলো!
এই কই যাস অামাকে নিয়ে যা!
অামি
তকে ভালবাসি!
-এই তুই বেড থেকে উঠলি কেন!
-তুই চলে যাচ্ছিস, অামি কি করবো
তকে যে খুব বেশি ভালবাসি!
তাইতো
বেড ছেরে উঠে তর হাত ধরলাম!
-অারে পাগলী অামি কই যাবো
তকে
ছেরে! অামিও যে তকে খুব বেশি
ভালবাসি!
-হ্যা অামিও! অামি সারাজীবন তর
পাগলী হয়ে থাকতে চাই রাখবিনা!
-নাহ রাখবোনা! সারাজীবন
পাগলী
হয়ে থাকতে চাইলে তুই করে বলতে
পারবিনা!
-ঠিক অাছে বলবোনা! কিন্তু
অাস্তে
অাস্তে পাল্টাতে হবে! এখন বল
রাখবিনা তর পাশে সারাজীবন তর
পাগলী করে,,
-হুম রাখবো তকে এবুকে অামার
ভালবাসার ঘরের পাগলী করে!
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now