বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
এটি বাংলাদেশের একটি ঘটনা। শিমুল ও সমি দুজন ভিন্ন ধর্মাবলম্বী। সমির বাড়ি হবিগঞ্জে এবং শিমুলের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়। কাকতালীয়ভাবে দুজনের নানাবাড়ি পাশাপাশি। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার সাতবর্গ গ্রামে।
শিমুলের নিজের বাড়িও একই গ্রামে। নানাবাড়িতে প্রায়ই বেড়াতে যেতেন মাধবপুর সদরের শংকর চক্রবর্তীর মেয়ে সমি। কয়েক বছর আগে নানাবাড়িতে যাওয়ার পথে শিমুল চৌধুরীর সঙ্গে তার পরিচয়।
পরিচয়ের সূত্র ধরে একসময় তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ধীরে ধীরে তৈরি হয় ঘনিষ্ঠতা। একসময় শিমুলকে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেন রূপসী সমি। তখন বাধার দেয়াল হয়ে দাঁড়ায় ধর্ম। একে তো হিন্দু তার ওপর ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্ম।
অভিভাবকদের কোনভাবেই রাজি করাতে পারছিলেন না সমি। ততদিনে তাদের প্রেম প্রশান্ত মহাসাগরের মতো গভীরতায় রূপ নেয়। অবশেষে প্রিয়জনের হাত ধরে ডিঙান ধর্মীয় বাধার দেয়াল।
এরপর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে পাল্টে ফেলেন ধর্মীয় পরিচয়। সমি চক্রবর্তীর বদলে নতুন নাম রাখেন আয়েশা আক্তার সুমি। ওই দিনই তাকে বিয়ে করেন শিমুল। এদিকে শিমুলের বিরুদ্ধে একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন সমির পিতা শঙ্কর চক্রবর্তী। মামলার পর গ্রেপ্তার করা হয় প্রেমিক যুগলকে। কিন্তু প্রেমের কাছে চূড়ান্তভাবে হার মানে রক্তের বন্ধন। এখন তারা দিব্যি সুখে সংসার করছেন।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now