বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

সসারে করে গ্রহে ভ্রমণ (খন্ড ১)

"সাইন্স ফিকশন" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান siam ahmed (০ পয়েন্ট)

X আসিফ ক্লাস১০ এ পড়ে।একদিন সে তার ক্রিকেট ক্লাবের অধিনায়ক তার দল আজ হেরেছে।তাই তার মন খারাপ।বাসায় আসতে তার আসতে তার রাত হয়ে গেছে।তাই মা তাকে বকা দিয়েছে আর তার বোন হিমু তা দেখে হাসছে। তাই আসিফের রাগ হচ্ছে।তার মা চলে যাওয়ার পর সে তার বোনকে থাপ্পর মারে।হিমু কান্না করতে করতে মাকে গিয়ে নালিশ করে।মা এসে আসিফকে আবার বকা দেয়।তাই আসিফের পড়ায় মন বসছে না।আজ তার মনে অনেক দুঃখ।একদিকে ক্রিকেটে হার,মায়ের বকা।তাই সে আজ রাতের খাবার খায় নি।তার রাতে ঘুম আসছে না।তাই বারান্দায় দাড়িয়ে থাকল।হঠাৎ সে দেখল কি যেন একটা তাদের ছাদের উপর পরে জ্বলে উঠল।আসিফ ছাদে গেল।এটার মধ্যে সিড়ির মতো একটা নেমে এল।কিছুক্ষণ পর একজন মানুষের মতো দেখতে একজন নেমে এল।আসিফ তাকে জিজ্ঞাসা করল তুমি কে? সে জবাব দিল কিন্ত আসিফ বুঝল না।ঐ মানুষ তখন কী যেন কানে লাগাল কি যেন বলল সঙে সঙে আওয়াজ হল আমি বিরস।তুমি কে? আসিফ বলল,আমি আসিফ।ঠিক এমন সময় ছাদে হিমু এখানে আর আমি তোমাকে সারা বাড়ি খুজছি।আসিফকে হিমু জিজ্ঞাসা করল,অ কে ভাইয়া?আসিফ বলল,ও বিরস।আসিফ বিরসকে বলল তোমার কানে ওটা কী? বিরস বলে,এটা একটা অনুবাদ যন্ত্র।এর সাহায্যে আমি তোমার সাথে কথা বলছি।আচ্ছা ও কে? আসিফ তখন বলল,ও আমার বোন,হিমু।বিরস তার অনুবাদ যন্ত্রের সাহায্যে তা শুনতে পায়।বিরস আসিফ আর হিমুকে অনুবাদ যন্ত্র পরিয়ে দিল।হিমু বিরস কে জিজ্ঞাসা করল, এই যে বিরস ভাইয়া,তোমার বাড়ি কোথায়? বিরস বলল, সিমনডেক্স গ্রহে।বিরস আসিফকে বলল,চলো পৃথিবীর বাহির থেকে ঘুরে আসি।আসিফ একটু আমতা আমতা করল।কিন্ত হিমু যেতে চাইল।আসিফ হিমুকে যেতে দেয় না। কারণ ওরা ভিনগ্রহের মানুষ আমাদের ক্ষতি করতে পারে।হিমু আসিফের কথা শুনল না। সে ঐ সসারে প্রবেশ করল।আসিফ উপায় নে পেয়ে সসারে ঢুকতে হল।সঙে সঙেই সসারের দরজা বন্ধ হয়ে গেল।ওরা ভয় পেল। বিরস বলে ভয়ের কিছু নেই।বিরস আসিফ আর হিমুকে বলে সিট বেল্ট বেঁধে নিতে। ওরা সিট বেল্ট বাধেঁ।মূহুর্তের মধ্যেই সসারটি আকাশে উড়া শুরু করল।হিমু খুব খুশি। আসিফ ওকে থামাল।আসিফ বিরসকে বলল আমরা এখন কোথায় যাচ্ছি? বিরস আসিফকে বলে লিটল গ্রহে।আসিফ বলল, সেটা আবার কোথায়? বিরস বলে, মাকিম নক্ষত্রের শেষ গ্রহ।পৃথিবী থেকে ২০০০০ আলোকবর্ষ দূরে।আসিফ বলে, সে তো অনেক দূরের পথ।বিরস বলে সমস্যা নেই কিছুক্ষণের মধ্যই আমরা সেখানে নামব।৫মিনিট পর তাদের সসারটি লিটল গ্রহের মাটিতে নামল। বিরস বলল সসার থেকে না নামতে। কারণ তার আগে দেখতে হবে তারা আমাদের মত সভ্য কিনা।তাদের সসারটিকে ঘিরে দাড়িয়ে আছে অনেক লিটল গ্রহের মানুষ।তারা দেখতে খাটো।পৃথিবীর সদ্য জন্ম নেয়া বাচ্চােদর মতো।তাদের দেশের মাটি গুলো খুব নরম ও লাল রঙের,গাছগুলোও ছোট। বিরস সসারটি থেকে নেমে কানে অনুবাদ যন্ত্র লাগাল।শুনতে পেল তাদের একজন আমাদের তাদের গ্রহে আমাদের অভিনন্দন জানাচ্ছে।আমরা তখন অনুবাদ যন্ত্র কানে লাগিয়ে বিরসের কাছে গেলাম।বিরস আমাদের ভানিশিং গান দিয়ে বলেন সাবধােন চলতে।হিমু তখন লিটল গ্রহের একজনকে কোলে বলে তোমরা লিলিপুটের দল।ও মা তোদের মাথায় দেখছি চুল নেই,ভ্রু নেই।এমনসময় হিমুর কোল থেকে মানুষটা নেমে বলল লিলিপুট কী? হিমু বলে লিলিপুট হলো যারা উচ্চতায় ও বয়সে ছোট,তোমাদের মতো।তখন একজন বলে খবরদার আমাদের লিলিপুট বলবে না।বরং তোমরায় লিলিপুট। আমাদের থেকে বয়সে ছোট।বিরস বলে ওরা ঠিক বলেছে হিমু। ওরা দেখতে এমনই।হিমু ওদের সাথে খেলতে যায়।আসিফ ও বিরস গ্রহটা ঘুরে দেখছে।হঠাৎ বিরসের কানে লাল রঙের একটা বাতি জল্বে ওঠে।বিরস আসিফকে তাড়াতাড়ি আমার পেছনে চল।আসিফ বিরসের পেছনে হাটতে লাগল।বিরস যেটা ভাবল সেটাই ওরা হিমুর চুল ধরে টানছে।বিরস ওদের ধমক দিয়ে বলে, এই কী করছ তোমরা?ওর মাথার চুল ধরে টানছ কেন?হিমু এবার বিরসের কাছে এসে দাড়ায়।ওর চুল আমােদর দরকার।বিরস আসিফ আর হিমুকে বলে চলো এই গ্রহে আর না যাদের কোনো জ্ঞান নেই তাদের সাথে বাস করা যায়না।ওরা বলে ওর চুল না নিয়ে আমরা তুমাদের ছাড়ছি না সঙে সঙেই বিরস ভানিশিং গান দিয়ে ওদের গুলি করে। ওরা কয়েকজন মারা যায়।ওরা ভয়ে আসিফদের পথ ছেড়ে দেয়।বিরস সসারের মধ্যে বসে সসার চালু করল।ওরা মহাকাশে চলে গেলো এবং নতুন গ্রহের খোজ করল।(চলবে)


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১২০৩ জন


এ জাতীয় গল্প

→ সসারে করে গ্রহে ভ্রমণ (খন্ড ২)
→ সসারে করে গ্রহে ভ্রমণ (খন্ড ১)

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now