বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

সর্পদৃষ্টি-১৪ (শেষ)

"ফ্যান্টাসি" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X ১১ রহমান সাহেবের কেবিনে ঢুকে আমি বললাম, উই নীড এ মিডিয়াম। -মিডিয়াম! কেন? -সিরি এই মুহুর্তে দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন আত্মাদের পৃথিবীতে আছে। ওর সাথে যোগাযোগের জন্য আমাদের ওর আত্মাকে ডেকে আনতে হবে। শী মাস্ট নো যে কে চাইছে এই প্রলয় সৃষ্টি করতে। রহমান সাহেব বললেন, শান্ত হয়ে বসো। আমাকে বোঝাও আগে যে কি হয়েছে? আমি তাকে ইয়াসমিনের কথা ব্যাখ্যা করে বোঝালাম। উনার কপালের ভাজ একটা বাড়ল। ফোনের রিসিভার তুলে নিয়ে উনি একটা নাম্বার ডায়াল করলেন। -হ্যালো জামাল? - -না না। তোমাকে আমার দরকার। - -হ্যাঁ । পিজিতে আসো। - -আচ্ছা। যত তাড়াতাড়ি পারো চলে আসো। রহমান সাহেব ফোন রেখে বললেন, এই ছেলেটা বেশ ভাল। দেখা যাক। কদ্দুর কি করতে পারে। চা খাও। দিতে বলি? বলতে পারেন। দরজার শব্দে ঘুরে তাকিয়ে ইয়াসমিনকে দেখতে পেলাম। দরজা খুলে ভেতরে ঢুকল মেয়েটা। আমি বললাম, তুমি আমার বাসায় চলে যেতে পারো। আমরা মিডিয়ামের সাথে কথা বলে আসি। না, সে মাথা নাড়ল। আমি আর কিছু বললাম না। মিডিয়াম আসতে ঘন্টাখানেক দেরী হবে। আমি চিন্তায় ডুবে গেলাম। ইয়াসমিনের সাথে আমার প্রথম দেখা হয় খারাকের যুদ্ধের ময়দানে। আমি তখন এজরাক থেকে খারাক দুর্গে চলে গিয়েছিলাম। মাঝে প্রায় কয়েকশো বছরের লম্বা একটা সময় পেরিয়ে গিয়েছিল। আমি তখন খারাক দুর্গের সেনাধ্যক্ষ। খারাক আর হারকুম দুই রাজ্যের বিবদমান পক্ষের যুদ্ধে জড়িয়ে গিয়েছিলাম আমরা খারাক দুর্গের ইয়াতাশিরেরা। লোকে আমাদের ভয় আর ঘৃণার দৃষ্টিতে দেখলেও যুদ্ধে আমাদের কার্যকারিতা নিয়ে কোন সন্দেহ ছিল না। তখনকার পৃথিবীর সেরা যোদ্ধা বলতে ইয়াতাশিরদেরই বোঝানো হত। কিন্তু তারা টাকা ছাড়া একটা আঙুলও নাড়াতো না। খারকুম আক্রমণে খারাকের রাজাকে সাহায্য করার বিনিময়ে আমরা খারাকের দুর্গের সব জমি লাখেরাজ বা খাজনাবিহীন হিসেবে পেয়ে গিয়েছিলাম। একই সাথে মোটা পরিমাণে খারাকীয় স্বর্ণমুদ্রা। খারাকের রাজা আমাদের সাহায্যে খারকুমের ভেতর একের পর এক অঞ্চল দখল করছিলেন। খারাকের সীমান্তবর্তী এক জায়গায় সেনা সমাবেশ করে আমরা পরবর্তী রাত্রকালীন যুদ্ধের অপেক্ষা করছিলাম। খারকুমের বাহিনীর কাছে ছিল অগ্নিগোলক নিক্ষেপক যাকে ক্যাটাপুল্ট বলে। আমার বাহিনীর কাজ ছিল যুদ্ধের সময় ওদের সেনা শিবিরে গুপ্তহামলা চালিয়ে সেগুলো নষ্ট করে দিয়ে আসা। সেই সাথে খারকুম বাহিনীর অস্ত্রশালায় আগুন লাগিয়ে দেওয়া। আমি আমার বাছাই করা সাতজন খারাকি যোদ্ধা আর ছয়জন ইয়ারতাশিরকে নিয়ে সূর্য ডোবার সাথে সাথেই সীমান্তবর্তী পর্বতশ্রেণীর উলটো দিক থেকে যাত্রা শুরু করলাম। ঘোড়ার পিঠে প্রায় বিশ ঘন্টার পথ। যুদ্ধের আগেই আমরা কাজ না শেষ করতে পারলে ওদের অস্ত্রের সামনে আমাদের টিকে থাকাই মুশকিল হয়ে দাঁড়াবে।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২৮ জন


এ জাতীয় গল্প

→ সর্পদৃষ্টি-১৪ (শেষ)

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now