বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

সোনালী স্নান

"ফ্যান্টাসি" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Sayemus Suhan (০ পয়েন্ট)

X সোনালী জলধারার নীচে শুয়ে আনিস চোখ মুদল। সুতীব্র উত্তেজনা নিম্নাঙ্গ থেকে তলপেটের উপর দিয়ে পেশীবহুল এক অজগরের মত ধীরালয়ে উপরের দিকে উঠতে লাগল। তার শ্বাস-প্রশ্বাস দ্রুত থেকে দ্রুততর হল। শীর্ষ অনুভূতির চরমে পৌঁছাতেই গোঙাতে লাগল সে। একসময় হাত পা এলিয়ে দিয়ে ফোঁসফোঁস করতে লাগল আনিস। যার সব আছে তাকে প্রতিনিয়ত শান্তির পথ খুঁজে বেড়াতে হয়। সব কিছু থাকার মত যন্ত্রণা এক মাত্র যার আছে সেই জানে। যে দরিদ্র সে জানে প্রাচুর্য তাকে সুখ এনে দেবে। যে কুৎসিত সে জানে সৌন্দর্য তাকে শান্তি এনে দেবে। যে সদা অসুস্থ সে জানে সুস্বাস্থ্য তাকে সুখী করবে। কিন্তু যার সব আছে তার সুখ হয় কিসে? আনিসের সব আছে। সুঠাম স্বাস্থ্য, অঢেল বিত্ত, এবং প্রায় কল্পনাতীত ক্ষমতা। তার বাবা দেশের ক্ষমতাসীন দলের প্রধান। বিত্তের দিক থেকে মুসা বিন শমসের তাদের কাছে কিছুই নয়। অগণিত টাকা পৃথিবীর নানা দেশে খাটানো আছে তাদের। আনিস বড় হয়েছে স্বর্গের মত পরিবেশে। যেখানে চাওয়া মাত্রই সব পাওয়া যায়। চাওয়া মাত্রই পেয়ে যাবার বড় সমস্যা হল এক সময় প্রায় সব কিছুই পাওয়া হয়ে যায় বলে ক্লান্তি চলে আসে। মার্সিডিজ কিংবা বি এম ডাব্লিউ আধা ডজনের মত আছে আনিসের। ইউরোপ-আমেরিকার বহু দেশ ঘোরা হয়ে গেছে। ক্র্যাক কোকেইন, মারিহুয়ানা, হেরোইন এমনকি ইয়াবা কোন কিছুই বাদ নেই। আর মেয়ে মানুষ? হিসেব নেই। বিশ্ব সুন্দরীকেও নগ্ন করে এনে সামনে দাড় করিয়ে দিলে নিম্নাঙ্গে কোন সাড়া জাগবে কিনা আনিসের সন্দেহ আছে। তার ক্লান্তি লাগে। ক্লান্তি লাগে বলে ইংল্যান্ডে গিয়ে বিমান ভাড়া করে বিশ হাজার ফুট উপর থেকে প্যারাশুট নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছে। তাতে আনন্দ লেগেছিল মাস ছয়েকের মত। পায়ে দড়ি বেধে লাফিয়ে পড়েছে কত ব্রিজ, সুউচ্চ দালান, আর পাহাড়ের উপর থেকে। সেসব থেকে প্রাপ্ত সুখও এক সময় ফিকে হয়ে গেছে। ক্লান্তি। শুধু ক্লান্তি। ক্লান্তি দূর করার জন্য প্রতিনিয়ত ফিকির করতে হয় তাকে। সোনালী জলধারার নীচে শুয়ে আনিস ভাবে আর কত দিন এই স্নান তাকে আনন্দ দেবে? এক মাস? ছয় মাস? তারপর? দুই লিটার পানির বোতল থেকে ঢক ঢক করে পানি গিলতে গিলতে রিয়া ভাবল,”এমন পাগলও মানুষ হয়?" উঁচু লেভেলের অনেক ক্লায়েন্টের সাথে সে রাত কাটিয়েছে কিন্তু এমন কাওকে আগে কখনো দেখেনি। তবে এমাউন্টটা অনেক। প্রতিবারের জন্য চল্লিশ হাজার। এত টাকা এই সামান্য জিনিশের জন্য পাওয়া যাচ্ছে ভাবতেই অবাক লাগে। দুই পা মেলে দিয়ে আনিসের বুকের উপর ছ্যাড়ছ্যাড় করে পেশাপ করতে লাগল রিয়া।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৩৪ জন


এ জাতীয় গল্প

→ সোনালী স্নান

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now