বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
০৯.
একদিন তুরানের কাছে বনে শিকারে গিয়ে একসময় রোস্তম ঘুমিয়ে পড়লেন এবং তার ঘোড়া রাখসকে হারিয়ে ফেললেন। ঘোড়াটিকে খুঁজতে খুঁজতে তিনি শত্রুদেশের এক শহর, সামাংগান এ এসে হাজির হলেন, যেখানে তাকে সাদরে গ্রহণ করলেন স্থানীয় রাজা, এবং তিনি ঘোড়াটিকে খুঁজে বের করে দেয়ার অঙ্গীকার করলেন। রুস্তমের সাথে দেখা হল রাজার সুন্দরী কন্যা তাহমিনার সাথে, যে তার সম্বন্ধে সব বীরত্বসূচক কাহিনি শুনে তার প্রেমে পড়ে গিয়েছিলো। রুস্তম বিয়ে করলেন তাহমিনাকে। ইরানের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করার ঠিক পূর্বণে তিনি তার স্ত্রীকে দিয়ে গেলেন একটি তাবিজ, যা তিনি বেঁধে রাখতেন তার বাহুতে। এটি পাবে তার উত্তরাধিকারী : যদি হয় কন্যাসন্তান তবে সেটি পড়বে তার চুলে এবং যদি হয় পুত্রসন্তান, তবে সে বাঁধবে বাহুতে।
নয়মাস পর তাহমিনা জন্ম দেন এক পুত্রসন্তান। নাম রাখলেন সোহরাব, সে যখন তিনবছর বয়সী, তখন শেখা শুরু করল যুদ্ধবিদ্যা, এবং যখন সে দশ বছর বয়সে পৌঁছল তখন সে হয়ে উঠলো অনন্য বীর। সে শীঘ্রই উপলব্ধি করতে পারল যে, সে তার সমবয়সী অন্যান্য ছেলের চাইতে শ্রেষ্ঠতর এবং যখন সে তার পিতা সম্বন্ধে জানতে চাইল তার মায়ের কাছে, তিনি তাকে বললেন যে, সে রুস্তমের পুত্র। এটি সোহরাবকে যে শুধু তার পিতার অনুসন্ধানেই উদ্দীপ্ত করল, তা নয়, এতে তিনি তুরানের সাথে তার সব সম্পর্ক ছিন্ন করতে উৎসাহিত হলেন। এছাড়াও তিনি রাজাদের রাজার পদ থেকে কেক্যাভাসকে অপসারণ করতে এবং সেই পদে রুস্তমকে আসীন করতে অগ্রসর হলেন।
১০.
সোহরাবের খবর পৌঁছে গেলো আফ্রাসিয়াবের কাছে, যে পিতা এবং পুত্র উভয়ের বিরুদ্ধে এক ভয়ংকর পরিকল্পনা ফেঁদে বসল, যাতে করে সোহরাবের সাথে তার পিতার সাক্ষাৎ ঠেকানো যায়, এর মধ্য দিয়ে আড়াল করা যাবে রুস্তমের কাছে তার পুত্রের পরিচয়, যাতে করে তার মুখোমুখি হয় পরস্পরের শত্রু হিসেবে।
যুদ্ধক্ষেত্রে সোহরাবের সন্দেহ হলো যে তার প্রতিপ হয়তো তার পিতা, কিন্তু যখন তিনি তার নাম জিজ্ঞাসা করলেন, তখন রুস্তম তার প্রকৃত পরিচয় গোপন রাখলেন। সোহরাব তখন তুরানিদের কাছ থেকে সত্যটি জানতে চেষ্টা করলেন, কিন্তু আফ্রাসিয়াবের আদেশে তারা রোস্তমের পরিচয় প্রকাশ করল না। কেবলমাত্র যুদ্ধেেত্র তাদের চূড়ান্ত মোকাবেলায়, যখন সোহ্রাব তার পিতা রুস্তমের কাছ থেকে পেলেন এক ভয়ংকর আঘাত এবং রুস্তম সোহরাবের বাহুতে আবিষ্কার করলেন তার দেয়া তাবিজ, তখন রুস্তম বুঝতে পারলেন যে, তিনি পুত্রকে হত্যা করেছেন।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now