বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
০৭.
রুস্তম তার সারাটা জীবন কাটিয়ে দেন তুরানের রাজার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে এবং ইরানের সীমানা রক্ষা করে, যেমনটি করেছিলেন তার পিতা জাল এবং তার পিতামহ সাম।
রুস্তম খ্যাতি পেলেন এমন একটি সময়ে যখন ভূমি এবং রাজমুকুটের শ্রেষ্ঠত্ব নিয়ে ইরান এবং তুরান নিরবচ্ছিন্ন সংঘাতে লিপ্ত। সব ইরানি বীরকে বর্ণনা করা হল সাহসী, পুণ্যবান এবং রাজাদের রাজার সাথে গভীরভাবে সম্পৃক্ত বলে, যার জন্য তারা তাদের জীবনের ঝুঁকি নিত এবং তাদের প্রিয়তম কাউকে উৎসর্গ করতে পারত। এটি বিশেষভাবে সত্য রুস্তমের ক্ষেত্রে , যা দেখা যায় তার পুত্র সোহরাব এর কিংবদন্তিতে। রুস্তম হয়ে উঠেন পারস্যপুরাণের অন্যতম শ্রেষ্ঠবীর, যিনি ছিলেন দৈহিকশক্তি, আত্মিক শুদ্ধতার এক প্রতীক।
রোস্তমের পিতা জাল বর্ণিত হয় বিশদভাবে এবং তার জন্ম ও বিকাশকে সংশ্লিষ্ট করা হয় কিংবদন্তির পাখি সিমুর্ঘ, এই পাখিটি রুস্তমের জীবনেও একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, বিপদের সময় এটি তাকে একাধিক বার রা করে। দীর্ঘকাল কোনো সন্তানের জন্মের প্রতীক্ষায় থাকা তার পিতা-মাতার গৃহে যখন জাল-এর জন্ম হলো, তার পিতার আনন্দ পরিণত হল দুঃখ এবং চরম অসহায়ত্বে, যখন তিনি দেখলেন নবজাতকটিকে। শিশুটির শরীরকে বর্ণনা করা হলো রূপার মতো শুভ্র বলে, তার মুখমণ্ডল ছিলো স্বর্গীয়, কিন্তু তার চুল ছিলো বৃদ্ধের চুলের মতো শাদা। সাম বিরল বৈশিষ্ট্যময় উত্তরাধিকারীকে দেখে এতোটাই বিপন্ন বোধ করলেন যে, তিনি জগতের প্রতি নিরাসক্ত হয়ে পড়লেন।
সাম অবশেষে তার শিশুকে ফেলে আসেন আলবুর্জ পর্বতমালায়, যা সূর্যের কাছাকাছি এবং মানুষ থেকে অনেক দূরে।
শিশুটি বেঁচে গেলো সিমুর্ঘ নামক একটি পাখি কর্তৃক, যখন পাখিটি আলবুর্জ পর্বতমালার উপর দিয়ে উড়ে যাচ্ছিল শাবকের জন্য খাদ্যের সন্ধানে। সে পরিত্যক্ত শিশুটিকে নেয় তার ছোটো শাবকের খাবার হিসেবে, কিন্তু একটি কন্ঠস্বর তাকে বলল যে, ‘মায়ের স্তন্য পানের যোগ্য এই শিশুটির যত্ন নাও, যেন এই বীজ থেকে বেড়ে ওঠে একটি মানুষ। এভাবে জাল বড় হতে থাকলো সিমুর্ঘ এবং তার পরিবারের সাথে।
ইতোমধ্যে সাম-এর রাজপ্রাঙ্গণে ছড়িয়ে পড়লো জালের বেঁচে থাকার খবর। এবং যখন সাম তার পণ্ডিতবর্গকে তার স্বপ্ন সম্বন্ধে অবহিত করলেন যেই স্বপ্নে এক ঘোরসওয়ার তাকে তার পুত্র জীবিত থাকার কথা বলল, তারা তাকে সেখানে যেতে ও তার পুত্রকে উদ্ধার করতে অনুরোধ করলেন।
পর্বতের শিখরে উঠে সাম ঈশ্বরের কাছে মা চেয়ে এবং তার পরিত্যক্ত শিশুকে ফিরি
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now