বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
১২.
সিয়াভাশ হলেন কেক্যাভাস এবং ফেরাইদুন ও তুরানি রাজপরিবারের উত্তরাধিকার সম্পন্ন এক রাজকুমারীর পুত্র। তরুণ বয়সে তাকে পাঠানো হয় রুস্তমের তত্ত্বাবধানে, যিনি তাকে যুবরাজসুলভ সব কলাকৌশল ও দতায় দীতি করে তোলেন। যখন সে এক সুদর্শন পুরুষে পরিণত হল, তখন তার পিতার অন্যতম স্ত্রী সুদাবে তার প্রেমে পড়লেন। যখন তার প্রলোভন সিয়াভাশকে প্রলুব্ধ করতে পারল না, তখন তিনি তার বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ আনলেন এবং তার স্বামীর কাছে এই মিথ্যাচার করলেন যে, সিয়াভাশ তার কাছে প্রেমের প্রস্তাব দিয়েছে। সুদাবেকে প্রাথমিকভাবে বিশ্বাসকারী, কেক্যাভাস তার পুত্রকে কেবল তখনই মা করলেন যখন সে এক কালো ঘোড়ায় চড়ে আগুনের ভিতর দিয়ে গিয়ে নিজেকে নিষ্পাপ প্রমাণ করলো।
অতঃপর সিয়াভাশ চলে গেলেন আফ্রাসিয়াবের দরবারে, যেখানে তিনি রাজকন্যার প্রেমে পড়লেন, তাকে বিয়ে করলেন এবং স্থায়ীভাবে বসবাস করতে লাগলেন। সিয়াভাশের ব্যাপারে ঈর্ষান্বিত হয়ে আফ্রাসিয়াবের ভাই গার্সিভাজ আফ্রাসিয়াবকে ইরানের তরুণ রাজকুমারটির বিরুদ্ধে খেপিয়ে তুলতে সমর্থ হলেন, তখন তাকে নির্দয়ভাবে খুন করা হল এবং তার মস্তক কেটে ফেলা হল। কিছুকাল পর সিয়াভাশের পুত্র কেখুসরো তুরান থেকে ইরানে ফিরে এলেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী এবং সৎ-ভাই, ফারিবার্জকে পরাভূত করে তিনি হয়ে উঠলেন তার পিতামহ কেক্যাভাস এর উত্তরাধিকারী এবং রাজা হয়ে গেলেন । গার্সিভাজ এবং আফ্রাসিয়াব দুজনই কেখুসরোর হাতে নিহত হলেন।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now