বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

সোহরাব রুস্তোম (১০)

"উপন্যাস" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান R.H (dangeor-virus) (০ পয়েন্ট)

X ১৩. পুরো শাহনামা জুড়ে রাজা এবং বীরদের পাশাপাশি আবির্ভূত হয় নিষ্ঠুর অতিপ্রাকৃত শক্তি বা দিভ-ই-সেপিদ নামক অশুভ শক্তিসমূহ। এদেরকে কখনো বলা হয় আহরিমান নামক শয়তান। শাহনামার বীরগণকে সচরাচর তাদের সাহস এবং শারীরিক শক্তির সাথে রাজাদের রাজার প্রতি তাদের পরম আনুগত্য প্রমাণ করতে হতো দিভ, ড্রাগন, নেকড়ে এবং দৈত্যদেরকে মোকাবেলা করে। এই সময়ে এমন সব উপাখ্যান রয়েছে যেগুলোতে বীরগণকে সাহায্য এবং রা করে অনেক সদয় এবং অতিপ্রাকৃত সৃষ্টি। এদের মধ্যে রয়েছে পাখি সিমুর্ঘ এবং রোস্তমের ঘোড়া, রাখস। রাখস নামক ঘোড়ার কথা প্রথম উল্লেখ করা হয় শাহনামার শুরুর দিকে। রাজাদের রাজা কেক্যাভাসকে উদ্ধার করার জন্য পর্বতে এক দুঃসাহসী অভিযান চালানোর পূর্বে, রুস্তম তার মাতৃভূমি জাবুলিস্তানের সব পশুপালকদের মধ্যে একটি উপযুক্ত ঘোড়া খোঁজ করলেন, কিন্তু এদের পৃষ্ঠে তিনি তার হাত দ্বারা চাপ দিয়ে দেখলেন যে, এদের কোনোটিই সেই ওজন সহ্য করতে পারছে না এবং এদের পেট মাটি পর্যন্ত ঝুলে যাচ্ছে। রোস্তম হঠাৎ একটি ঘোড়া দেখলেন যার কানগুলি বেরিয়ে এসেছিল দুটি তরবারির মতো। ছোটো ছোটো ধাপে দ্রুত পা ফেলে এর পেছন পেছন এলো একটি অশ্বশাবক যেটি দেখতে এর মায়ের মতোই। অশ্বশাবকটির ছিল গভীর কালো চোখ একটি দীর্ঘ লেজ এবং ইস্পাতের মতো খুর। এর হালকা বর্ণের শরীরটিতে আছে দাগ, যেগুলো চকচক করছে আকাশের মতো। এর উচ্চতা একটি উটের উচ্চতার সমান এবং এর শক্তি একটি হাতির শক্তির সমান। সেই শাবকটিই রাখস নামে পরিচিত হলো। রোস্তমের প্রতি রাখস এর পরম আনুগত্য এবং এর বুদ্ধিমত্তা চমৎকারভাবে প্রমাণিত হয়েছে রোস্তমের সাতটি অভিযানে। প্রথম অভিযানটিতে, নলখাগড়ার মাঠে রোস্তম তার ছুরিটি রেখে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন এবং তার অজ্ঞাতসারে তার দিকে এগিয়ে এল একটি সিংহ। ক্রুদ্ধ রাখস এর সামনের পা দ্বারা সিংহটিকে আঘাত করল এবং এর পৃষ্ঠদেশ কামড়ে দিলো। তৃতীয় অভিযানে, রুস্তম নিদ্রাচ্ছন্ন ছিলেন। বিশ্রামে যাওয়ার পূর্বে তিনি রাখসকে সিংহ এবং ড্রাগনদের সাথে লড়াই করার ব্যাপারে সতর্ক করে দিলেন। অনতিবিলম্বে আবির্ভূত হল একটি বিশাল ড্রাগন। রাখস্ বিপন্ন হয়ে পড়লো এবং তার পা দ্বারা মাটিতে আঘাত করে তার মনিবকে জাগাতে চেষ্টা করল, কিন্তু রোস্তম যখন চোখ খুললেন, তখন ড্রাগনটি অদৃশ্য হয়ে গেল। রোস্তম তখন রাখসকে বকাঝকা করলেন তাকে বিরক্ত করার জন্য। ড্রাগনটি এই খেলা চালিয়ে যেতে লাগল, প্রতিবারই রাখস জাগিয়ে তুলল রোস্তমকে,


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮৭ জন


এ জাতীয় গল্প

→ সোহরাব রুস্তোম (১০)

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now