বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
সাপদুটির মাথা কেটে জাহাক আপ্রাণ চেষ্টা করেন এদেরকে হত্যা করতে, কিন্তু প্রতিবার গজিয়ে ওঠে নতুন মাথা।
ইতোমধ্যে রাজমতা, রাজমুকুট এবং সিংহাসন হারিয়ে ফেলেছিলেন জামশেদ। তিনি তার লোকজনকে তাড়িয়ে নিয়ে গেলেন জাহাক এবং শয়তানের বাহুর নাগালে, যখন তারা ছিল একজন নতুন শাসকের সন্ধানে। একজন আরব হওয়া সত্ত্বেও জাহাককে নতুন রাজা হিসেবে সম্ভাষণ জানানো হল। অতঃপর তিনি বিয়ে করলেন জামশেদের দুই কন্যা শেহেরনাজ এবং আর্নাভাজকে। তার শাসন টিকে থাকলো একহাজার বছর ধরে, যে সময়টিতে সাম্রাজ্যটির উপর নেমে এল অন্ধকার, কারণ সাপগুলোর উদ্দেশে প্রতিদিন উৎসর্গ করা হতো যুবকদেরকে।
জাহাক স্বপ্নে জেনে গেলেন তার মৃত্যুকে, যাতে সাইপ্রেস গাছের মতো দীর্ঘ এক বীর আবির্ভূত হলো ষাঁড়ের মাথাসদৃশ এক রাজদণ্ড নিয়ে। এই যুবক তাকে পরাস্ত করলো, তাকে বেঁধে ফেললো এবং তাকে নিক্ষেপ করলো একটি কূয়ার মধ্যে। জাহাককে পুরোহিত বলেছিলেন, স্বপ্নটি সত্যি হবে। ফেরাইদুন নামে চাঁদের সমান উঁচু এক বীর কোমরবন্ধ, মুকুট, সিংহাসনের রাজকীয় সম্মানের সন্ধানে নামবে।
০৬.
যথাসময়ে ফেরাইদুন তাইগ্রিস নদী পার হয়ে সবলে জাহাককে পরাস্ত এবং হত্যা করেন। এবং তার দুইপত্নিকে রানী করে করে রাজ্যশাসন করেন।
পাঁচশো বছরব্যাপী ফেরাইদুনের দীর্ঘ শাসনকাল নির্দেশ করে উন্নতি এবং ঐক্যের এক কাল, এবং যা নির্দেশ করে তার রাজত্ব ও তার জনতার বিরাজমান শক্তিকে।
তারপরও শুরু হলো শুভ এবং অশুভর সংঘাত, যখন ফেরাইদুন তার সাম্রাজ্যকে ভাগ করে দিলেন তার তিনপুত্রের মধ্যে এবং তাদের মধ্যে সূত্রপাত ঘটলো বিদ্বেষের। সালম এবং তুর নামে দুই ভাইয়ের জন্ম হয়েছিলো শোহেরনাজের গর্ভে, অন্যদিকে আইরাজ ছিল তার বোন আর্নাভাজের পুত্র। ফেরাইদুন তার জ্যেষ্ঠ পুত্র সালমকে দিলেন সাম্রাজ্যের পশ্চিমাংশ, এবং তার দ্বিতীয় পুত্র তুরকে দেয়া হল তুরান। কিন্তু সাম্রাজ্যের সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ অংশ ইরান এবং ফেরাইদুনের স্বর্ণ-সিংহাসন পেলেন তাদের সৎভাই আইরাজ। যদিও কনিষ্ঠতম, তবু তিনি নিজেকে প্রমাণ করলেন তিনজনের মধ্যে সবচাইতে জ্ঞানী এবং সাহসীরূপে।
রাজ্যভাগের ব্যাপারে সালম এর অসন্তোষ এবং ক্রোধ শীঘ্রই হয়ে উঠলো অনিয়ন্ত্রণযোগ্য এবং তুর এর সাহায্য নিয়ে তিনি হত্যা করলেন সৎভাই আইরাজকে। ভাই কর্তৃক ভাইয়ের হত্যাকে চিহ্নিত করা হল শয়তানের বিজয় এবং পারস্যপুরাণে একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্বের সূত্রপাত রূপে।
ইরান এবং তুরান রাজ্যের মধ্
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now