বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
জামশেদের রাজত্বকাল ছিলো এক আবিষ্কারের যুগ, অংশত যুদ্ধে অধিকতর সূক্ষ্ম অস্ত্রশস্ত্রের প্রয়োজনের তাগিদে। রাজা এবং রাজত্বকে শত্রুদের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য সৃষ্টি করা হল একটি যোদ্ধাশ্রেণী, মানুষের সামাজিক বিকাশের এক আদি পর্যায়ে যা চিহ্নিত করল একটি দৃঢ় শ্রেণীকাঠামোর সূত্রপাতকে। এখানে ছিল পুরোহিতশ্রেণী, ছিল ক্ষুদ্র চাষী, কৃষক এবং কারিগরগণ। প্রতিটি দলকে নিযুক্ত করা হত বিশেষভাবে নির্বাচিত কাজ সম্পাদনের উদ্দেশে, এবং এমনকি দানবদেরকে দেয়া হতো ইট তৈরি করার জন্য পানি এবং মাটি মেশাবার কাজ। পাথর এবং জিপসাম ব্যবহার করে তারা নির্মাণ করল স্নানাগার এবং বিশাল আকৃতির রাজপ্রসাদসমূহ।
জামশেদ এর সময় যুক্ত হলো একটি নতুন এবং রাজকীয় প্রতীক: ফার-ই-ইজাদি বা দৈবগৌরব, যা তাকে দিলো তার বিখ্যাত সিংহাসন, যেটির উপর তিনি বসেছিলেন উজ্জ্বল সূর্যের মতো। এই ঘটনাটিকে উপলক্ষ করে বছরের প্রথমদিন নওরোজ উৎসবের সূত্রপাত ঘটলো। এইদিন সবাই জড়ো হতো রাজার সিংহাসনের চারদিকে, তার প্রতি প্রদান করত আনুগত্য এবং সম্মান জানাতো মদ, সংগীত ও নৃত্যের মাধ্যমে।
০৫.
জামশেদ এর রাজত্বের ৩০০ বছরের শান্তি ও সম্প্রীতি ব্যাহত হলো মানুষের লোভের কারণে। জামশেদ তার চাইতে শ্রেষ্ঠতর শক্তিসমূহে বিশ্বাস স্থাপন থেকে বিরত থাকলেন এবং নিজেকে একমাত্র ও চূড়ান্ত শাসক হিসেবে গণ্য করতে লাগলেন। তার এই ঘোষণা ভাবিয়ে তুলল পুরোহিতদেরকে এবং অতি শীঘ্রই তিনি তার দৈবগৌরব হারালেন। তার সেনাদল তাকে পরিত্যাগ করল এবং জগৎ নিপতিত হল অনিশ্চয়তার মাঝে। তখন দৃষ্টপটে চলে আসে জাহ্হাক নামক এক বীর, যে তার অজ্ঞতা ও লোভের বশে আত্মা বিক্রি করে দিয়েছিল শয়তানের কাছে।
এইখানে আমাদের মনে পড়ে ফাউস্তকে যে শয়তান মেফিস্তোফেলিসের কাছে আত্মা বিক্রি করে দিয়েছিলো।
জাহাক ছিলো আরবের এক সম্মানিত লোকের পুত্র, একজন সত্যিকার বীর, যিনি তার জীবনকালের বেশিরভাগ সময় আসীন ছিলেন ঘোড়ার পৃষ্ঠে। কিন্তু যৌবনসুলভ সারল্য তাকে ঠেলে দিল শয়তানের বাহুবন্ধনে। শয়তান জাহ্হাকের অনুরাগ অর্জন করার জন্য ব্যবহার করে তার প্ররোচনা এবং জাদু, অবশেষে সফল হয়। শয়তান যখন জাহাককে আলিঙ্গন করলো তখন তার কাঁধ থেকে জেগে উঠলো দুটি সাপ। এবং জাহাকের পক্ষে সাপদুটিকে দূর করাটাই কেবল অসম্ভব নয়, উপরন্তু প্রতিদিন এদেরকে মানুষের ছিন্ন মাথা খাবার হিশেবে দিতে হয়। সাপদুটির মাথা কেটে জাহাক আপ্রাণ চেষ্টা করেন এদেরকে হত্যা করতে, ক
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now